ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (৭৩)
, ১০ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০১ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ১৬ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
সেটাই কিন্তু বলা হচ্ছে, এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ছলাত মুবারক পেশ করে যাচ্ছেন। এটা কিন্তু হযরত আবূ মাসউদ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ صَلّٰى صَلَاةً وَلَمْ يُصَلِّ فِيْهَا عَلَىَّ وَعَلٰى أَهْلِ بَيْتِيْ لَمْ تُقْبَلْ مِنْهُ.
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
مَنْ صَلّٰى صَلَاةً
কেউ যদি কোন নামায পড়ে দুই রাকায়াত, চার রাকায়াত, ছয় রাকায়াত, আট রাকায়াত, দশ রাকায়াত যাই পড়–ক।
وَلَمْ يُصَلِّ فِيْهَا عَلَىَّ وَعَلٰى أَهْلِ بَيْتِيْ
সে যদি উক্ত ছলাত উনার মধ্যে আমার প্রতি এবং আমার আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি পবিত্র ছলাত না পাঠ করে
لَمْ تُقْبَلْ مِنْهُ
তার এ নামায কোনদিন কবুল হবে না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি, উনার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি ছলাত না পাঠ করলে নামায কেন, কোন ইবাদত-বন্দেগী, দোয়াও কবুল হয়না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِنَّ الدُّعَاءَ مَوْقُوفٌ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ
নিশ্চয়ই দোয়া আসমান ও যমীনের মধ্যে ঝুলন্ত থাকে। দোয়াটা আসমান-যমীনের মাঝে ঝুলন্ত থাকে যতক্ষন পর্যন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ, ছলাত পাঠ না করা হয় দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় না। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কাজেই সেটা মহান আল্লাহ পাক তিনি জানিয়ে দিচ্ছেন যে, উনার শান-মান অর্থাৎ আমি যেটা আগেই বললাম, কালিমা শরীফ উনার যে নিসবত মুবারক যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিসবত মুবারক। ঠিক, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিসবত মুবারক সেটাই তিনি আবার এখানে দ্বিতীয়বার জানিয়ে দিলেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপর নাযিল করলেন-
إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللهَ وَرَسُولَهٗ لَعَنَهُمُ اللهُ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَأَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِينًا
ঠিক বিপরীত আবার বলে দিলেন। প্রথমতো বললেন ছলাত পাঠ করবে, উনারতো অনেক সম্মান, ফযীলত এছাড়া কোন উপায় নেই, ফরযে আইন। সমস্ত হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের জন্য ফরযে আইন। এরপর কি বললেন-
إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللهَ وَرَسُولَهٗ
নিশ্চয়ই যারা যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে কষ্ট দেয়, এদের কি হবে?
لَعَنَهُمُ اللهُ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ
তাদের ইহকাল পরকালে লা’নত রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
وَأَعَدَّ لَهُمْ عَذَابًا مُّهِينًا
এবং তাদের জন্য লাঞ্চিত শাস্তি তৈরি করে রাখা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! বিষয়টা কঠিন বিষয়। এখানে বলা হচ্ছে, যারা যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কষ্ট দিবে, তাদের কি হবে? তাদের জন্য ইহকাল পরকালে লা’নত তৈরী করে রাখা হয়েছে। লা’নত বর্ষণ করা হবে এবং পরকালে কঠিন লাঞ্চিত শাস্তিও তৈরী করে রাখা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ছদক্বাতুল ফিতর উনার অকাট্য দলীল (৪)
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৪৩)
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৫)
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মু’তাকিফ ব্যক্তি উনাদের জন্য তিনটি সুসংবাদ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ছদক্বাতুল ফিতর উনার অকাট্য দলীল (৩)
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র সূরা দুখান শরীফে বর্ণিত লাইলাতুম মুবারকাই হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত; যে রাত্রি মুবারকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় বিষয়সমূহের ফায়ছালা করা হয় (৭)
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












