সম্পাদকীয়
নিজেদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টিতে শত্রুদের যেন মুসলিম দেশগুলো আশকারা না দেয়; সে আহবান জানিয়েছে: পেজেশকিয়ান বর্তমান পরিস্থিতি শুধু ইরানের বিষয় নয়-এটা পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি ঈমানী পরীক্ষা। কিন্তু এই পরীক্ষায় মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব ব্যর্থ হচ্ছে।
মুসলিম বিশ্বের নীরবতা এক কলঙ্কিত আত্মসমর্পণ। সন্ত্রাসী ইসরায়েল ও বর্বর আম্রিকাকে বাদ দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক জোটের ডাক ইরানের মালয়েশিয়া, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ অন্যান্য মুসলিম দেশের উচিৎ মুসলিম সামরিক জোট গঠন করা
, ১৭ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৬ হাদী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রি:, ২৩ চৈত্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে গত পরশু টেলিফোনালাপ করেছেন।
তিনি বলেছেন, তার দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আগ্রাসনের সময় মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভক্তি এবং যুদ্ধের আগুন জ্বালাতে শত্রুদের আশকারা দেওয়া উচিত নয়।
এই টেলিফোনালাপে পেজেশকিয়ান এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ইরানের পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার উৎসের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া বলে অভিহিত করে বলেছেন, "মুসলিম দেশগুলো শত্রুদের এই বিষয়টিকে অপব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয় এবং এই অঞ্চলে যুদ্ধের আগুন জ্বালাতে দেয়া উচিত নয়।"
প্রেসিডেন্ট বলেন, আমরা এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও শান্তি তৈরি করছি এবং আমরা আশা করি যে ভ্রাতৃ ও মুসলিম দেশগুলোর সহায়তায় আমরা এই অঞ্চলটিকে শত্রুরা যে বিপর্যয় চাইছে তা থেকে বাঁচাতে সক্ষম হব।
ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনও ধরনের সামরিক হামলার তীব্র বিরোধিতা জানিয়ে দেশটির পক্ষে অবস্থান স্পষ্ট করেছে তুরস্ক।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘অবৈধভাবে’ এই যুদ্ধ শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। শুক্রবার তুর্কি সংবাদমাধ্যম এ হাবের-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই সংঘাত প্রতিরোধ করাই ছিল আঙ্কারার প্রধান অগ্রাধিকার।
ফিদান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনা করে বলেন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সন্ত্রাসী ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগে বিশ্ব ব্যর্থ হয়েছে।
গতকাল প্রকাশিত এক খবরে জানা গেছে, ইয়েমেনের ১৫টি প্রদেশে কয়েক মিলিয়ন নাগরিক ইরান, লেবানন ও ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে মিছিল করেছে।
(২)
প্রসঙ্গত ইরানে ইঙ্গ-মার্কিন আগ্রাসী শক্তির সরাসরি সামরিক হামলার ফলে যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা শুধু দুই রাষ্ট্রের দ্বন্দ্বে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি গোটা মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের ভঙ্গুর অবস্থান, কূটনৈতিক দুর্বলতা এবং নীতিহীনতার নগ্ন প্রকাশ।
যখন গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন মাসের পর মাস ধরে চলছে, যখন সিরিয়ায় নাগরিকদের জীবন ছিন্নভিন্ন হয়েছে এবং যখন আজ ইরানের বিভিন্ন শহরে বোমা পড়ে মানুষ নিহত হচ্ছে-তখন মুসলিম দেশগুলোর অধিকাংশ সরকার কেবল মৌনদর্শক কিংবা দ্বিমুখী বিবৃতির আশ্রয় নিয়েছে। এই নিষ্ক্রিয়তা শুধু দুঃখজনক নয়, এটি ঐতিহাসিকভাবে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের ব্যর্থতারই জ্বলন্ত প্রমাণ।
বর্তমান পরিস্থিতি শুধু ইসরাইল ও ইরানের বিষয় নয়-এটা পুরো মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি ঈমানী পরীক্ষা। কিন্তু এই পরীক্ষায় মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্ব ব্যর্থ হচ্ছে।
ইরান ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলেও বহু মুসলিম দেশের কাছে রাজনৈতিকভাবে একঘরে। সুন্নি-শিয়া বিভাজন, পারস্য-আরব বৈরিতা এবং ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারের কৌশল তাকে এক ঘোরতর একাকীত্বে ঠেলে দিয়েছে। কিন্তু আজ যখন ইসরাইল তার মূল ভূখ-ে আক্রমণ করছে, তখন ইরানের প্রতিরোধচেতনা একটি বৈশ্বিক প্রতীক হয়ে উঠছে-যদিও এটি দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই প্রতিক্রিয়া মুসলিম দেশগুলোর নয়, বরং ইরানের একক প্রতিক্রিয়া।
(৩)
ইরান যদি একটি পশ্চিমা মিত্র দেশ হতো, তাহলে ইসরাইলের এই হামলাকে জাতিসংঘে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে ঘোষণা করা হতো। কিন্তু বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের নীতিমালা শুধু শক্তিশালী রাষ্ট্রের সুবিধামতো প্রয়োগ হয়। এখানেই মুসলিম বিশ্বের দুর্ভাগ্য-তারা নিজেদের জনসংখ্যা, অর্থনীতি ও ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এক বড় শক্তি হওয়া সত্ত্বেও ঐক্যগত ভাবে ব্যর্থ।
(৪)
মুসলিম বিশ্বের নীরবতা এক কলঙ্কিত আত্মসমর্পণ। সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক হলো তথাকথিত ‘মুসলিম পরাশক্তি’ দেশগুলোর নীরবতা। সৌদি আরব, কাতার, ওমান কিংবা কুয়েত-তাদের এই নিস্পৃহতা কেবল রাজনৈতিক দ্বিধা নয়, এটি একটি চরম নৈতিক সংকট।
ইতিহাস সাক্ষী, যখনই মুসলিম দেশগুলো শক্তিশালী আগ্রাসীর সামনে মেরুদ- সোজা করে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে, তখনই সাম্রাজ্যবাদীরা তাদের ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিয়েছে। এই নীরবতা আসলে আগ্রাসীদের আরও উগ্র হতে উৎসাহিত করছে।
মুসলিম বিশ্বের প্রতি প্রশ্ন? আপনারা কি সত্যিই মুসলিম? নাকি শক্তিশালী রাষ্ট্রের দাসত্বই এখন আপনাদের স্বার্থপরতার প্রধান নিদর্শন?
তুরস্ক, ইরান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও কাতার-এই দেশগুলো মিলে একটি বিকল্প কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট গঠন করার বিষয়টি ভাবতে পারে।মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে যে কোনো যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।
(৫)
আজ আমরা ইরানের পাশে না দাঁড়াই, তবে কাল এই আগুনের আঁচ থেকে কোনো মুসলিম দেশই নিরাপদ থাকবে না।
সময়ের দাবি হলো সম্মিলিত ইসলামী ঐক্যের সদিচ্ছা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। মুসলিম বিশ্বকে স্মরণ রাখতে হবে-ফিলিস্তিনে জাতিগত নিধন প্রায় সম্পন্ন, এবার ইরানের পালা! অথচ পাশে নেই মুসলিম বিশ্ব!বিশ্বের অশান্তিকামী গোষ্ঠী ইরানেও কথিত পরিবর্তনের নামে ‘আরব বসন্ত’-এর সূচনা করার ষড়যন্ত্র করছে।
ইরাক সেই কবে হারিয়েছে তার সম্ভ্রান্ত জাতিসত্তার গৌরব। লিবিয়ার গাদ্দাফি সরব হয়েছিলেন আফ্রিকার দেশে দেশে পশ্চিমাদের সাম্রাজ্যবাদের নখর উপড়ে দিতে। আফ্রিকান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে অভিন্ন মুদ্রা ‘স্বর্ণ দিনার’ চালুর কথা জোরেশোরে ঘোষণা দিয়ে মাঠেও নেমেছিলেন তিনি। যার পরিণতি তাকে ভোগ করতে হয়েছে মুসলিম বিশ্বের অসহযোগিতার কারণে।
সিরিয়ার ভাগ্যেও ব্যতিক্রম হয়নি। কথিত আরব বসন্তের নামে বাশার আল আসাদের ক্ষমতাচ্যুতি নিকট অতীতের ঘটনা। বাশার আল আসাদ প্রাণে বেঁচেছেন বটে, তবে সিরিয়া আজ ক্ষুধা, দারিদ্র্য আর গৃহযুদ্ধে কবলিত এক জনপদে পরিণত হয়েছে।
এবার মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিধর ইরানকেও মুছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবুও যদি মুসলিম বিশ্বের টনক না নড়ে, তাহলে বিশ্বের মুসলমানদের করুণ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের সুদৃঢ় ঐক্য গড়ে তুলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
ইরান মুসলিম দেশগুলোকে নিয়ে একটি নিরাপত্তা ও সামরিক জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে স্পষ্টভাবে বাইরে রাখার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মালয়েশিয়া, তুরষ্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ অন্যান্য মুসলিম দেশের উচিৎ মুসলিম সামরিক জোট গঠন করা ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইসলাম বিরোধী ও বিদ্বেষী, পশ্চিমা এজেন্ট কুখ্যাত অন্তর্বর্তী সরকারের কুপথেই হাটতে চাচ্ছে। নতুন সরকারের অমুসলিম সংস্কৃতিমন্ত্রী। বিগত সময় তীব্র আন্দোলনের মুখে বন্ধ করা সংগীত শিক্ষকের পদ আবার চালু করতে চাইছে সে।
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিজাতীয় লানত ও গুঁড়োদুধের মরণছোবল : রূহানী পবিত্রতা রক্ষায় মুসলিম দেশসমূহ হতে আমদানির বিকল্প নেই
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ঈদ যাত্রায় নিহতদের নিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। এযাবত বহু তদন্ত কমিটি গঠন ও সুপারিশ করা হয়েছে।
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
আরব দেশগুলো থেকে মার্কিনীদের যুদ্ধ করতে না দেয়ার আহবান সম্পূর্ণই কুরআন শরীফ - সুন্নাহ শরীফের নির্দেশ। মুসলমানদের চির শত্রু ইহুদী-নাছারা-মুশরিক পরস্পর, পরস্পরের ঘণিষ্ঠ বন্ধু।
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ১২ই শাওওয়াল শরীফ আজ।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনা এড়ানোর সমাধান রাজধানী ঢাকাকে বিকেন্দ্রীকরণ করা
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আর্ন্তজাতিক দরপত্র আহবান নয় বরং প্রয়োজন তেল গ্যাস উত্তোলনে নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি। এক্ষেত্রে তুরস্কের বহুদেশের কাজের বহুমুখী অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে বাংলাদেশ।
৩০ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যানজট কমাতে নতুন সরকারের ঢাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত যানজট নিরসনে ও ক্ষতি কমাতে সম্পূর্ণই ব্যর্থ হবে। যানজটের কারণে বছরে প্রায় এক লাখ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে।
২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পুঁজিবাদের তথাকথিত বৈধ ক্যাসিনো ভেঙে ফেলতে হবে; প্রকৃত সমাধান ইসলামী অর্থনীতি ও খিলাফত প্রতিষ্ঠাতেই নিহিত
২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রসঙ্গ: স্বাধীনতা দিবসে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানোর রীতি। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক ও ১ মিনিট নিরবতা খ্রিষ্টান বেনিয়া অপসংস্কৃতি।
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জুলাই সনদের ৮ নং অনুচ্ছেদ LGBTQ এর পরিপূর্ণ প্রতিফলন। তারপরেও ঈমান বিক্রী করে, ইসলামের ধ্বংস ডেকে তথাকথিত ইসলামী দল কী করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে? জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বি.এন.পির নির্বাচনী ইশতেহারে এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইসলামী অনুভূতির প্রতি সহযোগী মনোভাবের চরম খেলাফ।
২৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ত্বাহিরাহ, তাইয়্যিবাহ, মাহবুবাহ, ফাক্বীহা, মাশুক্বাহ, তাওশিয়াহ, নূরে হাবীবা, লখতে জিগারে ইমামুল উমাম, উম্মু আবিহা, ক্বায়িম-মাক্বামে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












