“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
বাংলাদেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসের রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক প্রকল্প এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ”
পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রই নামেমাত্র স্বাধীন বা ওহফবঢ়বহফবহঃ বা ঋৎবব হলেও আসলে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের অধীনে ইহুদীদের দ্বারা পরোক্ষভাবে শাসিত অর্থাৎ অদৃশ্যভাবে নিজেদের অজান্তেই পরাধীন। আধুনিক রাষ্ট্রের অবকাঠামো এবং রাষ্ট্রযন্ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর কিছু হুকুম-আহকাম বলেছেন এবং উনাদের বৈশিষ্ট্য মুবারক কিছু বর্ণনা করেছেন।
إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهٖ مَرَضٌ وَّقُلْنَ قَوْلاً مَّعْرُوفًا
উনাদের কিছু খুছূছিয়াত মুবারক বলতেছেন যে, আপনারাতো সৃষ্টির কারো মতো নন, আপনারা ব্যতিক্রম। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি একক, উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একক, আপনারাও একক। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهٖ مَرَضٌ وَّقُلْنَ قَوْلاً বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৫৪)
قوله تعالى: {يُؤْتِي الْحِكْمَةَ مَنْ يَشَاءُ} قال السدي: هي النبوة، وقال ابن عباس رضي الله عنهما وقتادة: علم القرآن ناسخه ومنسوخه ومحكمه ومتشابهه ومقدمه ومؤخره وحلاله وحرامه وأمثاله، وقال الضحاك: القرآن والفهم فيه، وقال: في القرآن مائة وتسع آيات ناسخة ومنسوخة وألف آية حلال وحرام، وقال مجاهد: هي القرآن والعلم والفقه، وروى ابن أبي نجيح عنه: الإصابة في القول والفعل، وقال إبراهيم النخعي: معرفة معاني الأشياء وفهمها.{وَمَنْ يُؤْتَ الْحِكْمَةَ} قال: الورع في دين الله {فَقَدْ أُوتِيَ خَيْرًا كَثِيرًا وَمَا يَذَّكَّرُ} يتعظ {إِلا أُولُو الألْبَابِ} ذو العقول.
অর্থ: মহান আল্লাহ তায়ালা উনার কালাম: (মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি যাঁকে ইচ্ছা হিকমত বা বিশেষ জ্ঞান দান করেন।) হযরত সুদ্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ব বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসসমূহকে স্বরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে। (পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ قَالَ لِىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أُرِيتُكِ فِي المَنَامِ ثَلٰثَ لَيَالٍ يَجِيءُ بِكِ الْمَلَكُ فِي سَرَقَةٍ مِّنْ حَرِيْرٍ فَقَالَ لِي: هٰذِهِ امْرَأَتُكَ، فَكَشَفْتُ عَنْ وَجْهِكِ الثَّوْبَ فَإِذَا أَنْتِ هِيَ، فَقُلْتُ: إِنْ يَكُ هٰذَا مِنْ عِنْدِ اللهِ يُمْضِهِ
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে ইরশাদ মুবারক করলেন, আপনাকে তিন রাত্রি বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “জলীলুল্ ক্বদর রসূল হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনাকে কিয়ামতের ময়দানে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করা হবে, আপনি কি আপনার দায়িত্ব যথাযথ পৌঁছিয়েছেন? তিনি উত্তরে বলবেন, আয় আমার রব তায়ালা! হ্যাঁ আমি পৌঁছিয়েছি। অতঃপর উনার উম্মতগণকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, তিনি কি তোমাদের কাছে দাওয়াত পৌঁছিয়েছেন? তখন তারা বলবে আমাদের কাছ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী ছেলে ও মেয়েকে বিয়ে করার ও বিয়ে দেয়ার জন্য কোনো বয়স নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়নি। অর্থাৎ ৫, ১০, ১৫ ইত বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর কখন দিবেন :
পবিত্র রমাদ্বান মাস শেষে সম্মানিত শাওওয়াল মাসের চাঁদ উদয়ের পর থেকে ঈদের মাঠে গমনের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে ছদাক্বাতুল ফিতর আদায় করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ فَرَضَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَكٰوةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصَّائِمِ مِنَ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِينِ مَنْ اَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلٰوةِ فَهِىَ زَكٰوةٌ مَقْبُولَةٌ وَمَنْ اَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلٰوةِ فَهِىَ صَدَقَةٌ مِنَ الصَّدَقَاتِ.
অর্থ : হযরত ইবনে ‘আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, পাঁচটি মহিমান্বিত রাত্রিতে বিশেষভাবে দু‘আ কবুল হয়ে থাকে। তারমধ্যে একটি রাত্রি হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার রাত্রি।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّ الدُّعَاءَ يُسْتَجَابُ فِىْ خَمْسِ لَيَالٍ اَوَّلُ لَيْلَةٍ مِّنْ رَجَبَ وَلَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ وَلَيْلَةُ الْقَدْرِ الْمُبَارَكَةِ وَلَيْلَتَا الْعِيْدَيْنِ.
অর্থ : “নিশ্চয়ই দোয়া পাঁচ রাত্রিতে নিশ্চিতভাবে কবুল হয়। পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার পহেলা রাত্রি, পবিত্র শা‘বান শরীফ মাস উনার মধ্য রাত্রি ( পবিত্র ১৪ই শা’বান শরীফ দিবাগত রাত্রি), পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর কতটুকু দিবেন :
যাদের উপর ছদাক্বাতুল ফিতর ওয়াজিব অর্থাৎ পবিত্র ঈদের দিন ছুবহি ছাদিক্বের সময় যাদের নিকট নিছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রূপা অথবা এর সমপরিমাণ মূল্য) সম্পদ থাকে তাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ এলাকা অনুযায়ী দুই মুদ (আধা ছা’) গম যা বর্তমান মেট্রিক পদ্ধতির হিসেবে অনুযায়ী ১৬৫৭ গ্রাম আটা বা এর সমপরিমাণ মূল্য দান করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আবূ ছু’আইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বর্ণিত পবিত্র হাদীছ শরীফ ছাড়া আরো অনেক হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে-
كنا نؤدى زكوة الفطر على عهد رسول الله صلى الله عل বাকি অংশ পড়ুন...












