আল ইহসান ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে বেড়েই চলছে তেল ও গ্যাসের দাম, যা চলমান ছিলো গত সোমবারও। এরই মধ্যে ইরানের যুদ্ধ আরও কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
আমেরিকার অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য মতে, গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়েছে দুই সেন্ট। এর মাধ্যমে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম গিয়ে ঠেকেছে তিন দশমিক ৭২ ডলারে, যা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর সর্বোচ্চ।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম বেড়েছে ৭৪ সেন্ট, শতাংশের হিসেবে যা ২৬ দশমিক ৯। হ্যারিকেন বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ইরানের জনগণকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আপনাদের মধ্যে যে নজিরবিহীন ঐক্য ও সংহতি তৈরি হয়েছে তা ধরে রাখুন এবং মার্কিন স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।
ইসনার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি পবিত্র কুরআনের এক মাহফিলে বক্তব্য দেয়ার সময় ইরানের জনগণের প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বে বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের জনগণের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।
তিনি বলেন, আপনারা ইরানিরা মার্কিন স্বেচ্ছাচারিতার বিরু বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মুসলমান বিশেষ করে ইরানের কামিয়াবী এবং সন্ত্রাসী ইসরাইল ও সন্ত্রাসী আমেরিকার ধ্বংস চেয়ে রাজধানী ঢাকায় সমাবেশের আয়োজন করেছে বৈষম্য ও জুলুমের বিরুদ্ধে সর্বদা প্রতিবাদী সংগঠন ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-জনতা’। গতকাল বাদ জুমুয়া রাজধানীর মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে এক বিশাল সমাবেশে তারা এই দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইসরাইল ও আমেরিকা দুটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র। তারা বিশ^ মানবতার জন্য চরম হুমকি। পৃথিবীতে এদের থাকার কোন অধিকার নেই। ইরানে হামলা করে এরা নিজেরাই নিজেদের মৃত্যু ডেকে এনেছে। বিশ^ সন্ত্রাসী ড্র বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যৌথভাবে বিমান হামলা শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সন্ত্রাসী ইসরায়েল। জবাবে তৎক্ষণাৎ পাল্টা হামলা শুরু ইরানও। এখনও সন্ত্রাসী ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে তেহরান। ইরানি হামলার শিকার হয়েছে- কাতার, বাহরাইন, ওমান, আরব আমিরাত, কুয়েত ও সৌদি আরব। এতে অগ্নিগর্ভে পরিণত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চল।
এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে ভয়াবহ হামলায় প্রথম ছয় দিনে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ হয়েছে ১১ বিলিয়নের বেশি। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে ইরানের সাম্প্রতিক প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মাত্র সাতজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে তারা। (তথ্য প্রবাহ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে তারা)। নিউইয়র্ক টাইমসের এক বিশেষ বিশ্লেষণে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান বিরোধী মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ওই অঞ্চলে আমেরিকার অন্তত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উচ্চ-রেজোলিউশনের বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট চিত্র, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রামাণ্যচিত্র এবং মার্ক বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমান দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী অপশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনে মুসলমানরা নিদারুণ নির্যাতন-নিপীড়নের মধ্যে অতিবাহিত করছে। কোটি কোটি মুসলমানকে নির্মমভাবে শহীদ করা হচ্ছে জুলুমবাজ আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতায়। পাশাপাশি, বিশ্বব্যাপী মুসলমানরা যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারেন, পূর্বের সেই স্বর্ণালী যুগে ফিরে যেতে না পারেন এজন্য অর্থ ও শ্রম দিয়ে সর্বাত্মকভাবে ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাস্তবায়ন করছে তারা। মুসলমান বিশ্বের কতিপয় মুসলমান নামধারী শাসককেও ইদানিং দেখা যায়, আমেরিকার প্রশংসা এবং লেজুরবৃত্তিতে লম্ফঝম্ফ করতে। অথচ আপ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্রভা-ার থেকে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া ছয়টি শক্তিশালী পারমাণবিক বোমা নিয়ে নতুন করে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। মার্কিন সামরিক পরিভাষায় ‘ব্রোকেন অ্যারো’ বা পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত দুর্ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত ৩২টি ঘটনার মধ্যে এই ছয়টি বোমার হদিস আজও পাওয়া যায়নি।
বর্তমান সময়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভয়াবহ উত্তেজনা এবং সন্ত্রাসী ড্রাম্পের পক্ষ থেকে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ হুমকির প্রেক্ষাপটে এই নিখোঁজ অস্ত্রগুলো কোনোভাবে শত্রু রাষ্ট্রের হাতে পড়তে পারে কি না, তা নিয়ে আমেরিকার বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরানের সঙ্গে সন্ত্রাসী যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের ১১তম দিনে এসে তেহরান তার রণকৌশলে এক ভয়াবহ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে। গত সোমবার ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি জানিয়েছেন, এখন থেকে ইরান শুধু সেসব মিসাইল নিক্ষেপ করবে, যেগুলোর পেলোড বা গোলাবারুদ বহন ক্ষমতা এক হাজার কেজি (১ টন) বা তার বেশি।
এই ঘোষণা যুদ্ধের ময়দানে একটি বড় ধরনের ‘ট্যাকটিক্যাল শিফট’ বা কৌশলগত পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরান এখন ‘সংখ্যা’ কমি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইরানের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী ইন্টারসেপ্টর সংকটে পড়েছে দখলদার ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র এবং এর সহযোগী দেশগুলো। গতাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এক প্রতিবেদনে সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গোলাবারুদ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার মুখে পড়েছে।
সূত্রগুলোর তথ্য মতে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কোন লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করবে আর কোনটি উপেক্ষা করবে সে সি বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে আমেরিকার ‘হিমার্স’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত এই সামরিক সরঞ্জামগুলো যেখানেই থাকুক না কেন, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সেগুলো ধ্বংস করা হলে কেউ যেন অভিযোগ না করে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গতকাল মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
তিনি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমাদের জনগণ বাকি অংশ পড়ুন...
ইরাক, লিবিয়ার মতই আমেরিকান লুটতরাজের আরেক ভূমি হতে চলছে নাইজেরিয়া।
খ্রিস্টান নিধনের নামে একের পর এক মুসলিম দেশ দখল হলে
কোটি কোটি মুসলিম শহীদের জন্য তো সবার আগে আমেরিকা দখলে
বিশ্ব মুসলিমের উদ্যমী হওয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। এর পূর্ণ সরকারি নাম নাইজেরিয়া যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র। এর পশ্চিম সীমান্তে বেনিন, উত্তরে নাইজার বা নিজে, উত্তর-পূর্বে চাদ, পূর্বে ক্যামেরুন এবং দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগর তথা গিনি উপসাগর।
এর আয়তন ৯,২৩,৭৬৮ বর্গকিলোমিট বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
আমেরিকা (ইউ এস) এমন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে, যেটিকে রাশিয়া এবং চিনের বিরুদ্ধে এক নতুন ঠান্ডা লড়াই বলা যেতে পারে। এটিকে গণতন্ত্র এবং স্বৈরতন্ত্রের মধ্যে লড়াই বলে তুলে ধরার চেষ্টা বলে চালানো হলেও সাধারণ মানুষ এ কথা মানতে নারাজ। আমেরিকার এহেন অবস্থান গ্রহণের নেপথ্যে রয়েছে চিনা চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে নিজের বিশ্বব্যাপী প্রাধান্য বজায় রাখার আকাক্সক্ষা।
বর্তমান বিশ্বের নজরে মার্কিন বিপত্তিগুলি- প্রথমে ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং পরবর্তী কালে ইরাক এবং আফগানিস্তানে বিপর্যয়কর হস্তক্ষেপ- তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের অগ্রসর হওয়ার জায়গা বাকি অংশ পড়ুন...












