SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%উহুদ%' OR titleBn LIKE '%উহুদ%' OR descriptionEn LIKE '%উহুদ%' OR descriptionBn LIKE '%উহুদ%' OR slug LIKE '%উহুদ%' OR metaTag LIKE '%উহুদ%' OR metaDescription LIKE '%উহুদ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ খরচ করার প্রত্যাশা:
قَالَ حَضْرَتْ اَلْحَسَنُ الْبَصْرِىُّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَدِدْتُّ لَوْ كَانَ لِـىْ مِثْلُ جَبَلِ اُحُدٍ ذَهَبًا لَاَنْفَقْتُهٗ عَلٰى قِرَاءَةِ مَوْلِدِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “বিশিষ্ট তাবিয়ী, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত হযরত ইমাম হাসান বছরী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ২১ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ১১০ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন, আমার একান্ত ইচ্ছা হয় যে, আমার যদি উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ থাকতো, তাহলে অবশ্যই আমি তা মাওলিদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ বাকি অংশ পড়ুন...
বর্ণনাকারী বলেন, আমরা হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কাছাকাছি গিয়ে সামান্য কিছু দূরে দাঁড়ালাম এবং উনাকে সালাম দিলাম। তিনি আমাদের সালামের জবাব দিলেন। হযরত জা’ফর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তখন এমনভাবে পাগড়ি-রুমাল পরিহিত অবস্থায় ছিলেন যে, হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার দু’ চোখ এবং দু’ পা ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় হযরত উবাইদুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হে হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু! আপনি কি আমাকে চিনেছেন?
বর্ণনা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
‘খ্রিস্টানরা যখন হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম উনার বিলাদত শরীফ পালন করে, তখন আমরা কেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ মুবারক উপলক্ষ্যে খুশি প্রকাশ করবো না? এই ভাবনা থেকেই নাকি বাদশাহ হযরত মালিক মুজাফফর ইবনে যাইনুদ্দীন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ অর্থাৎ ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের সূচনা করেন।’ নাঊযুবিল্লাহ!
জাওয়াব: (১ম অংশ)
বাতিল ফিরকা ও বাতিল আকীদার লোকদের উক্ত বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ভুল, মনগড়া, ধা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ওয়াহশী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, আমি পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থানরত ছিলাম, কিন্তু যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় করলেন, তখন আমি চুপিচুপি তায়েফ চলে গেলাম এবং সেখানেই অবস্থান করতে লাগলাম। যখন তায়েফের প্রতিনিধিদল সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট গেলেন, তখন আমি হতবুদ্ধি ও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লাম। একবার ভাবলাম সিরিয়া, ইয়ামান কিংবা অন্য কোন দেশে চলে যাবো। মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত উহুদের জিহাদে অংশগ্রহণ:
উহুদের জিহাদে হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অবস্থানস্থল মুবারক পাহারার দায়িত্ব পালন করেন। উহুদের যুদ্ধে মুসলমানদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে ১৫ জন ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পাশেই অবস্থান করেছিলেন, উনাদের মধ্যে হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন। এই উহুদের জিহাদে উনার ভাই হযরত আমর ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমাইয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন-
قَالَ فَجَلَسْنَا إلَيْهِ فَقُلْنَا لَهُ جِئْنَاك لِتُحَدّثَنَا عَنْ قَتْلِك حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ كَيْفَ قَتَلْته؟ فَقَالَ أَمَا إنّي سَأُحَدّثُكُمَا كَمَا حَدّثْت رَسُولَ اللّهِ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ حِينَ سَأَلَنِي عَنْ ذَلِكَ كُنْت غُلَامًا لِجُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ وَكَانَ عَمّهُ طُعَيْمَة بْنُ عَدِيّ قَدْ أُصِيبَ يَوْمَ بَدْرٍ فَلَمّا سَارَتْ قُرَيْشٌ إلَى أُحُدٍ، قَالَ لِي جُبَيْرٌ إنْ قَتَلْت حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ عَمّ حَضْرَتْ مُحَمّدٍ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ بِعَمّي فَأَنْتَ عَتِيقٌ. قَالَ فَخَرَجْت مَعَ النّاسِ وَكُنْت رَجُلًا حَبَشِيّا أَقْذِفُ بِالْحَرْبَةِ قَذْفَ الْحَبَشَةِ، قَلّمَا أ বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন-
فَاِنْ اٰمَنُوا بِـمِثْلِ مَا اٰمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا.
অর্থাৎ আপনারা অর্থাৎ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান মুবারক এনেছেন তদ্রƒপ যদি তারা (অন্য লোকেরা) ঈমান মুবারক গ্রহণ করে তাহলে তারা হিদায়েত মুবারক লাভ করতে পারবে। (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ : আয়াত শরীফ ১৩৭)
এ লিখনীতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বেমেছাল বাকি অংশ পড়ুন...
বনু কুরায়জাকে শাস্তিদানের ব্যাপারে রায় দানকারী ছাহাবী হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক:
হযরত সা‘দ ইবনে মুয়াজ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার একজন অন্যতম ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন। যিনি সম্মানিত বদর, উহুদ ও খন্দকের জিহাদে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সম্মানিত হিজরতের পূর্বে মদীনা শরীফে তিনি নিজ গোত্র আওসের আমীর ছিলেন। পবিত্র মদীনাবাসীদেরকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম শিক্ষা দেয়ার জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
شَرِيقُ بْنُ الْأَخْنَسِ بْنِ شَرِيقٍ. وَكَانَتْ خَتّانَةً بِمَكّةَ فَلَمّا الْتَقَيَا ضَرَبَهُ حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ فَقَتَلَهُ. قَالَ حَضْرَتْ وَحْشِيّ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ، غُلَامُ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ: وَاَللّهِ إنّي لَأَنْظُرُ إلَى حَضْرَتْ حَمْزَةَ عَلَيْهِ السَّلَامِ يَهُدّ النّاسَ بِسَيْفِهِ مَا يَلِيقُ بِهِ شَيْئًا، مِثْلَ الْجَمَلِ الْأَوْرَقِ إذْ تَقَدّمَنِي إلَيْهِ سِبَاعُ بْنُ عَبْدِ الْعُزّى، فَقَالَ لَهُ حَضْرَتْ حَمْزَةُ عَلَيْهِ السَّلَامِ هَلُمّ إلَيّ يَا ابْنَ مُقَطّعَةِ الْبُظُورِ فَضَرَبَهُ ضَرْبَةً فَكَأَنّ مَا أَخْطَأَ رَأْسَهُ وَهَزَزْت حَرْبَتِي حَتّى إذَا رَضِيت مِنْهَا دَفَعْتهَا عَلَيْهِ فَوَقَعَتْ فِي ثُنّتِهِ حَتّى خَ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নাম মুবারক: হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি।
পিতার নাম: ‘আমির বিন জায্।
ইয়ামান দেশের মুরাদ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত আল-ক্বারান উপগোত্রে উনার বিলাদত শরীফ। সে জন্যই উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়ে থাকে। (তাবাকাত)
কেউ কেউ মনে করে থাকেন, তিনি ক্বারান নামক স্থানের লোক বিধায় উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়, তা ঠিক নয়। গোত্রের নাম অনুসারেই উনাকে আল-ক্বারানী বলা হয়ে থাকে, যা উনার নসবনামা থেকে স্পষ্ট।
প্রাথমিক জীবন:
উনার প্রাথমিক জীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দা বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য যে, ইলমে তাছাওউফ বা তরীক্বতের সব কিতাবেই তিন প্রকার সম্মানিত নিসবত মুবারক হাছিলের কথা বলা হয়। (এক) ফানা ফিশ শায়েখ, (দুই) ফানা ফির রসূল, (তিন) ফানা ফিল্লাহ।
কাজেই, সালিক বা মুরীদের জন্য ফরজ হচ্ছে, সম্মানিত শায়েখ উনার প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ এবং সর্বোত্তম হুসনে যন মুবারক পোষণ করা অর্থাৎ নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরেই সম্মানিত শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনাকে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করা। তবেই তার পক্ষে অতি সহজে সম্মানিত নি‘য়ামত মুবারক হাছিল করে মঞ্জিলে মাক্বছূদে পৌঁছা বাকি অংশ পড়ুন...












