ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয (২০)
, ০৪ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৯ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৮ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ০৩ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
কাজেই, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব তিনি যেহেতু বলেছেন, এই দু’ঈদ ব্যতীত আরো ঈদ রয়েছে। তাহলে সেটাকে মানতে হবে। সেটাকে অস্বীকার করলে সেটাও কুফরী হয়ে যাবে। এই হাদীছ শরীফের দ্বারা সেটাও ছাবিত হয়েছে। এই হাদীছ শরীফসহ আরো হাদীছ শরীফে রয়েছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন ও তাকীদ করেন যে হাদীছ শরীফের কত গুরুত্ব রয়েছে,
عَنِ الْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَىٰ عَنْهُ قَالَ: قَامَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: أَيَحْسَبُ أَحَدُكُمْ مُتَّكِئًا عَلٰى أَرِيكَتِهِ، يَظُنُّ أَنَّ اللهَ لَمْ يُحَرِّمْ شَيْئًا إِلَّا مَا فِي هٰذَا الْقُرْآنِ؟ أَلَا وَإِنِّي وَاللهِ قَدْ أَمَرْتُ وَوَعَظْتُ وَنَهَيْتُ عَنْ أَشْيَاءَ، إِنَّهَا لَمِثْلُ الْقُرْآنِ أَوْ أَكْثَرُ
হযরত ইরবায ইবনে সারিয়া রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহু বলেন,
قَامَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: أَيَحْسَبُ أَحَدُكُمْ مُتَّكِئًا عَلٰى أَرِيكَتِهِ
একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মধ্যে দাঁড়ালেন এবং বললেন, তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার গদিতে হেলান দিয়ে এ কথা মনে কর? তোমরা কি এটা ধারনা কর?
يَظُنُّ أَنَّ اللهَ لَمْ يُحَرِّمْ شَيْئًا إِلَّا مَا فِي هٰذَا الْقُرْآنِ
তোমরা কি এই আক্বীদা বা ধারণা পোষণ কর? যে, মহান আল্লাহ পাক যা কিছু হালাল-হারাম করার সেটা কুরআন শরীফেই করেছেন। এর বাইরে মহান আল্লাহ পাক তিনি কিছুই হারাম-হালাল করেননি।
أَنَّ اللهَ لَمْ يُحَرِّمْ شَيْئًا إِلَّا مَا فِي هٰذَا الْقُرْآنِ
পবিত্র কুরআন শরীফ ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্য কোথাও কোন জিনিষ হালাল-হারাম করেননি। তোমরা কি এ ধারণা পোষণ কর?
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজ থেকে এ কথা বলতেছেন, তোমরা কি এই আক্বীদা পোষণ কর?
এই আক্বীদা পোষণ করো না
أَلَا وَإِنِّي وَاللهِ قَدْ أَمَرْتُ وَوَعَظْتُ وَنَهَيْتُ عَنْ أَشْيَاءَ، إِنَّهَا لَمِثْلُ الْقُرْآنِ أَوْ أَكْثَرُ
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলতেছেন, অনেক তাকীদ করে الا সাবধান হয়ে যাও وَإِنِّي নিশ্চয়ই, আমি وَاللهِ মহান আল্লাহ পাক উনার কসম !
أَلَا وَإِنِّي وَاللهِ قَدْ أَمَرْتُ وَوَعَظْتُ وَنَهَيْتُ عَنْ أَشْيَاءَ، إِنَّهَا لَمِثْلُ الْقُرْآنِ أَوْ أَكْثَرُ
সাবধান হয়ে যাও, সতর্ক হয়ে যাও নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার কসম আমি যা আদেশ করে থাকি, নিষেধ করে থাকি, ওয়ায করে থাকি, উপদেশ দিয়ে থাকি।
إِنَّهَا لَمِثْلُ الْقُرْآنِ أَوْ أَكْثَرُ
নিশ্চয়ই, আমার আদেশ, আমার নিষেধ, আমার ওয়ায, আমার নছীহত, আমার প্রতিটি কথা তোমাদের কাছে কুরআন শরীফের অনুরূপ। সুবহানাল্লাহ। ক্ষেত্র বিশেষে তার চাইতেও গুরুত্ব রাখে। সুবহানাল্লাহ। আবু দাউদ শরীফের হাদীছ।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ক্বওল হাদীছ শরীফ। অনেক কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, তোমরা কি এটা ধারণা কর? শুধু কুরআন শরীফেই হারাম-হালাল করা হয়েছে আর অন্য কোথাও কর হয়নি। না, আমি যেটা বলে থাকি, আমি যেটা আদেশ করে থাকি, ওয়ায করে থাকি, নিষেধ করে থাকি তার প্রতিটা বিষয়
إِنَّهَا لَمِثْلُ الْقُرْآنِ নিশ্চয়ই কুরআন শরীফেরই মত। কুরআন শরীফকে যেভাবে তোমরা মেনে থাক। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীবকে সেভাবে তোমরা মানবে। বরং তার চেয়ে বেশী গুরুত্ব দিবে। أَوْ أَكْثَرُ বরং তার চেয়ে বেশী গুরুত্ব দিবে। কেননা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাদীছ শরীফকে কেউ যদি গুরুত্ব না দেয় তাহলে সে কুরআন শরীফ মানতে পারবে না। এখন কুরআন শরীফ আমরা কোথায় পেলাম? কে কুরআন শরীফ আমাদেরকে দিয়েছেন? মহান আল্লাহ পাক তিনি কি সরাসরি আমাদেরকে কুরআন শরীফ দিয়েছেন? না আমাদের উপর নাযিল করেছেন? এই আক্বীদা কেউ যদি পোষণ করে, সে কাট্টা কাফির, সেই কাদিয়ানী, সেই মুনাফিক, সে খারিজী, রাফিজী, মু’তাজিলা, ওহাবীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ সংখ্যা ৬,৬৬৬। আর এ মতটি বহুল প্রচলিত, মশহূর ও গ্রহণযোগ্য (১)
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করলে তা দিগুণ-বহুগুণে বৃদ্ধি করে ফিরিয়ে দেয়া হয়
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঈমানী কুওওয়াত বা শক্তি বৃদ্ধিকারী কতিপয় ঘটনা
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বেপর্দা হওয়া শয়তানের ওয়াসওয়াসাকে সহজ করার মাধ্যম
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (২৬)
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঈমানী কুওওয়াত বা শক্তি বৃদ্ধিকারী কতিপয় ঘটনা
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












