ঐতিহাসিক দলীলে মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউয়াল শরীফ পালন
, ১৭ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ৩১ রবি, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রি:, ১৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
পবিত্র মক্কা মুকাররমায় মহাসম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ সর্বশ্রেষ্ঠ মহান ঈদ হিসাবে পালিত হওয়ার ঐতিহাসিক দলীল:
“আল ইলাম বি আলাম বাইতিল্লাহিল হারাম" হলো মক্কা মুকাররমা ও মাসজিদুল হারাম শরীফ উনার ইতিহাস নিয়ে লেখা একটি বিখ্যাত আরবী কিতাব। এর রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও পবিত্র মক্কা শরীফ প্রধান মুফতি কুতুব উদ্দিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-নাহরাওয়ানি আল মাক্কী আল-হানাফি রহমতু্ল্লাহি আলাইহি (বিলাদত-৯১৭ হিজরী, বিছাল: ৯৮৮ হিজরী) উনার বিলাদত ভারতের গুজরাটের ঐতিহাসিক 'নহরোয়ালা' বা পতন) নগরীতে আর বিছাল পবিত্র ` নগরীতে। তিনি পবিত্র মাসজিদুল হারাম (মক্কা শরীফ)- সম্মনিত হানাফি মাজহাবের প্রধান মুফতি এবং প্রধান শিক্ষক ও মুদাররিস হিসেবে পাঠদান করতেন। তিনি সেখানে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ফিকহ, তাফসির, হাদিছ, উছুল এবং আরবী ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষা দিতেন। আল ইলাম বি আলাম বাইতিল্লাহিল হারাম কিতাবটি পবিত্র মক্কা শরীফ উনার ঐতিহাসিক তথ্যের সত্যতা ও বিন্যাসের জন্য গবেষকদের কাছে গ্রন্থটি অত্যন্ত সমাদৃত।
আল ইলাম বি আলাম বাইতিল্লাহিল হারাম কিতাবের ১৩০৩ হিজরী/১৮৮৫ খৃ, সময়ের একটি নুসখার ১৯৬ পৃষ্ঠায় বর্ণিত আছে-
* قال ويستجاب الدعاء في مولد النبي صلى الله عليه وسلم وهو موضع مشهور يزار الى الآن ومن لحقه مستجد يصلى فيه ويكون في كل ليلة اثنين فيه جمعية يذكرون الله تعالى ويزار في الليلة الثانية عشر من شهر ربيع الأول فى كل عام فيجتمع الفقهاء والاعيان على نظام المسجد الحرام والقضاة الاربعة بمكة المشرفة بعد صلاة المغرب بالشموع الكثيرة والمفرغات والفوانيس والمشاعل وجميع المشايخ مع طوائفهم بالاعلام الكثيرة ويخرجون من المسجد الى سوق وجميع الليل و يمشون فيه الى محل المولد الشريف بازدحام و يخطب فيه شخص ويدعو للسلطنة الشريفة تم نم يعودون الى المسجد الحرام ويجلسون صفوفا في وسط المسجد من جهة الباب الشريف خلف مقام الشافعية ويقف رئيس زمزم بين يدى ناظر الحرم الشريف والقضاة و يدعو للسلطان ويلبسه الناظر خلعة ويلبس شيخ الفراشين خلعة ثم يؤذن للعشاء و يصلى الناس على عادتهم ثم يشى الفقها مع ناظر الحرم الى الباب الذي يخرج منه من المسجد ثم يتفرقون وهذه من أعظم مواكب ناظر الحرم الشريف بمكة المشرفة ويأتى الناس من البدو والحضر واهل جدة وسكان الأودية في تلك الليلة ويفرحون بها وكيف لا يفرح المؤمنون بليلة ظهر فيها أشرف الانبياء والمرسلين صلى الله عليه وسلم وكيف لا يجعلونه عيدا من أكبر أعيادهم
“নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদত শরীফ বা নুরুত তাশরীফ উনার স্থান মুবারকে দোয়া কবুল হয়। এটি এমন একটি মহাপবিত্র প্রসিদ্ধ স্থান মুবারক, যা এখনো যিয়ারত করা হয়। আর যে ব্যক্তি মহাপবিত্র স্থানে প্রয়োজন নিয়ে আসে, সে মহাপবিত্র স্থানে পবিত্র নামায আদায় করে। প্রতি ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) রাত মুবারকে মহাপবিত্র স্থানে একটি মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়; উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেন। পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসের মহাসম্মানিত ১২ তারিখে প্রতি বছর মহাপবিত্র স্থানে বিশেষভাবে লোকজন সমবেত হয়। অতঃপর পবিত্র মক্কা মুকাররমার চারজন ক্বাজী এবং পবিত্র মসজিদুল হারাম উনার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্মানিত ফকিহ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ পবিত্র মাগরিবের নামায উনার পর একত্রিত হন। উনাদের সঙ্গে থাকে প্রচুর মোমবাতি, মোমবাতি রাখার বিভিন্ন পাত্র, ফানুস ও মশাল। এবং সকল মাশায়েখ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নিজ নিজ অনুসারীসহ প্রচুর পতাকা নিয়ে উপস্থিত হন। তারপর উনারা পবিত্র মসজিদুল হারাম শরীফ থেকে বের হয়ে সারা রাত মহাপবিত্র স্থান মুবারকে চলতে থাকেন; এভাবে উনারা মিছিল করে মহাসম্মনিত মওলিদ শরীফ অর্থাৎ নূরুত তাশরীফ উনার স্থান মুবারকে পৌঁছান। তখন মহাপবিত্র স্থান মুবারকে প্রচুর লোকের সমাগম হয়। একজন সম্মনিত ব্যক্তি সেখানে খুতবা দেন এবং সুলত্বানের জন্য দোয়া করেন। এরপর উনারা আবার পবিত্র মসজিদুল হারাম শরীফে ফিরে আসেন। সেখানে উনারা পবিত্র মসজিদের মাঝখানে মাকামে শাফিয়ীর পেছনে সারিবদ্ধভাবে বসেন। আর পবিত্র যমযম উনার প্রধান ব্যক্তি (রঈসু যামযাম) হারাম শরীফ উনার তত্ত্বাবধায়ক ও ক্বাজীদের সামনে দাঁড়ান এবং সুলত্বানের জন্য দোয়া করেন। তখন পবিত্র হারামের তত্ত্বাবধায়ক উনাকে একটি সম্মানসূচক পোশাক পরিয়ে দেন। এবং শাইখুল-ফাররাশীনদের একটি খিল‘আত পরানো হয়। এরপর পবিত্র ইশার নামায উনার জন্য পবত্রি আযান দেওয়া হয় এবং লোকেরা তাদের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী পবিত্র ইশার নামায আদায় করে। তারপর সম্মনিত ফকিহগণ পবিত্র হারাম শরীফ উনার তত্ত্বাবধায়কের সঙ্গে সেই দরজা পর্যন্ত যান, যে দরজা দিয়ে তিনি পবিত্র মসজিদ থেকে বের হন। এরপর সবাই নিজ নিজ পথে চলে যায়। এটি পবিত্র মক্কা মুকাররমায় হারাম শরীফ উনার তত্ত্বাবধায়কের সবচেয়ে বড় ও জাঁকজমকপূর্ণ জশনেজুসুছ গুলোর অন্যতম।
সেই মুবারক রাতে গ্রামাঞ্চলের লোকজন, শহরের অধিবাসী, জেদ্দার মানুষ এবং উপত্যকাগুলোর বাসিন্দারা সেখানে এসে সমবেত হয়। তারা এ রাত নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। আর মুমিনরা কীভাবে এমন একটি মহাসম্মনিত রাতে আনন্দিত না হয়ে থাকতে পারে যে মহাসম্মনিত রাতে সমস্ত হযরত নবী ও রাসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ নূরে মাজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুত তাশরীফ পৃথিবীতে আগমন হয়েছেন? আর তারা কেন এটিকে তাদের অন্যতম বৃহৎ মহান ঈদের দিন হিসেবে গ্রহণ করবে না? আমিন।
দলীলসমূহ - (আল ইলাম বি আলাম বাইতিল্লাহিল হারাম- নুসখার কিতাবের ১৯৬ পৃষ্ঠা)
অর্থাৎ পবিত্র মক্কা শরীফ উনার সেই সময়ের ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট থেকে বোঝা যায়- মহাসম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ নূরুত তাশরীফ মুবারক উনার উপলক্ষে সমগ্র আরবদেশের মানুষ জমায়েত হয়ে মহাসম্মনিত ঈদে বিলাদতে অর্থাৎ নূরুত তাশরীফে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতেন। সম্মনিত চার মাযহাবের ক্বাজী, পবিত্র মক্কা শরীফ উনার ফক্বীহ, উলামায়ে কিরাম, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের তত্বাবধানে অত্যন্ত জাঁকজমকের সাথে পালিত হতো। মুবারক দিবসে বাতি, মশাল, পতাকা নিয়ে পবিত্র মাগরিব উনার পর মিছিল নিয়ে বের হতেন। পবিত্র হারাম শরীফ উনার সামনে সকলে সমবেত হয়ে মহাসম্মনিত ঈদ বা উৎসব পালন করেন। আরব অঞ্চলের আশপাশের সবাই এই মহান অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। উনারা এই মুবারক রাতকে মহান ঈদের রাত মনে করে থাকেন।
শুধু তাই না, বলা হয় মুমিনরা কীভাবে এমন একটি মহাসম্মানিত রাতে আনন্দিত না হয়ে থাকতে পারে সেটাও সে যুগে প্রশ্ন করা হয়। সূতরাং মহাসম্মানিত ঈদে বিলাদতে ঈদে নূরুত তাশরীফে হাবীবুল্লাহ ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম হঠাৎ আর্বিভূত কোন আমল না। এটা মুসলমানদের প্রাণকেন্দ্র পবিত্র মক্কা শরীফ উনার ঐতিহ্যগত আমল। যারা আজ এই আমল থেকে সরে গেছে তারাই বরং মূলধারা থেকে পিছলে পড়ে গেছে। ইসলামী তাহযিব তামাদ্দুন থেকে সরে গিয়ে বিদয়াতীদের সংশ্রবে পড়ে বিভ্রান্ত হয়ে গেছে। “নাউযুবিল্লাহ”
দলীল সমূহ- এই ঐতিহাসিক বর্ণনা যে কিতাবে পাওয়া যায় ।
১. কিতাব : তাহসিলুল মুরাম ফি আখবারিল বাইতিল হারাম ওয়াল-মাশাইরিল ইজাম ওয়া মাক্কা ওয়াল-হারাম ওয়া উলাতিহাল ফিখাম।
লেখক : হযরত মুহম্মদ বিন আহমদ বিন সালিম আল-মালিকি আল-মাক্কি রহমতুল্লাহি আলাইহি (যিনি 'আল-সাববাগ' নামে পরিচিত)। বিলাদত: ১২৪৩ হিজরী- বিছাল: ১৩২১ হিজরী।
২. কিতাব : মানাইহুল কারম ফি আখবার মাক্কা ওয়াল-বাইত ওয়া উলাতিল হারাম। লেখক : হযরত আলী বিন তাজুদ্দিন আল-সানজারি রহমতুল্লাহি আলাইহি। (বিলাদত আনুমানিক ১০৫০ হিজরী- বিছাল ১১২৫ হিজরী)
৩. কিতাব : আল-খুলাকাতুল কাফিয়াহ ফি আখবারি মাক্কা ওয়াল-বাইত ওয়াল-উলাওয়াহ। লেখক : হযরত সাইয়িদ আহমদ জাইনি দাহলান আল-মাক্কি রহমত্ল্লাহি আলাহি (পবিত্র মক্কা শরীফ উনার শাফিয়ী মুফতী)। বিলাদত ১২৩২ হিজরী- বিছাল ১৩০৪ হিজরি
৪. ফতোয়ার গ্রন্থ ও আধুনিক সংকলনসমূহ:
মিশরের দারুল ইফতা (دار الإفتاء المصرية): মিশরীয় ইফতা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক ফতোয়া ও গবেষণাপত্রে (যেমন: كيفية الاحتفال بالمولد النبوي الشريف- মহাসম্মানিত ঈদে বিলাদতে হাবীবুল্লাহ ছাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের ঐতিহাসিক পদ্ধতী) প্রাচীন পবিত্র মক্কাবাসীদের আমল বোঝাতে হযরত কুতুব উদ্দিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-নাহরাওয়ানি আল মাক্কী আল-হানাফি রহমতু্ল্লাহি আলাইহি উনার পুরো ইবারতটি ব্যাপকভাবে উদ্ধৃত করা হয়।
-খন্দকার মুহম্মদ আরিফ হাসান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আপাদমস্তক মহাসম্মানিত নূর মুবারক; উনার ছায়া ছিলো না
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৪৮)
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পশু-পাখিদের মহব্বত ও সম্মান প্রদর্শনের কিছু নমুনা (২)
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৭০)
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৪৭)
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (৪৬)
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠের বিস্ময়কর বাস্তব ঘটনাসমূহ
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক (৬৯)
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি মুবারক:
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












