ঘটনা-২২
১০০ টি চমৎকার ঘটনা
‘সুবহানাল্লাহ’ লফয মুবারকের মর্যাদা
, ০৭ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৪ খ্বমীছ ১৩৯১ শামসী সন , ২৩ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রি:, ০৭ কার্তিক, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মহিলাদের পাতা
একদিন তিনি তখত মুবারকে করে দুনিয়ার এক প্রান্ত দিয়ে উড়ে যাচ্ছিলেন। একজন কৃষক নিচে দাঁড়িয়ে উনার শান শওকতপূর্ণ তখত মুবারক দেখে বললো, ‘সুবহানাল্লাহ! মহান রব্বুল আলামীন তিনি উনার নবী হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাকে কি শানদার তখত মুবারক হাদিয়া করেছেন!’ তৎক্ষণাত বাতাসের মাধ্যম দিয়ে কৃষকের এই কথা হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনার কাছে পৌঁছে গেলো। তিনি শুনে সেখানেই তখত মুবারক থামালেন এবং যমীনে নামলেন। অতঃপর কৃষককে ডেকে আনার হুকুম দিলেন। কৃষক হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনার সামনে আসলে তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “হে কৃষক! তুমি তখত মুবারক দেখে কি বলেছো?” কৃষক ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে গেলো, সে ভাবলো তার কোনও বেয়াদবি হয়ে গেলো কিনা! সে ভয়ে ভয়ে বললো, “আমার বেয়াদবি ক্ষমা করবেন, আমি মূর্খ মানুষ, আমি বেশী কিছু বুঝে বলিনি। আমি আপনার মহাশানদার তখত মুবারক দেখে মহান আল্লাহ পাক উনার প্রশংসা করে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলেছিলাম মাত্র।” তখন হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, “শোনো! তুমি আমার তখত মুবারক দেখে যে ‘সুবহানাল্লাহ!’ লফয মুবারক বলেছো, উনার মর্যাদা এরকম লক্ষ কোটি তখত মুবারক থেকেও অনেক অনেক গুণ বেশী।” সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফে উল্লেখ রয়েছে যে, হযরত আবূ হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “আমি সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং আল্লাহু আকবর বলতে এত বেশি পছন্দ করি যে, এগুলো বলা আমার কাছে পৃথিবীর বুকে সূর্যের নীচে যা কিছু আছে সবকিছু থেকে বেশি প্রিয়।” সুবহানাল্লাহ!
অপর এক হাদীছ শরীফে এসেছে, হযরত আবূ সালমা (সালামা) রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “এই বাক্যগুলি কিয়ামতের দিন বান্দার আমল নামায় সবচেয়ে বেশি ভারী হবে।” সুবহানাল্লাহ!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল উনার ইন্তিজামকারী বিনা হিসাবে সম্মানিত জান্নাতে প্রবেশ করবেন
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হীলাহ্ বিবাহ এবং তার শরয়ী ফায়সালা (৪)
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের সম্পর্কে কটূক্তি করা কাট্টা কুফরী
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের- সন্তুষ্টি-রেযামন্দি লাভের জন্য সন্তান প্রতিপালন করা সুন্নত (৪)
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“যিনি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনাকে বিশেষ মর্যাদা দিলেন, তিনি মূলত দ্বীন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলেন”
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশতে প্রবেশ করবে না
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে মেহমানদারী করার মাধ্যমে সম্মানিত শাফায়াত মুবারক লাভ
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












