SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ইত্তিবা%' OR titleBn LIKE '%ইত্তিবা%' OR descriptionEn LIKE '%ইত্তিবা%' OR descriptionBn LIKE '%ইত্তিবা%' OR slug LIKE '%ইত্তিবা%' OR metaTag LIKE '%ইত্তিবা%' OR metaDescription LIKE '%ইত্তিবা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মুসলমান এবং আহলে কিতাব দাবিদারদের মধ্যে তথা ইহুদী, খ্রিস্টানদের মধ্যে পার্থক্যের মূল বিষয়টি কি? বলাবাহুল্য, প্রধান ফারাককারী বিষয়টি হলো- তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাঠবাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মুসলমান এবং আহলে কিতাব দাবিদারদের মধ্যে তথা ইহুদী, খ্রিস্টানদের মধ্যে পার্থক্যের মূল বিষয়টি কি? বলাবাহুল্য, প্রধান ফারাককারী বিষয়টি হলো- তারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাঠবাকি অংশ পড়ুন...
(৪৩৬)
فقال بعضهم: "الصديقون" تُبَّاع الانبياء عليهم السلام الذين صدّقوهم واتبعوا منهاجهم بعدهم حتى لحقوا بهم.
"والشهداء" وهم جمع"شهيد" وهو المقتول في سبيل الله سمي بذلك لقيامه بشهادة الحق في جَنب الله حتى قتل.
"والصالحين" وهم جمع"صالح" وهو كل من صلحت سريرته وعلانيته.
অর্থ: কতক মুফাসসিরীনে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেন, ছদিকুন হলেন, হযরত আম্বিয়ায়ে কিরাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের এমন ইত্তিবাকারী যাঁরা উনাদের উপর পবিত্র ঈমান এনেছেন এবং উনাদের প্রদর্শিত সম্মানিত শরীয়ত উনার অনুসরণ-অনুকরণ করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত উনাদের সাথে পরপারে মিলিত হয়েছেন।
‘শুহাদা’ শব্দ মুবারক ‘শহীদ’ শব্দের বহুবচন। শুহাদা হচ্ছেন উনঠবাকি অংশ পড়ুন...
একটি হলো- জাহেরী সুন্নাহ লিবাস মুবারক; অন্যটি হলো- অন্তরের তাক্বওয়া হাছিলের লিবাস মুবারক (২)
উল্লেখিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ থেকেও প্রমাণিত খোদা ভীতি অর্জনের মাধ্যমে যে মর্যাদা অর্জন করে ঐ মর্যাদা অনুসারে তাকে একটি গোপনীয় চাদর পরিধান করিয়ে দেয়া হয়। আর সম্মানিত তাক্বওয়া উনার ঐ চাদর মুবারককেই লিবাসুত তাক্বওয়া বা খোদা ভীতির পোশাক বলা হয়েছে। যা তাক্বওয়া অর্জনের স্তর অনুযায়ী, তাক্বওয়া অর্জনকারীকে পরিধান করিয়ে দেয়া হয়। এটাই হলো সর্বোত্তম পোশাক। কেননা, বাহ্যিক পোশাক পরিধান করলেই অন্তরের তাক্বওয়া হাছিল হয়ে যায় না। যà বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক হচ্ছে, তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রেই মহান আল্লাহ পাক এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সকল আদেশ-নিষেধ মুবারক পরিপূর্ণ ভাবে মেনে চলবেন, মনগড়া আমল করবেন না। বরং মহাসম্মানিত সুন্নাহ শরীফ উনার অনুসরণ করবেন। এটাই প্রকৃত মুসলমানের পরিচয়।
একজন মুসলমানের মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত, এক কথায় ক্বিয়ামত পর্যন্ত যত সমস্যাই উদ্ভব হোক না কেন, সকল বিষয়েরই ফায়সালা বা সমাধান সম্মানিত সুন্নাহ শরীফ উনার মধ্যে র বাকি অংশ পড়ুন...
৭) শুরুতে খানা খাওয়ার দু‘আ মুবারক ভুলে গেলে-
(স্মরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে) যেন বলে-
بِسْمِ اللّٰهِ اَوَّلهٗ وَاٰخِرهٗ.
অর্থ: “খাবারের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক এবং শেষেও মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নাম মুবারক স্বরণ করে শুরু করছি।”
৮) তিন আঙুলে খাওয়া: সম্ভব হলে তিন আঙুল দিয়ে খাবার খাওয়া। প্রয়োজনে অতিরিক্ত আঙ্গুল ব্যবহার করা যেতে পারে।
৯) পেট পুরে আহার না করা: পেট পূর্ণ করে না খেয়ে পেটের এক-তৃতীয়াংশ খাবার, এক-তৃতীয়াংশ পানি এবং এক-তৃতীয়াংশ খালি রাখা খাছ সুন্নত মুবারক।
১০) খাবারের দোষত্রুটি বর্ণনা না করা: কোনো খাবারের দোষতà§ বাকি অংশ পড়ুন...
কেউ যদি সত্যি নেয়ামত, রহমত-বরকত ও সফলতা লাভ করতে চায়; তাহলে তাকে অবশ্যই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সর্বক্ষেত্রে অনুসরণ করতে হবে। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُوْلَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيْمًا.
অর্থ : যে বা যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে সম্মানিত ইত্তিবা মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক করবেন, উনারা অবঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ اِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِيْ يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ ۗ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ ﴿٣١﴾ قُلْ أَطِيْعُوا اللهَ وَالرَّسُوْلَ ۖ فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّ اللهَ لَا يُحِبُّ الْكَافِرِيْنَ﴿٣٢﴾
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাাহ পাক উনাকে মুহব্বত করে থাক উনার মুহব্বত মুবারক হাছিল করতে চাও, তাহলে তোমরা আমাকে অনুসরণ কর অর্থাৎ মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
৬) মহাসম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করা যায়।
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা মুবারক করলে, মহাসম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করা যায়। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَطِيْعُوا اللَّهَ وَالرَّسُوْلَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُوْنَ
অর্থ : তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সম্মানিত ইত্তিবা মুবারক, অনুসরণ-অনুকরণ মুবারক কর; তাহলে তোমরা অবশ্যই সম্মানিত রহমত মুবারক লাভ করবে। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইর বাকি অংশ পড়ুন...












