SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আমেরিকার%' OR titleBn LIKE '%আমেরিকার%' OR descriptionEn LIKE '%আমেরিকার%' OR descriptionBn LIKE '%আমেরিকার%' OR slug LIKE '%আমেরিকার%' OR metaTag LIKE '%আমেরিকার%' OR metaDescription LIKE '%আমেরিকার%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
গত জুমুয়াবার দেশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও পবিত্র দ্বীন ইসলামের চেতনা রক্ষার্থে সরকারের প্রতি দাবী জানিয়ে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র পক্ষ থেকে প্রতিবাদী সমাবেশ করা হয়েছে।
বিগত কথিত অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান লাওওয়াত্ব সুদখোর ইউনূসসহ সংশ্লিষ্টদের দেশবিরোধী কর্মকা-, বিদেশীদের কাছে জাতীয় সম্পদ তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র এবং তার ধারাবাহিকতায় ইউনুসের সমগ্রোত্রীয়দের দ্বারা সামরিক দাসত্বমূলক চুক্তি করার অপচেষ্টা, শিক্ষা ব্যবস্থার বিজাতীয়করণ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগণের দ্বীনী অনুভূতির প্রতি অবজ্ঞা দেশ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনটি একটি প্রশ্ন দিয়ে শুরু করেছে- “ইরান কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি নৌঘাঁটি ধ্বংস করলো এবং ওয়াশিংটনের কৌশলগত হিসাব বদলে দিলো?” প্রতিবেদনে প্রকাশিত সর্বশেষ স্যাটেলাইট চিত্রের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়।
বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তর একাধিকবার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর সঙ্গে কথা বলা যুক বাকি অংশ পড়ুন...
৮ বছরব্যাপী প্রতিরক্ষা যুদ্ধ চলাকালীন আইআরজিসির সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি এক সাক্ষাৎকারে সতর্ক করেছেন- শত্রুরা যদি ভুল করে, তবে পরবর্তী যুদ্ধটি তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মতো হবে না এবং এতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটবে।
ইরানিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে উদ্ধৃত করে পার্সটুডে জানিয়েছে, তিনি বলেছেন- বিগত ৪৭ বছর ধরে আমেরিকার সরকারগুলোর সাথে ইরানের অন্যতম গুরুতর সমস্যা হলো, তারা কখনো ইরানের অবস্থানকে সঠিকভাবে শোনার, বোঝার এবং বিশ্বাস করার চেষ্টা করেনি, তাই তারা সবসময় ইসরায়েলি গুপ্তচর সংস্থা বা ইরানের প্রতি বিরাগভাজ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কথিত শান্তি আলোচনা চলাকালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরসহ পুরো পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলকে হত্যার চক্রান্ত করেছিলো ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। সম্প্রতি লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক পেপে এক পডকাস্টে অংশ নিয়ে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে।
তবে পাকিস্তানি সাংবাদিকরা এই দাবিকে সম্পূর্ণ ‘ভিত্তিহীন ও তথ্যপ্রমাণহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ইন্টারনেট ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার মারিও নাওফাল আয়ো বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসানের যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সেটিকে “আমেরিকার পরাজয়ের ঘোষণা” বলে অভিহিত করেছে তেহরান। ইরানের চুক্তির আলোচক দলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই মন্তব্য করেছেন।
গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চূড়ান্ত হওয়া চুক্তির বিষয়বস্তুর দিকে ইঙ্গিত করে গালিবাফ বলেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা কোনও চাপ বা জবরদস্তির ফল ছিলো না, বরং এটি সাহসী ইরানি জাতির প্রতিরোধ ও কর্তৃত্বের ফল।
তিনি বলেন, “আর এই ক বাকি অংশ পড়ুন...
জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়: যা প্রকৃতপক্ষে একমাত্র পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানবিরোধী কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিচালনার কেন্দ্র।
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
ইহুদীসংঘের (জাতিসংঘের) মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয়, যার পূর্ণ নাম Office of the United Nations High Commissioner for Human Rights (OHCHR), এর প্রধান দপ্তরসহ অনেক দেশ ও অঞ্চলে আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। নিচে তাদের প্রধান ও আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোর এক বাকি অংশ পড়ুন...
দক্ষিণ আমেরিকার গহীণ ক্রান্তীয় অরণ্যে ছড়িয়ে রয়েছে এমনই এক আশ্চর্য উদ্ভিদ প্রজাতি, যারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্থান পরিবর্তন করতে সক্ষম। আর এই বিশেষ ক্ষমতার জন্যই সাধারণ মানুষের কাছে এই উদ্ভিদ প্রজাতি পরিচিত ‘ওয়াকিং পাম’ নামে। অবশ্য বিজ্ঞানের পরিভাষায় এই উদ্ভিদ প্রজাতির নাম ‘সক্রেটিয়া এক্সোরিজা’ বা ‘ক্যাশাপোনা’।
ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটো থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুমাকো বায়োস্ফিয়ার। মূলত এই বায়োস্ফিয়ারেই বাস ক্যাশাপোনা পাম গাছের। সত্তরের দশকের শুরুর দিকে এই সংরক্ষিত অরণ্যে গবেষণা করতে গিয়ে আশ্চর্য এই উদ্ভিদ প্রজা বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের চেতনা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে রাজধানীতে এক ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার এই মহাসমাবেশ সম্পন্ন হয় গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর মালিবাড় মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্বরে।
মহাসমাবেশ থেকে দেশের বর্তমান ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতি, বৈদেশিক সামরিক ও বাণিজ্যিক চুক্তি, শিক্ষা ব্যবস্থার বিজাতীয়করণ, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, এবং জননিরাপত্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তীব বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পবিত্র দ্বীন ইসলামের চেতনা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে রাজধানীতে এক ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার এই মহাসমাবেশ সম্পন্ন হয় গতকাল জুমুয়াবার রাজধানীর মালিবাড় মোড়ের ফাল ইয়াফরাহু চত্বরে।
মহাসমাবেশ থেকে দেশের বর্তমান ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতি, বৈদেশিক সামরিক ও বাণিজ্যিক চুক্তি, শিক্ষা ব্যবস্থার বিজাতীয়করণ, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, এবং জননিরাপত্তাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি তীব বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও শত্রুতার প্রকাশ:
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ সৃষ্টি
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি ইহুদীদের আদি বিদ্বেষ ও কাট্টা মুনাফিক, নিকৃষ্ট কাফির ইহুদীদের পুরাতন খাছলত মুসলিম শত্রুতার প্রকাশ: প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (League of Nations) সৃষ্টি।
ইহুদীদের কূটকৌশলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মুসলমানদেরকে বিশ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ এখনো স্বল্পোন্নত দেশ হওয়ায় জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে পেটেন্ট ফি দিতে হয় না। এ সুবিধার ফলে দেশের ওষুধশিল্প দ্রুত বিকশিত হয়েছে। জেনেরিক ওষুধ মূলত সেই ওষুধ, যার পেটেন্ট মেয়াদ শেষ হয়েছে বা যার ওপর পেটেন্ট আর প্রযোজ্য নয়। গঠনগতভাবে এটি ব্র্যান্ডেড ওষুধের সমান কার্যকর। এই সুবিধার ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ আজ প্রায় ৯৭ শতাংশ ওষুধ দেশেই উৎপাদন করছে এবং ১০০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করছে। এই শিল্প কাঠামো গড়ে উঠেছে মূলত ‘হাই ভলিউম, লো মার্জিন’ মডেলের ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ যদি পেটেন্ট ফি প্রদানে বাধ্য হয় বা এলডিসি সুবিধা সীমিত হয় বাকি অংশ পড়ুন...












