পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالى عَنْهُ مُرْسَلًا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم تَرَكْتُ فِيْكُمْ أَمْرَيْنِ لَنْ تَضِلُّوْا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا كِتَابَ اللهِ وَسُنَّةَ رَسُوْلِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ:- হযরত ইমাম মালেক বিন আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি মুরসাল সূত্রে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, ‘আমি তোমাদের মাঝে দু’টি জিনিস রেখে গেলাম। তোমরা কখনোই পথভ্রষ্ট হবে না, যতদিন তোমরা সে দু’ট বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ উনার কাফির সমাজ যখন অহংকার ও অবিশ্বাসে অন্ধ হয়ে সত্যকে অস্বীকার করছিলো, তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রকাশ করেছিলেন এমন এক পবিত্র ই’জায শরীফ, যা আকাশ ও পৃথিবীকে একসাথে সাক্ষী বানিয়ে দেয়। সে পবিত্র ই’জায শরীফই আজ আমরা বর্ণনা করছি।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। পবিত্র মক্কা শরীফ উনার আকাশ যখন গভীর রাতে জ্যোৎস্নায় ছেয়ে গিয়েছিলো। পূর্ণ চাঁদ তার সমস্ত সৌন্দর্য আর দীপ্তি নিয়ে আকাশম-লে বিরাজ করছিলো। ঠিক সেই সময় কুফর ও অহংকারে অন্ধ মুশরিকদের একটি বিরাট দল পরস্পর একস্থানে এক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মিসরের সাথে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার রাফাহ সীমান্ত আংশিকভাবে পুনরায় চালু হওয়ার পর আরো ২৫ জন ফিলিস্তিনি গাজায় ফিরেছেন। দীর্ঘ ও কষ্টকর যাত্রা শেষে বৃহস্পতিবার ভোরে তারা গাজা ভূখ-ে প্রবেশ করেন। এ সময় বিদেশে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন রোগীদেরও সীমান্তে নেয়া হচ্ছে। তবে তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ চলাকালেও গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় সময় ভোর ৩টায় তৃতীয় দফায় প্রত্যাবর্তনকারী এই ২৫ জন ফিলিস্তিনি গাজায় প্রবেশ করেন। মিসরের এল আরিশ শহর থেকে যাত্রা শুরু করার ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় পর তাদের বাসে করে দক্ষিণ গাজার খ বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৪)
হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
وَاحْتَجَّ حَضْرَتْ اِبْرَاهِيْمُ بْنُ حُسَيْنِ بْنِ خَالِدِ ۣ الْفَقِيْهُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فِىْ مِثْلِ هٰذَا بِقَتْلِ حَضْرَتْ خَالِدِ بْنِ الْوَلِيْدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ مَالِكَ بْنَ نُوَيْرَةَ بِقَوْلِهٖ عَنِ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَاحِبُكُمْ
অর্থ: “বিশিষ্ট ফক্বীহ হযরত আবূ ইসহাক্ব ইবরাহীম বিন হুসাইন বিন খালিদ কুরতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ২৪৯ হিজরী শরীফ) তিনি (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানিকারীদের একমাত্র বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত শা’বান শরীফ মাস উনার ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত উনার রাত। সম্মানিত শবে বরাত উনার ফযীলত সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّا أَنْزَلْنَاهُ فِىْ لَيْلَةٍ مُبَارَكَةٍ اِنَّا كُنَّا مُنْذِرِيْنَ (٣) فِيْهَا يُفْرَقُ كُلُّ اَمْرٍ حَكِيْمٍ (٤) اَمْرًا مِنْ عِنْدِنَا اِنَّا كُنَّا مُرْسِلِيْنَ (٥)
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (পবিত্র শবে বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই সতর্ককারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ হতে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। নিশ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ‘পবিত্র সূরা দুখান শরীফ’ উনার বরাত দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, “লাইলাতুম মুবারকাহ উনার মধ্যে সকল প্রজ্ঞাময় বিষয়সমূহ ফায়ছালা করা হয়।” আখিরী র বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদ সিতারা!
শাহ মুজিরা!
আরাবী সাহারা!
সেরা সেরা বুশরা!
মদীনাওয়ালী জান্নাতি লালি
নাযিল করেন নাজাতি ডালি
ছল্লু আলা ছল্লু আলা
ছল্লু আলা মাওলা
গোলামকে বানান শক্তিশালী
রাখেন না কারও হাত খালি
ছানী কুবরা
প্রাণের পেয়ারা
সাজান শাহী হুজরা
সেরা সেরা বুশরা
নূরানী আক্বা নও মালিকা
কদমে ফিদা সব সালিকা
ছল্লু আলা ছল্লু আলা
ছল্লু আলা মাওলা
দিদারে আসে নূর জীবিকা
দিলে মিলে যায় ধামাকা
খুশির ধারা
খুশির নারা
খুশি সীমা ছাড়া
সেরা সেরা বুশরা
তাশরীফে জাহান হয় ভাগ্যবান
বুলন্দ স্বরে আহলান সাহলান
দিল খুলে স্বাগতম আম্মাজান
হামেশা আনন্দে আশ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত মুবারক করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা বাকি অংশ পড়ুন...
মাওলা মহাধন, খুবই আপনজন
মাওলা মহাধন, আমার আপনজন
শাহেনশাহ শাহজাদা আমার আপনজন।
শুনো শুনো শুনো সকল জনগণ
শাহেনশাহ শাহজাদা আমার আপনজন।
বেদনায় জর্জরিত হৃদয় ও মন
নিমিষেই শান্তি আনে শাহী স্মরণ।
বিপদ যখন এসে গড়ে আবাসন
ভরসার হাতছানি দেন তিনি তখন।
আঁধারের ঘন ঘটা হলে প্রবণ
মহামহিম আমায় দেন নূরী কিরণ।
দুনিয়ার খায়েশাতে হলে পতন
ফায়িজে মুশকিল আসান দেন সারাক্ষণ।
সহসা ভেঙে পরা ঠুনকো জীবন
মুবারক ইশারায় করেন নবায়ন।
বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ইলম অর্জন করা ফরয। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক আমাদের ইলম বৃদ্ধি করে দিন।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...












