মহাসম্মানিত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ সংখ্যা ৬,৬৬৬। আর এ মতটি বহুল প্রচলিত, মশহূর ও গ্রহণযোগ্য (১)
, ০৪ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৯ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৮ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ০৩ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম মুবারক হচ্ছেন পবিত্র কুরআন শরীফ। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে একশত চৌদ্দখানা পবিত্র সূরা শরীফ রয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার সূরা শরীফগুলো বিভিন্ন সংখ্যার আয়াত শরীফ দ্বারা গঠিত। যার সর্বনি¤œ সংখ্যা ৩ এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা ২৮৬।
পবিত্র কুরআন শরীফে যা নাযিল হয়েছে তার পুরোটাই সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছেছে। কোনো প্রকার ইফরাত-তাফরীত বা কম-বেশী হওয়া ব্যতীত। কেউ যদি এই বিষয়ে কোনো প্রকার সন্দেহ করে তাহলে সেটা কুফরী হবে, তার ঈমান নষ্ট হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
তবে পবিত্র কুরআন শরীফে মোট কতখানা পবিত্র আয়াত শরীফ রয়েছেন এটা নিয়ে বিভিন্ন মতানৈক্য রয়েছে। আর এই মতানৈক্যের কারণ হলো কেউ ছোট কয়েকখানা আয়াত শরীফ মিলিয়ে বড় একখানা আয়াত শরীফ গণনা করেছেন। আবার কেউ বড় একখানা আয়াত শরীফকে ওয়াক্বফ ও অর্থের দিকে খেয়াল করে একাধিক আয়াত শরীফ গণনা করেছেন।
কিন্তু এতে করে নাযিলকৃত পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে কোনো কম-বেশী হয়নি। পবিত্র আয়াত শরীফ নিয়ে মতানৈক্যের কারণে পবিত্র কুরআন শরীফ পরিবর্তিত ও পরিবর্ধ্বিত হয়েছে এই আক্বীদাহ পোষণ করা কাট্টা কুফরী। নাঊযুবিল্লাহ!
কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ হিফাযতের দায়িত্ব স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَاِنَّا لَه لَحَافِظُوْنَ
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি পবিত্র কুরআন শরীফ (ধাপে ধাপে বা পর্র্যায়ক্রমে) নাযিল করেছি এবং আমি নিজেই উনার হিফাযতকারী। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হিজর : আয়াত শরীফ ৯)
বহুল প্রচলিত, মশহূর এবং সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য-শক্তিশালী মতে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আয়াত শরীফ সংখ্যা ৬,৬৬৬। আর এটা হলো মহাসম্মানিত উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বর্ণনা।
আর বর্তমানে আমাদের মাঝে প্রচলিত পবিত্র কুরআন শরীফ রয়েছে সেখানে ৬,২৩৬ খানা আয়াত শরীফ রয়েছে। এটা হচ্ছে কূফী মত। যা মূলত চতুর্থ খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার ইজতিহাদ ও গণনা।
এখানে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, এই দুটি বর্ণনা ছাড়া আরও যেসব বর্ণনা রয়েছে সেগুলো ঢালাওভাবে ভুল বলার কোনো সুযোগ নেই। কারণ সবগুলো বর্ণনাই কোনো না কোনো হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের থেকেই বর্ণিত হয়েছে। আর উনাদের কোনো বিষয়কে ভুল বলা ঈমান নষ্ট হওয়ার কারণ।
তবে পরিতাপের বিষয় হলো : অনেক বক্তা ও লেখককে দেখা যায় তারা ৬,৬৬৬ খানা আয়াত শরীফ উনার এই বর্ণনাকে ভুল বলে প্রচার করছে এবং এই সংখ্যাকে অস্বীকার করে বসছে। নাঊযুবিল্লাহ! যা সুস্পষ্ট সত্যকে অস্বীকার করার শামিল।
-মুহম্মদ ইমামুল হুদা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
প্রাণীর ছবি তোলা কবীরা গুনাহ ও অসন্তুষ্টির কারণ
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় খরচ করলে তা দিগুণ-বহুগুণে বৃদ্ধি করে ফিরিয়ে দেয়া হয়
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঈমানী কুওওয়াত বা শক্তি বৃদ্ধিকারী কতিপয় ঘটনা
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বেপর্দা হওয়া শয়তানের ওয়াসওয়াসাকে সহজ করার মাধ্যম
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আল হাদিয়্যাতুল ইলাহিয়্যাহ ফী সীরাতি হাবীব ওয়া মাহবূবিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (২৬)
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঈমানী কুওওয়াত বা শক্তি বৃদ্ধিকারী কতিপয় ঘটনা
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












