হযরত উম্মে আবী হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা
, ২০ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৬ পৌষ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মহিলাদের পাতা
হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাতা। তিনি একজন ছাহাবিয়া। উনার নাম উমায়মা, আরেক মতে মায়মুনা। পুত্র হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করলেও তিনি তখনও ইসলাম গ্রহণ করেন নি। হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার মাতা’র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন যে, প্রায়ই তিনি উনার মাতাকে দ্বীন ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিতেন, কিন্তু উনার মাতা কর্ণপাত করতেন না।
একদিন তিনি অতি আগ্রহের সাথে উনার মাতাকে দ্বীন ইসলাম গ্রহণের জন্য দাওয়াত দেন। মাতা উত্তরে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কিছু বিরূপ মন্তব্য করেন। তাতে হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ভীষণভাবে মর্মাহত হন ও কাঁদতে কাঁদতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমতে হাজির হন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ক্রন্দনের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি ঘটনাটি বর্ণনা করেন ও আরজ করেন, “আয় মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি আমার মাতার দ্বীন ইসলাম গ্রহণের জন্য দোআ করুন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তখন দোআ মুবারক করলেন, “আয় মহান আল্লাহ পাক! হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাতাকে হিদায়েত দান করুন।”
এদিকে হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাতার মনে সে সময়েই এক পরিবর্তন সাধিত হয়। তিনি গোসল করেন ও উত্তম পোশাক পরিধান করেন। পুত্র প্রত্যাবর্তন করলে তিনি উনার সামনে পবিত্র কালেমায়ে শাহাদাত পড়ে দ্বীন ইসলামে দীক্ষিত হন। সুবহানাল্লাহ!
হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তখন হর্ষোৎফুল্ল চিত্তে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে ফিরে যান এবং এই সুসংবাদ দেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আলহামদুলিল্লাহ উচ্চারণ করে বলেন, উত্তম। (মুসলিম শরীফ, উসুদুল গাবা, ইসলামী বিশ্বকোষ)
-আল্লামা সাঈদ আহমদ গজনবী।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশতে প্রবেশ করবে না
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুওওয়াতে শাহওয়াত বা কামশক্তি দমনের উপায়
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহিলাদের সুন্নতী লিবাস, অলংকার ও সাজ-সজ্জা (১)
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
হাশরের ময়দানে যে ৫টি প্রশ্নের উত্তর প্রত্যেককেই দিতে হবে
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা বেমেছাল ফযীলত মুবারকের অধিকারী
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
একজন নেককার মায়ের সবচেয়ে বড় অনুগ্রহ হচ্ছে সন্তানকে নেক ছোহবত মুবারকে পাঠানো
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সর্বক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রাধান্য দিতে হবে
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মিথ্যা সমস্ত পাপের মূল (১)
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার উপদেশ মুবারক
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












