SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%অবদান:%' OR titleBn LIKE '%অবদান:%' OR descriptionEn LIKE '%অবদান:%' OR descriptionBn LIKE '%অবদান:%' OR slug LIKE '%অবদান:%' OR metaTag LIKE '%অবদান:%' OR metaDescription LIKE '%অবদান:%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ আল ইদরিসী আল কুরতুবী আল হাসানী আস সাবতী (হিজরী ৪৯৩-৫৬০; খ্রি: ১১০০-১১৬৫) ছিলেন মরোক্কান বংশদ্ভূত আরবীয় মুসলিম ভূগোলবিদ, মানচিত্র অঙ্কনে দক্ষ ব্যক্তিত্ব।
আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ আল ইদরিসী জিব্রালটার প্রণালীর নিকটবর্তী সাবতা (বর্তমানে সুয়েটা)-তে হিজরী ৪৯৩ (খ্রি: ১১০০) সালে জন্মগ্রহণ করেন। যখন মালাগা হামুদি শাসকদের হস্তচ্যুত হয়, তখন উনার পর-দাদা এখানে বসতি গড়তে বাধ্য হন। তিনি মরোক্কোর আমির ইদ্রিস ইবনে আব্দুল্লাহ উনার বংশধর, যিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীরা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কটূক্তি করে বলে থাকে, মাদরাসায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা হয়না। সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানো হয়! এ অপপ্রচারে মাদরাসা নিয়ে অভিভাবক মহলে হীনমন্যতার প্রবেশ করে।
ইতিহাস সাক্ষী অতীতের সকল মুসলিম বিজ্ঞানী, জ্ঞানী-গুনী সবাই মক্তব-মাদরাসায় পড়াশোনা করেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। বেনিয়া বৃটিশ শাসনের পুর্বে মুসলিম শাসনামলে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিলো মূল। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে পড়ানো হত।
মুসলিম শাসনামলের অবদান:
মুসলিম শাসনামলের শুরু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ শাস্ত্রে অবদান:
তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ শিক্ষায় পারিবারিকভাবে উৎসাহিত হলেও উনার চেষ্টা-কোশেশ এবং অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে অসাধ্য সাধন করেছেন। শয়নে স্বপনে সব সময় একই চিন্তা, কিভাবে তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ শিক্ষালাভ করবেন। মানুষ যখন অবসরে, তিনি তখন পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার সন্ধানে। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একবার ঈদের ছলাতে ইমাম যুহরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দেখে মনে করলেন, আজ মানুষ ঈদের আনন্দে ব্যস্ত, হয়তো ইমাম যুহরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কাছে একাকী পবিত্র হাদীছ শরীফ শিক্ষার সুয বাকি অংশ পড়ুন...
ছাত্রবৃন্দ:
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হলেন ইমামু দারিল হিজরা, অর্থাৎ সম্মানিত মদীনা শরীফ উনার ইমাম। অতএব সম্মানিত মদীনা শরীফ উনার ইমাম উনার ছাত্র হওয়ার দুর্লভ সৌভাগ্য কে না চায়। তাই উনার ছাত্র অগণিত। ইমাম যাহাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উল্লেখযোগ্য ১৬৬ জনের নাম বর্ণনা করেছেন। ইমাম খ¦তীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৯৯৩ জন ছাত্রের নাম উল্লেখ করেন।
কয়েকজন প্রসিদ্ধ ছাত্রের নাম নিম্নে প্রদত্ত হলো:
১। ইমাম হযরত মুহম্মদ ইবনু ইদরীস আশ্ শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি।
২. ইমাম হযরত সুফইয়ান ইবনু উয়ায়নাহ র বাকি অংশ পড়ুন...
সাহিত্যে পবিত্র হাদীছ শরীফ:
পবিত্র হাদীছ শরীফও সাহিত্যের এক যুগান্তকারী অধ্যায় মুবারক। পবিত্র হাদীছ শরীফ আরবী সাহিত্যের অমূল্য ভা-ার। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে কেন্দ্র করে সাহিত্যের আরও বহু বিষয় সমৃদ্ধ হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষা মুবারকগুলো অত্যন্ত উন্নত ও সুষমাম-িত।
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি সাহিত্যে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতা মুবারক করেছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন সুবক্তা, লেখক এবং মহাকবি হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহ বাকি অংশ পড়ুন...
আব্বাসীয় যুগে বিজ্ঞানচর্চা; জ্যোতির্বিদ্যা:
আব্বাসীয় যুগে জ্যোতির্বিদ্যারও প্রভূত উন্নতি হয়েছিলো। জ্যোতির্বিদদের মধ্যে মাশাআল্লাহ, সেন্দা বিন আলী, ইয়াহিয়া বিন মনসূর, আবূ মাসার প্রমুখ বিশেষ প্রসিদ্ধি লাভ করেন। আবূ মাসারের লিখিত ‘জিসবায়ে মাসার’ জ্যোতির্বিজ্ঞানের উৎস বলে বিবেচিত হতো। আবুল হাসান দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করে জ্যোতিঃশাস্ত্রের বিশেষ উন্নতি সাধন করেন। ল্যাটিন ভাষায় অনূদিত আল বাত্তানীর বাতানীর জ্যোতিঃশাস্ত্রীয় তালিকাসমূহ বহু শতাব্দী ধরে ইউরোপের জ্যোতিঃশাস্ত্রের ভিত্তিরূপে গৃহীত হয়েছিলো। আবাসীয় শাসক বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা:
উমাইয়াদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির অনেক উন্নতি সাধিত হয়। উমাইয়া শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক বই পুস্তক আরবীতে অনূদিত হয়। জ্যোতির্বিদ্যা, ক্ষেত্র তত্ত্ব, চিকিৎসা, বীজগণিত, নৌ-চালনা, ভূগোল প্রভৃতি বিষয়ের উন্নতির সূচনা করে উমাইয়া শাসকরা।
আব্বাসীয় শাসকদের অবদান:
আব্বাসীয় যুগকে শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ বলা হয়। শিক্ষা ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায়ই তাদের অবদানে সমৃদ্ধ। আব্বাসীয় আমলে সালতানাতের সকল অঞ্চলে অসংখ্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাগদাদ, কায়রো ও কর্ডোভায় উচ্ বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বীন ইসলাম উনার প্রাথমিক সময়ে বিশেষ কার্যক্রম:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলম অর্জনকে অত্যাধিক গুরুত্ব মুবারক দিতেন। আদেশ এবং নির্দেশনা মুবারক প্রদান করতেন। উম্মুল মু’মিনীন হযরত আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি উনার মহাসম্মানিত জিন্দেগী মুবারকে সবাইকে ইলম অর্জনের জন্য তাগিদ মুবারক দিয়ে গেছেন। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত হুজরা শরীফ মুবারক ছিলেন ইলম উনার খনি মুবারক।
পবিত্র মক্কা শরীফ উনার অত্যন্ত নিরিবিলি স্থানে অবস্থিত হযরত আরকাম রদ্ব বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার, বীর উত্তম আর নেই। ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইএসপিআর।
এয়ার ভাইস মার্শাল একে খন্দকার, বীর উত্তম, ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা, বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান এবং একজন দূরদর্শী নেতা, যিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, যুদ্ধ পরবর্তী ব বাকি অংশ পড়ুন...
বিশেষ করে পার্বত্য এলাকা থেকে বাঙালীদেরই তাড়িয়ে দেয়ার জোর দাবী তুলেছে।
সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় ওরা স্বাধীন জুমল্যান্ড গড়ার ষড়যন্ত্রে বিভোর কিনা? সমালোচক মহলে সে প্রশ্ন জোরদার হচ্ছে
জাতিসংঘের আদিবাসী ঘোষণাপত্র ২০০৭- স্বাক্ষর করেনি বাংলাদেশ।
পার্বত্য জেলার ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীরা যে আদিবাসী নয় তাও ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে জোরদার হচ্ছে আদিবাসী অপপ্রচার।
সঙ্গতকারণেই প্রত্যাহারকৃত ১৫৯টি সেনাক্যাম্প পূন:স্থাপনই কেবল নয় বরং পার্বত্য এলাকায় সেনাক্যাম্প আরো বেশী স্থাপন করা জরুরী দ বাকি অংশ পড়ুন...
হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ, যা চাঁদপুর জেলার অন্যতম প্রধান মসজিদ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এটি শুধুমাত্র একটি ইবাদতের স্থান নয়; বরং মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর হিসেবে এটি অসংখ্য মুসলিমের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। এই মসজিদ তার স্থাপত্যশৈলী, কারুকাজ এবং পরোলৌকিক পরিবেশের কারণে দুনিয়া ও আখিরাতের মুক্তি লাভের প্রত্যাশায় অসংখ্য মুসল্লীকে আকর্ষণ করে।
ইতিহাস:
হাজীগঞ্জ মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করা হয় ১৩৪৫ হিজরী সনের ০৫ই রবীউল আউওয়াল শরীফ। মসজিদের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয় ১৩৫০ হিজর বাকি অংশ পড়ুন...












