সম্পাদকীয়-২
সৌদি আরবের প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির সাথে বাংলাদেশের আরো জোরদার সম্পৃক্ততা তথা লেনদেন দরকার সৌদি আরব বাংলাদেশের অর্থনীতি একে অপরের বিশেষ পরিপূরক হতে পারে।
, ০৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দীর্ঘদিন যাবত সৌদি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী ছিলেন। পতিত জালিম সরকার বিষয়টি স্বীকার করলেও রহস্যজনক কারণে তাতে গা করেনি।
অথচ সৌদি আরবের অর্থনীতির জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতি পরিপূরক হতে পারে ।
শুধু জনশক্তি নয়, সৌদি আরবে বাংলাদেশি পণ্যের বিকল্প বাজার তৈরি সম্ভব। পাট, পাটজাত দ্রব্য, টেক্সটাইল, হালাল খাদ্যপণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ নানা খাতে তৈরি হয়েছে সম্ভাবনা। একই সঙ্গে ওষুধ, স্বাস্থ্য সহায়ক নানা পণ্যও জনপ্রিয় করা সম্ভব।
গত পরশু মঙ্গলবার রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট ২০২৫’। আয়োজন করেছে সৌদি আরব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসএবিসিসিআই)। এতে সৌদি আরব বাংলাদেশের অর্থনীতির সফল সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে উদঘাটিত হয়।
সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) ও বেসরকারি খাত বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে। কারণ বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদির সম্পর্ক এখন পর্যন্ত জ্বালানিনির্ভর। এর বাইরে শিল্প, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের বিশাল সুযোগ রয়েছে। ইসলামী দেশগুলোর মধ্যে আন্তঃবিনিয়োগ এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অনেক সম্ভাবনা আছে। বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাকশিল্প, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়া ও জুতা, প্লাস্টিক, ফার্মাসিউটিক্যালস প্রভৃতি পণ্য সৌদি আরবে রপ্তানি করতে পারে। বিপরীতে সৌদি আরব খনিজ ও রাসায়নিক পণ্য, এলএনজি, সার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সরবরাহ খাতে রপ্তানি ও বিনিয়োগ বাড়াতে পারে।
বাংলাদেশে প্রায় দুই লাখ তরুণ-তরুণী ফ্রিল্যান্সিং করছে। এ খাতে সৌদি ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের সুযোগ আছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিকে উন্মুক্ত ও উদারীকরণ করা হচ্ছে। ব্যবসা সহজ করা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের আর অফিসে দৌড়াতে হবে না, হয়রানির শিকার হতে হবে না।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে রপ্তানি হয়েছে ৩১০ মিলিয়ন ডলার এবং মোট দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য হয়েছে ২ বিলিয়ন ডলার। মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম অর্থনীতি সৌদি আরব বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিদেশী শ্রমবাজার হিসেবেই রয়ে গেছে, যেখানে তিন মিলিয়নের বেশি বাংলাদেশি কর্মরত।
বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো পুঁজিবাজারকে ‘ফ্রন্টিয়ার ইকোনমি’ থেকে ‘ইমার্জিং মার্কেট’-এ উন্নীত করা। এ ক্ষেত্রে সৌদি তহবিল বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এ ছাড়া শুধু জ্বালানি খাত বা বস্ত্র খাতেই নয়, আরও বহু খাতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
সৌদির প্রয়োজন দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিক। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছে। বাংলাদেশে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ আছে, যা একটি জনসংখ্যাগত সুবিধা। এমন সুযোগ এখন বিশ্বের অনেক দেশের নেই। বাংলাদেশের জ্বালানি দরকার, সৌদি আরবের রয়েছে বিপুল জ্বালানি সম্পদ। বাংলাদেশের বিনিয়োগ দরকার, সৌদি আরবের রয়েছে বিনিয়োগের সামর্থ্য। বাংলাদেশ বস্ত্র-পোশাকসহ অনেক পণ্য রপ্তানি করতে পারে, যা সৌদি আরবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সৌদি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আমাদের আর্থিক অবকাঠামো শক্তিশালী করতে হবে। সৌদি আরবের প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির সাথে সম্পৃক্ত হতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরো সমৃদ্ধ হওয়ার বিশাল সম্ভাবনা আছে ইনশাআল্লাহ। এজন্য নীতি স্থিরতা এবং যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা দরকার ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যা উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান নিসবতে আযীম শরীফ দিবস। একই সাথে জামিউল কুরআন, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন হযরত উছমান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং নবম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ও নকশ্বন্দিয়া তরীক্বার ইমাম হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশ্বন্দ বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুধু পরকালীন শাফায়াত ই একমাত্র চাওয়া পাওয়া নয়;
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শে নাগরিকদের সংশোধনের জন্য পাঠাতে হবে
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
“মুসলিম বিশ্ব যদি ডলারের পরিবর্তে নিজেদের মধ্যে ‘ইসলামী দিনার’ চালু করে, তবে তা পশ্চিমাদের জন্য পারমাণবিক বোমার চেয়েও বড় ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর জুলাই সনদের ৮ নং অনুচ্ছেদ খএইঞছ এর পরিপূর্ণ প্রতিফলন। তারপরেও ঈমান বিক্রী করে, ইসলামের ধ্বংস ডেকে তথাকথিত ইসলামী দল কী করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে? জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বি.এন.পির নির্বাচনী ইশতেহারে এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইসলামী অনুভূতির প্রতি সহযোগী মনোভাবের চরম খেলাফ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মুসলমান মায়েরা কেন সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়াতে গাফলতি করবে?
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মূল্যবৃদ্ধির চাপে পিষ্ট জনগণ উৎপাদন বৃদ্ধি নয়, শুধুমাত্র মধ্যস্বত্য ভোগী, তথা সিন্ডিকেট নির্মূলেই দ্রব্যমূল্য সুলভ করা সম্ভব।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বছরে সাশ্রয় করতে পারে ১ বিলিয়ন ডলার।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যাংক শোষণের কারণে শুধু একজন মালিকই নয় বা লাখ লাখ শ্রমিকই নয় বরং গোটা আর্থ-সামাজিক খাত হয় ক্ষত-বিক্ষত, বিপর্যস্ত, লা’নতগ্রস্ত, বেকারত্বে জর্জরিত।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












