ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১১১)
, ২২ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ আশির, ১৩৯৩ শামসী সন , ১২ মার্চ, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
চতূর্থ নম্বর আয়াত শরীফে বলা হচ্ছে, এখানে এরা আবার ঠিক একই ফিতনা সৃষ্টি করেছে।
إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, তারা এ পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনেক অর্থ করে থাকে। পবিত্র আয়াত শরীফ উনার অনেক রকম অর্থ করা যায়।
إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ
যদি আপনারা দু’জন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে তাওবা করেন।
فَقَدْ صَغَتْ قُلُوبُكُمَا
আপনাদের অন্তরটা রুজু হয়ে গেছে। এখানে এটার অর্থ অনেক। এরা এদের অন্তরে গালিজ থাকার কারণে তারা বলে থাকে, আপনারা যে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিমাস সালাম দু’জন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনাদের শান মুবারকে বলে যাচ্ছে, আপনারা যে অপরাধ করেছেন, এজন্য আপনারা তাওবা করেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! আপনাদের অন্তরটা গুনাহর দিকে রুজু হয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! একজন সাধারণ ওলীআল্লাহ উনার অন্তর গুনাহের দিকে রুজু হতে চায়না। আর উনাদের অন্তর রুজু হয়ে গেলো। নাউযুবিল্লাহ! এই যে বিষয়টা, এটা ফিকিরের বিষয়। সঠিক অর্থ হচ্ছে, আপনারা তো তাওবাহ করেছেন, অর্থাৎ আপনাদের অন্তর মুবারক যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে রুজু হয়ে রয়েছেন, উনার মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে রুজু হয়ে রয়েছেনই এবং আপনারাতো সেদিকে রুজু হয়েই এসেছেন। মানুষতো এটা বুঝতে পারে না, যার জন্য তারা এলোমেলো বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! আপনারা অবশ্যই মহাসম্মানিত যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে, উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে এবং আপনাদের অন্তরটা উনাদের দিকেই রুজু হয়ে রয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইিহ ওয়া সাল্লাম!
এরা তার বিপরীত অর্থ করে থাকে, যদি আপনারা তওবা করেন তাহলে আপনাদের অন্তরটা যে গুনাহের দিকে রুজু হয়ে গেছে, সেটা ফিরে আসবে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এটা চিন্তা করাওতো কাট্টা কুফরী হবে। একটা সাধারণ মু’মিন মুসলমান সে নিজেই গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে। আর উনাদের মাক্বাম কোথায়? উনাদের ফযীলত মুবারক পরবর্তী পবিত্র আয়াত শরীফে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন। এরপর বলা হচ্ছে,
وَإِن تَظَاهَرَا عَلَيْهِ فَإِنَّ اللهَ هُوَ مَوْلاهُ وَجِبْرِيلُ وَصَالِحُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمَلائِكَةُ بَعْدَ ذٰلِكَ ظَهِيرٌ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন-
وَإِن تَظَاهَرَا عَلَيْهِ
বলা হচ্ছে যে, আপনারা উভয়ে পরস্পরে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দান করুন। মানুষ যেটাই বলুক মানুষের কথা অশুদ্ধ, ভুল। তারা আপনাদেরকে চিনতে পারেনি। কাজেই আপনারা আঞ্জাম মুবারক দিয়ে যান। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
কিন্তু এরা বলে থাকে এদের আক্বীদাতে ত্রুটি থাকার কারণে অর্থাৎ এদের আক্বীদাতে ত্রুটি রয়ে গেছে। তাই তারা বলে থাকে আপনারা যদি দুইজনে মিলে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইিহ ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! তাহলে কিন্তু আপনারা জেনে রাখবেন,
فَإِنَّ اللهَ هُوَ مَوْلاهُ
নিশ্চয়ই যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মালিক, বন্ধু।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ছদক্বাতুল ফিতর উনার অকাট্য দলীল (৪)
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৪৩)
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৫)
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মু’তাকিফ ব্যক্তি উনাদের জন্য তিনটি সুসংবাদ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত হানাফী মাযহাবে ছদক্বাতুল ফিতর উনার অকাট্য দলীল (৩)
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র সূরা দুখান শরীফে বর্ণিত লাইলাতুম মুবারকাই হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত; যে রাত্রি মুবারকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় বিষয়সমূহের ফায়ছালা করা হয় (৭)
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া কবীরা গুনাহ
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১২)
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












