হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক সম্পর্কে ছাহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ (২৫৬)
, ১৮ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ০৯ ছানী ‘আশির, ১৩৯০ শামসী সন , ০৯ মে, ২০২৩ খ্রি:, ২৬ বৈশাখ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
আমাদের পত্রিকায় দেয়া হয়েছে কতগুন শাস্তি হবে। তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে চূ-চেরা কিল ও কাল করার সুযোগটা কোথায়। এখানে স্পষ্ট বলতে হবে যে আমরা এ বিষয় কিছু জানি না। আর যদি জানো তাহলে যতটুক জানো ততটুকু বলবে এর বাইরে বলতে পারবে না। পিতা-মাতার হক্বতো সব বলে দেয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কোন বাদ দেয়া হয়নি। সাধারণ পিতা-মাতার হক্ব এতটুকু তাহলে উনাদের সম্মান, ফযীলত কতটুকু। তাহলে উনাদের শান মুবারকে কিভাবে কথা বলতে হবে এটা মানুষের জানা নাই আদব শরাফত। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের যতটুকু বলা হয়েছে ঠিক ততটুকু বলতে হবে এর বাইরে বলা যাবে না। এর বাইরে বলতে গেলে সে ভুল করবে তার ঈমান নষ্ট হবে। হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদেরকে মুহব্বত করলে যেমন জান্নাতে যায় বিপরীত করলে সে জাহান্নামে যাবে। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে,
وَ لَوْ أَنَّ رَجُلًا صَفَنَ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ فَصَلَّى وَصَامَ، ثُمَّ لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ يُبْغِضُ أَهْلَ بَيْتِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ النَّارَ
যেটা বলা হচ্ছে,
وَ لَوْ أَنَّ رَجُلًا
যদি কোন লোক
صَفَنَ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ
মাকামে ইবরাহীম ও রুকনে ইয়ামীন এর মধ্যে সে আজীবন দাঁড়ায়ে থাকে, মুহব্বত ও মা’রিফত হাছীলের জন্যে।
فَصَلَّى وَصَامَ،
এখানে দাঁড়ায়ে থাকে সে নামায পড়ে রোযা করে সব করে। সব করে সে আজীবন, শুরু থেকে শেষ।
ثُمَّ لَقِيَ اللَّهَ
অতপর সে মারা যায়। তার ইন্তেকাল হলে কোথায় যাবে সে?
وَهُوَ مُبْغِضٌ لأَهْلِ بَيْتِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
সে আহলু বাইতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিরোধী। নাউযুবিল্লাহ!
دَخَلَ النَّارَ
সে জাহান্নামী হবে। নাউযুবিল্লাহ! একটা লোক জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত হাজরে আসওয়াদ, মাক্বামে ইবরাহীম, রুকনে ইয়ামীন এই সমস্ত জায়গায় সে থাকলো। নামায-কালাম পড়লো, সে সব করলো হজ্জ যাকাত সব করলো অতপর সে মারা গেল। সে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিদ্বেষী ছিলো। কোথায় যাবে তাহলে? জাহান্নামে। নাউযুবিল্লাহ!
সংকলনে-সাইয়্যিদ শাবীব আহমদ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৪)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে নিজে পর্দা করে না ও অধীনস্থদের পর্দা করায় না সে দাইয়ূছ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (৮)
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মসজিদে ইবাদত করতে বাধা দেয়া বা মসজিদ উচ্ছেদ করা কুফরী
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র সূরা দুখান শরীফে বর্ণিত লাইলাতুম মুবারকাই হচ্ছে পবিত্র শবে বরাত; যে রাত্রি মুবারকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় বিষয়সমূহের ফায়ছালা করা হয় (৬)
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অসংখ্য হাদীছ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত- প্রাণীর ছবি হারাম
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (৭)
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ক্বমীছ বা জামা নিছফে সাক্ব পর্যন্ত প্রলম্বিত হওয়া সম্মানিত সুন্নত মুবারক
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












