কাফির শিবিরের প্রধান কুখ্যাত যোদ্ধা আমর ইবনে আবদে উদকে জাহান্নামে প্রেরণ:
৬ষ্ঠ হিজরীতে সংঘটিত ঐতিহাসিক খন্দকের জিহাদে বিজয়ী হয়েছিলেন মুসলমানরা। এ জিহাদের প্রধান বীর ছিলেন আমিরুল মু’মিনীন, মুরতাদ্বা, হায়দার, বাবুল ইলম, আসাদুল্লাহিল গালিব, হযরত ইমামুল আউওয়াল, কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি। আমিরুল মু’মিনীন, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপহার দেয়া অমর তরবারি জুলফিকারের অব্যর্থ আঘ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের আরকান সম্পর্কিত মাসয়ালা :
১) তাকবীরে তাহরীমা: ‘আল্লাহু আকবার’ এই কালাম দ্বারা নামায আরম্ভ করা হয়, এই প্রথম কালামই তাকবীরে তাহরীমা। এ তাকবীর বলার সাথে সাথে নামাযীর জন্য যাবতীয় পার্থিব কাজ যথা-পানাহার, কথা বলা ইত্যাদি হারাম হয়ে যায়। সেজন্যই উক্ত তাকবীরকে ‘তাকবীরে তাহরীমা’ বলা হয়।
যদি কেউ ‘আল্লাহু’ শব্দের-আ-অক্ষরটিকে টেনে উচ্চারণ করে তাকবীরে তাহরীমা বেঁধে নামায আরম্ভ করে, তার নামায শুদ্ধ হবে না। ইমামের তাকবীরে তাহরীমার পরপরই মুক্তাদীর তাকবীরে তাহরীমা বলতে হবে। ইমামের পূর্বে মুক্তাদী তাকবীর বললে, মুক্তাদীর নাম বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ تعالى عَنْهُ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ أَحَقُّ بِحُسْنِ صَحَابَتِي قَالَ رَسُول اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ ثُمَّ أَبُوكَ. وَفِى رِوَايَةٍ اُخْرٰى أُمَّكَ ثُمَّ أُمَّكَ ثُمَّ أُمَّكَ ثُمَّ أَبَاكَ ثُمَّ أَدْنَاكَ أَدْنَاكَ.
হযরত আবূ হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একজন ছাহাবী আসলেন। এসে বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি প্রশ্নের জাওয়াব দিয়েছেন সেগুলো হলো-
সম্মান কাকে বলে?
জবাব মুবারক: বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠাকরণের সময় ন্যায়ের পক্ষে ইস্তিকামত থাকা।
কুতুবুল আলম, আমীরুশ শরীয়ত, মাহতাবে তরীকত, মাহিউল বিদয়াহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদুয যামান, হুজ্জাতুল ইসলাম, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, তাজুল মুফাসসিরীন, সুলতানুল আরিফীন,
হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (২য় পর্ব)
তা’ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক উনার প্রতিটি মুহূর্তেই রয়েছে হিকমত, শিক্ষা ও উম্মতের জন্য সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা। কখনো জীব জন্তু, কখনো জড় বস্তু উনার পবিত্র সান্নিধ্যে এসে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মেতে ওঠে যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মর্যাদা ও মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত বিশেষ সম্মানের স্বাক্ষ্য বহন করে। একই সঙ্গে এসব পবিত্র ই’জায শরীফ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র পূর্ব তিমুর।
পূর্ব তিমুরে ইসলামের আগমন হয়েছিল আরব বণিকদের মাধ্যমে। খ্রিস্টীয় ১৩ থেকে ১৫ শতকে মুসলিম আরব ব্যবসায়ীরা ভারত সাগর পাড়ি দিয়ে জাভা হয়ে এই অঞ্চলে আগমন করেছিলেন।
ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সুফি আলেম ও প্রতিবেশী মুসলমানরাও এখানে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন।
পূর্ব তিমুর ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী খ্রিস্টশক্তির ষড়যন্ত্র ও মুনাফিকির নিকটতম উদাহরণ। মিশনারীরা সেখানের স্থানীয় মুসলমান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষকে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত করে এবং পরবর্তীতে পশ্চিমা বাকি অংশ পড়ুন...
শামিয়ানা বানিয়ে সাজিলো
দরবারে মুরশিদ
শাহ নাওয়াসীদ্বয় আজ এসেছেন
আজ আমাদের ঈদ
জড়োয়া নূরে বিশ্ব জুড়ে বইছে ইতমিনান
বাদশাহী নীড়ে একাধারে এলো খুশিরবান
নতুন ভোরে সবে ধরে নও কাছীদার লেহান
আনন্দে দিওয়ানা আশিকের আঁখিতে ইসমিদ
শাহ নাওয়াসীদ্বয় আজ এসেছেন আজ আমাদের ঈদ
সুলতানি সাজে জাহান মাঝে জান্নাতি উৎসব
সাইয়্যিদি নাজে হৃদয় ভাজে ইশকের অনুভব
মুসলিম সমাজে শাহী তেজে সকলে সরব
তাকবীরে মুখর হলো আবার সুন্নতি মাসজিদ
শাহ নাওয়াসীদ্বয় আজ এসেছেন আজ আমাদের ঈদ
মাদানী পাড়ায় নিশান উড়ায় আমিল আঞ্জুমান
রসূলী ধারায় এলেন ধরায় এক জোড়া মেহমান
চন্দ বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْعَاقِلُ تَكْفِيهِ الْإِشَارَةُ
জ্ঞানী লোকের জন্য ইশারাই যথেষ্ট। যারা ভাত পাক করে তারাতো সব ভাতগুলো একবারে হাতায় না। একটা দু’টা ভাত টিপ দেয়, টিপলে বুঝা যায়। তাহলে এ পবিত্র আয়াত শরীফই যথেষ্ট। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব, নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি মু’মিনদের জান থেকে প্রিয়।
وَهُوَ أَبٌ لَّهُمْ
সমস্ত সৃষ্টির মহাসম্মানিত পিতা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তিনি পিতা আর উনারা বান্দি বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَوَصَّيْنَا الْإِنسَانَ بِوَالِدَيْهِ حَمَلَتْهُ أُمُّهٗ وَهْنًا عَلٰى وَهْنٍ وَفِصَالُهٗ فِيْ عَامَيْنِ أَنِ اشْكُرْ لِيْ وَلِوَالِدَيْكَ إِلَيَّ الْمَصِيْرُ
অর্থ: আমি মানুষকে তার পিতা-মাতা সম্পর্কে নসীহত মুবারক করছি। তাকে তার মাতা অত্যধিক কষ্ট করে বহন করেছেন এবং দু’বছর দুধ পান করিয়েছেন। আমার এবং তোমার পিতা-মাতা উনাদের শুকরিয়া আদায় করো। আমার নিকট তোমাদের প্রত্যাবর্তন স্থল। (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা লুকমান শরীফ, সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৪)
বর্ণিত আয়াত শরীফে সন্তানের সাথে মাতার দু’দিক থেকে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মাতা বাকি অংশ পড়ুন...
اَلْمُقَدِّمَةُ (আল মুক্বদ্দিমাহ্)
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১০ই শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুল আহাদ শরীফ (রোববার রাতে) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “গত ইয়াওমুল জুমু‘আহ্ শরীফ। জুম বাকি অংশ পড়ুন...












