নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি অপরিবর্তনীয় নয়, প্রয়োজনে এতে সংশোধন, সংযোজন বা বিয়োজনের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।
তিনি বলেন, চুক্তিতে এমন উপাদান রয়েছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে। দুই দেশের অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে এবং এটিকে ‘হোলসেল নেগেটিভ’ বা ‘হোলসেল পজিটিভ’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বাণিজ্য মন্ত বাকি অংশ পড়ুন...
এজন্য আমরা প্রতিদিন বলে থাকি যে, অন্তরগুলি গালিজমুক্ত করতে হবে। গালিজমূক্ত হবে কিভাবে? একজন কামিল শায়েখ উনার কাছে বাইয়াত গ্রহণ করতে হবে, সবক নিতে হবে, যিকির-ফিকির করতে হবে। ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ অর্জন করতে হবে। ফয়েজ-তাওয়াজ্জুটা কি? একটা নূর, আলো। যখন রাত্র অন্ধকার হয়ে যায় তখন দেখার জন্য বাতি জ্বালাতে হয়। দিনের বেলা বাতি জ্বালানো প্রয়োজন হয় না, কারণ সূর্য্য থাকে, অনেক আলো। একটা মানুষের অন্তরে গালিজ, অন্ধকার। এটাতে আলো জ্বালাতে হবে, আলো না জ্বালালে বুঝবে কি করে। যিকির-আযকার করার সাথে সাথে কোন কামিল শায়েখ উনার ছো বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসন, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) বিচারক জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হবে।
চার প্রার্থী হলেন- বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনে সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনে সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনে মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনে মেজর জেনারেল (অব.) শরীফ উদ্দিন।
এর আগে গত রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না সরকার। এই অবস্থান স্পষ্ট করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, ভারতকে এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই। তবে পারস্পরিক আস্থা ও স্বার্থ নিশ্চিত করেই এগোবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক।
এককভাবে কোনো দেশের প্রতি বিএনপি সরকারের নির্ভরতা বা দুর্বলতা নেই দাবি করে শামা ওবায়েদ জানান, সংসদে আলোচনা ছাড়া বিদেশিদের সাথে চুক্তি হবে না। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো বড় চ্যালেঞ্জ মনে করেন তিনি।
যদিও নয়া সরকারের পররাষ্ট্রমন বাকি অংশ পড়ুন...
এই তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, এমনকি পররাষ্ট্রনীতির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আয়োজন করা হয়েছে।
শিল্প, কৃষি, জ্বালানি থেকে শুরু করে দেশের সব খাতকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্বার্থের অধীন করে ফেলা হয়েছে;
বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক প্রকল্পে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের হাত-পা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
ফলে এককথায় এটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনকারী একটি চুক্তি।
চুক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত মাতা। আর যেটা বলা হয়-
أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ أَقْدَامِ الْأُمَّهَاتِ
(একাধিক পবিত্র হাদীছ শরীফ) নিশ্চয়ই সন্তানের জান্নাত মায়ের ক্বদমের নিচে। এখন উনাদের নূরুদ দারাজাত মুবারক, উনাদের ক্বদম মুবারকের নিচে সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামসহ সমস্ত সৃষ্টির সকলেরই জান্নাত। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে উনাদের ফযীলত, বুযূর্গী, সম্মান কতটুকু এটা ফিকির করতে হবে। ফিকির না করলে এটা বুঝা সম্ভব নয়। উনাদের খুছূছিয়াত, ফযীলত, বৈশিষ্ট্য বাকি অংশ পড়ুন...
১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সমন্বয়কদের গড়ে তোলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল।
গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া এই দল ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’ ও রাজনীতিতে ‘নয়া বন্দোবস্তের’ প্রতিশ্রুতি নিয়ে মাঠে নেমেছিল। এক বছরের মধ্যেই জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে সংসদে ছয়টি আসন নিশ্চিত করেছে তারা। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছেন দলটির নেতারা।
তবুও বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এনসিপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অভ্যন্তরীণ বিভক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
শিল্প, কৃষি, জ্বালানি থেকে শুরু করে দেশের সব খাতকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক স্বার্থের অধীন করে ফেলা হয়েছে;
বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক প্রকল্পে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের হাত-পা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
ফলে এককথায় এটি জাতীয় স্বার্থবিরোধী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনকারী একটি চুক্তি।
চুক্তিটি কার্যকর হওয়ার আগে আসন্ন সংসদ অধিবেশনের মাধ্যমে এর পুরোই সংশোধন করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সম্পাদিত ‘বাণিজ্য চুক্তি’ প বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, পর্দা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা ফরয করেছেন। যেমন, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার “পবিত্র সূরা নিসা শরীফ, পবিত্র সূ বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’, দর্শনে নীতিমালাটি খুব শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।
নি¤œ-মধ্যম ও উচ্চ আয়ের মধ্যে ছয় শ্রেণির মানুষকে সুবিধার বাইরে রেখে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড নীতিমালা’ চূড়ান্ত করেছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, যারা এ কার্ড পাবেন না তারা হলেন, পরিবারের কেউ সরকারের পেনশনভোগী থাকলে; বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী বা গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদের মালিক; পরিবারের কোনও সদস্য সরকারি চাকরিজীবী থাকল বাকি অংশ পড়ুন...
(পর্ব-২)
দেহে ক্ষতিকারক চর্বি হ্রাস ও উপকারী চর্বি সংশ্লেষ বৃদ্ধিঃ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, রমাদ্বান শরীফ মাসে আমাদের রক্তের ক্ষতিকারক চর্বির উপাদান যথাঃ লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (খউখ) এবং ভেরি লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের পরিমান হ্রাস পায়। অন্যদিকে আমাদের শরীরের সুরক্ষায় কাজ করে এমন চর্বির উপাদান যথাঃ হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (ঐউখ) এর পরিমাণ বেড়ে যায়। উপরন্তু রোযা থাকার ফলে দেহের নানাবিধ রোগের কারণ ট্রাইগ্লিসারাইড, প্রদাহ ও জারণ প্রক্রিয়ার হরমোনগুলোও কমে; যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী।
রক্তের বিভিন্ন কণিকা ও উপাদানে বাকি অংশ পড়ুন...












