SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুবারকের%' OR titleBn LIKE '%মুবারকের%' OR descriptionEn LIKE '%মুবারকের%' OR descriptionBn LIKE '%মুবারকের%' OR slug LIKE '%মুবারকের%' OR metaTag LIKE '%মুবারকের%' OR metaDescription LIKE '%মুবারকের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দেয়ার জন্য সমস্ত কায়িনাত, হাজারাত, শাজারাত, জিন-ইনসান, বনের পশু-পাখি সকলেই ব্যাকুল ছিলো। হযরত কারামত আলী জৈনপুরী রহমতুল্লাহি তিনি উনার ‘আল বারাহীনুল ক্বতইয়্যিাহ’ কিতাবে ‘মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ’ কিতাবের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পর গাইব হতে নেদা হলো এই মুক্তা দানা সদৃশ্য একক মর্যাদা মুবারক উনার অধিকারী মহান বালক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওà§ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
اِنَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَة النَّبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَمُخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, সম্মানিত রিসালাত মুঠবাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এমন কোন রাত্র অতিবাহিত হয় না যে রাত্রে আমি আমার হাবীব (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে স্বপ্নে দেখি না, এতটুকু বলে তিনি ক্রন্দন করতে থাকতেন। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা মুবারক যখন তিনি স্মরণ করতেন তখন খুব অস্থির ও কাতর হয়ে পড়তেন। একদিন তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুর রহমাহ মুবারক বা চেহারা মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
১। ছাগল মানুষের চেয়ে সাবধান। কারণ, সে রাখালের ডাক শুনে ঘাস খাওয়া বন্ধ করে ও তার দিকে দৌড়ে আসে। পক্ষান্তরে মানুষ মহান আল্লাহ পাক উনার আহ্বান শুনে উনার দিকে দৌড়ে যায় না এবং পাপ কাজ থেকে বিরত হয় না।
২। অসৎ লোকের সংসর্গে থাকলে সে সৎলোকের প্রতি অসৎ ভাব জন্মিয়ে দেয়।
৩। যদি কেউ আমাকে মদ ও দুনিয়াদারীর প্রতি আহ্বান করে, তাহলে আমি দুনিয়াদারীকে অধিক অপছন্দ করব।
৪। যখন দেখব, তোমার মনে বিন্দুমাত্রও মহান আল্লাহ পাক উনার বিরোধিতা নেই তখনই আমি বুঝব, তুমি প্রকৃত মা‘রিফাত লাভ করেছ।
৫। অনন্ত সুখময় জান্নাত শুধুমাত্র কয়েকদিনের বাহ্যিক কিছু আনুষ্ঠà বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
এ প্রসঙ্গে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْثَاقَ النَّبِـيّٖنَ لَمَاۤ اٰتَيْتُكُمْ مِّنْ كِتٰبٍ وَّحِكْمَةٍ ثُـمَّ جَآءَكُمْ رَسُوْلٌ مُّصَدِّقٌ لِّـمَا مَعَكُمْ لَتُؤْمِنُنَّ بِهٖ وَلَتَنْصُرُنَّهٗ قَالَ ءَاَقْرَرْتُـمْ وَاَخَذْتُـمْ عَلـٰى ذٰلِكُمْ اِصْرِىْ قَالُوْاۤ اَقْرَرْنَا قَالَ فَاشْهَدُوْا وَاَنَا مَعَكُمْ مِّنَ الشّٰهِدِيْنَ. فَمَنْ تَوَلّٰى بَعْدَ ذٰلِكَ فَاُولٰٓـئِكَ هُمُ الْفٰسِقُوْنَ.
অর্থ: আর (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি স্মরণ করুন ঐ সময়ের কথা) যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করলেন à বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন ভয়-ডর শূণ্য দুঃসাহসী। খুব দৌঁড়াতে পারতেন। একবার ‘মাররুজ জাহরান’ নামক স্থানে একটি খরগোশ তাড়া করে ধরে ফেলেন। অথচ উনার সমবয়সী ছেলেরা খরগোশটির পিছনে তাড়া করে ফিরে আসে। বড় হয়ে তিনি নিপুণ অশ্বারোহী ও দক্ষ তীরন্দাজ হন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের জন্য এবং শরীয়তে উনার প্রগাঢ় ইলিম (জ্ঞান) থাকার জন্য সমাজে উনার যথেষ্ট গুরুত্ব ছিলো। প্রতিটি মানুষ উনাকে সম্মান, শ্রদ্ধা ও মুহব্বত মুবারকের চোখে দেখতো। উনার ছাত্র প্রখ্যাত তাবেয়ী হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিছাল শরীফ:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিছাল শরীফ অর্থাৎ ওফাত শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তবে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ মতে হিজরী ৯৩ সনে তিনি ইন্তিকাল করেন এবং তখন উনার বয়স মুবারক হয়েছিলো ১০৩ বছর। (ইছাবা)
কারণ হিজরতের পূর্বে উনার বয়স মুবারক ছিলো ১০ বছর। (উসুদুল গাবা, সিয়ারু আলামিন নুবালা)
বিছাল শরীফের পূর্বে তিনি কয়েক মাস অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী ছিলেন। উনাকে দেখার জন্য উনার মুহব্বতকারী, ভক্ত-অনুরক্তদের ভীড় লেগেই থাকতো। দূর দূরান্তর থেকে দলে দলে লোকজন উনাকে এক নজর দেখার জন্য আসতো। বিছাল শরীফের সময় ঘনিয়ে আসলà বাকি অংশ পড়ুন...












