মুসলমানরা যখন মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত হয়ে যাবে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ হয়ে যাবে, তখনই তাদের কামিয়াব। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কতটুকু মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত ছিলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ ছিলেন। সেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়াকেয়া দ্বারা বোঝা যাবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “যাঁরা ঈমানদার, উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে খুব বেশী মুহব্বত করেন।”
এই পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
চট্টগ্রাম বন্দর, বিশেষ করে নিউমুরিং টার্মিনাল (এনসিটি) হচ্ছে বাংলাদেশের সোনার হরিণ বা স্বর্নের ডিম পাড়া বুনো হাঁস। ২০২০ সালের দিকে সালমান এফ রহমান সিন্ডিকেট এবং ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের ইকোনোমিক হিটম্যানদের সিন্ডিকেট এটিকে বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার উদ্যোগের মাধ্যমে স্বর্নের ডিম পাড়া বুনো হাঁস জবাই করে একসাথে সব ডিম খেয়ে ফেলতে চেয়েছিল।
ইকোনমিক হিটম্যানদের চাপ ও পরামর্শে দেশের অর্থনৈতিক হৃৎপিণ্ড চট্টগ্রাম বন্দরের স্বর্নের ডিম পাড়া বুনো হাঁস খ্যাত নিউমুরিং টার্মিনালের ভূ-রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব বুঝত বাকি অংশ পড়ুন...
বেদনাবিধুর ইতিহাসের মুকুরে তাকালে দেখা যায়, যখন পূর্ব আকাশে আগ্রাসী লাল ড্রাগনের নিঃশ^াস আগুনের হলকা হয়ে ঝরে পড়ে, তখন ১১টি বাংলাদেশের সমান বিশাল এক মুসলিম ভূখ- ‘পূর্ব তুর্কিস্তান’ আজ জ্যান্ত কবরস্থানে পরিণত হয়েছে। ১৬ লক্ষ বর্গকিলোমিটারের সেই পবিত্র জমিনকে গ্রাস করে নিয়েছে নাস্তিক্যবাদী কমিউনিস্ট চীন। ৩০ কোটি মানুষকে খাঁচায় বন্দি করতে তারা স্থাপন করেছে অগণিত সংখ্যক সিসিটিভি ক্যামেরা। এটি কেবল নজরদারি নয়, বরং একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় ‘কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প’, যেখানে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে মুসলিম অস্তিত্বকে মুছে ফেলার নীল নকশ বাকি অংশ পড়ুন...
বেশুমার ছলাত ও সালাম মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম উনার এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুবারক স্মরণে। বেহদ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম শরীফ সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ আউওয়াল হুযূর ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের মুবারক চরণে। দোয়া চাই, করুণা চাই ছহিবু ইলমিল আউওওয়ালি ওয়াল আখিরি, জামি‘উন নি‘য়ামত মামদূহ আক্বা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা ছিলেন মোট ১৩ জন। সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ সম্মানিত তাশরীফ মুবারক নেয়ার মুবারক ধারাবাহিকক্রম অনুযায়ী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আল খ্বামিসাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মাসাকীন আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আল খ্বামিসাহ্ অর্থাৎ পঞ্চম’। এ জন্য উনাকে ‘মহাসম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান নিজে বিভ্রান্ত এবং সে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হিজর শরীফ উনার ৩৯ ও ৪০ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ رَبِّ بِمَا اَغْوَيْتَنِىْ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِىْ الْاَرْضِ وَلَاُغْوِيَنَّهُمْ اَجْمَعِيْنَ اِلاَّ عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلِصِيْنَ.
অর্থ: শয়তান বলে, হে আমার রব! যেহেতু আমি গোমরাহ হয়ে গিয়েছি সেহেতু আমি অবশ্যই দুনিয়াতে মানুষের জন্য মন্দ কাজগুলোকে সৌন্দর্যম-িত করবো এবং অবশ্যই তাদের সকলকে বিভ্রান্ত করবো। আপনার মুখলিছ বান্দাগণ ব্যতীত বাকী সবাইকে বিভ্রান্ত করবো। নাঊযুবিল্লাহ!
এখানে ফি বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন সম্মানিত হিজরত মুবারক উনার প্রস্তুতি মুবারক সম্পন্ন করলেন, তখন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত ভাই হযরত কিনানাহ ইবনে রবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে উনার সাথে ‘বাত্বনে ইয়া’জিজে’ যেখানে হযরত যায়িদ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি উনার জন্য অপেক্ষা করছেন, সে স্থান পর্যন্ত যেতে বললেন। সে সময় সম্ভ্রান্ত মহিলারা সফরকালে উটের পিঠে একটি হাওদার ভিতরে অবস্থান করতেন, যা উনাদের সম বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে গত পরশু টেলিফোনালাপ করেছেন।
তিনি বলেছেন, তার দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আগ্রাসনের সময় মুসলিম দেশগুলোর বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৩৯-৩৪১)
و الجملۃ چوں عبادت مقتضاء ذات حضرت خالق است و فیز مقتضای ذات بندہ و نیز مقتضای انعام و احسان اوبر بندگان در حکمت الہی از عبادت چارہ نباشد چوں عبادت موقوف بر امتثال اوامر است و اوامر الہی بر چہار طریق در یافت کتاب اللہ و سنت پیغمبران یا اجماع امت با قیاس جلی و اصل ہمہ این امور کتاب اللہ است پس از انزال کتاب ہم نا کریزاست۰
অর্থাৎ আসল কথা হলো- বান্দা ইবাদত করে, ইহা মহান আল্লাহ তায়ালা উনার বাঞ্চনীয় এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনার দান, অবদান ও অনুগ্রহের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বান্দার ইবাদত ও উনার অভিপ্রিত। সব অবস্থায়ই মহান আল্লাহ তায়ালা উনার ইহসান স্বীকার করতে হবে। ইলাহী তায়ালা উনার আদেশ পালন করাই বান্দার কর্তব্য। মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
ফলে ইরান যুদ্ধে কার্যত কৌশলের দিক দিয়ে ইরান এগিয়ে রয়েছে।
ইরানের রণকৌশল মূলত বহুমুখী এবং আধুনিক 'প্রতিরক্ষামূলক' (Defensive) কৌশলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
যা সরাসরি যুদ্ধের চেয়ে শত্রুকে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষয় ও চাপের মুখে রাখাকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আঘাত করে কার্যত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে কঠিন শিক্ষা দিচ্ছে।
পেট্রো-ডলারের আধিপত্য ক্ষুন্ন হলে ভূ-রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যও ক্ষুন্ন হবে। আর ইরান ঠিক এই জায়গাটির গুরুত্ব ভেবেই তাদের যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছে।
মা বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেলের স্যাম্পল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসআরএস) রিপোর্টে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভারতের জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান অনুপাতের মধ্যে কর্মক্ষম গোষ্ঠীর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে বাড়ছে বয়স্কদের সংখ্যা। ০-১৪ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীদের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল ভারতীয় নারীদের মধ্যে প্রজননের হার কমেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ০-১৪ বছর বয়সীদের হার ১৯৭১ সালে মোট জনসংখ্যার ৪১.২ শতাংশ ছিল। ১৯৮১ সালে ২০ বছরের মধ্যে সেটি কমে ৩৮.১ শতাংশে দাঁড়ায়। একইভাবে ১৯৯১-২০২৩ সালের বাকি অংশ পড়ুন...












