মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ কেন শুধু সৌদি আরবের খিদমত জিম্মায় থাকবে ? (৩)
, ২০ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২৯ আউওয়াল, ১৩৯২ শামসী সন , ২৭ জুন, ২০২৪ খ্রি:, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) আপনাদের মতামত
লক্ষ্য করুণ, হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব রদ্বিয়াল্লাহু হতে বর্ণিত আছে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন- আমি ইহুদী ও নাসারাদের আরব উপদ্বীপ হতে অবশ্যই বহিষ্কার করব। মুসলিম ব্যতীত অন্য কাউকে সেখানে বসবাস করতে দিব না। [সহীহ আবূ দাউদ, মুসলিম]
আখেরী নবী হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সেই পবিত্র আদেশ হযরত উমর ইবনুল খাত্তাব আলাইহিস সালাম নিজ খিলাফত আমলে বাস্তবায়ন করেন।
অথচ সৌদ পরিবার সেই আদেশ লঙ্ঘন করে কাফির-মুশরিক, ইহুদী-খ্রিস্টানদের নিয়ে আসছে আরব উপদ্বীপে এবং সেখানে তাদের অবাধে হারাম কাজ করার সুযোগ করে দিচ্ছে। সৌদ পরিবার যদি পবিত্র স্থানের হুরমত বা সম্মান নাই রক্ষা করতে পারে, বরং খিয়ানত করে, তবে তাদের জিম্মায় পবিত্র স্থান রাখা কতটুকু যুক্তিযুক্ত?
উল্লেখ্য, বর্তমানে সৌদি বাদশাহ সালমানের নেতৃত্বে একটি কাউন্সিল দুই পবিত্র মসজিদের দায়িত্ব পালন পালন করছে। কিন্তু এই দায়িত্ব কেন সৌদি বাদশাহ বা তার অধিনস্ত কাউন্সিলের একার থাকবে? মক্কা শরীফ ও মদীনা শরীফ বিশ্বের সকল মুসলিমের অধিকার। মুসলিম দেশগুলোর সমন্বিত কোন কাউন্সিল দুই পবিত্র মসজিদের খিদমতের আঞ্জাম দিতে পারে। কিন্তু একক ভাবে সৌদি সরকার কিংবা বাদশাহের কাউন্সিল তার দখল নিয়ে রাখতে পারে না।
আরো উল্লেখ্য, আগে মুসলিম জাহানের খলিফা বা সুলতান থাকতেন দুই পবিত্র মসজিদের প্রধান খিদমতের দায়িত্বে। কিন্তু সৌদি শাসক তো খলিফা নয়, সে একটা মাত্র দেশের রাজা। একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি এ পবিত্র পদে থাকলে সেই পদটি রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হতে পারে, যা ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য ভয়ঙ্কর। তাই দুই পবিত্র মসজিদের খাদেমের পদটি অবশ্যই রাজনীতির উপরে রাখা উচিত।
সুতরাং সৌদি শাসক কর্তৃক এককভাবে পবিত্র দুই পবিত্র মসজিদের দায়িত্ব ধরে রাখা কখনই ন্যায্য হতে পারে না। তাই দুই পবিত্র মসজিদের খিদমতের জিম্মা পৃথিবীর সকল মুসলমানদের পক্ষ থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোন কাউন্সিলকেই দিতে হবে, এমন দাবী তোলা পৃথিবীর সকল মুসলমানের দায়িত্ব হয়ে দাড়িয়েছে।
-মুহম্মদ গোলাম সামদানি।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ঈমানি চেতনা ও জাতীয় ঐতিহ্যের ওপর বিভৎস আঘাত
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
নারিকেল গাছই ‘শেষ ভরসা’ বিলুপ্তপ্রায় বাবুই পাখির
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশের বুকে বিদেশি গোয়েন্দার ছায়া আর নয় শৈথিল্য, এখনই চাই কঠোর পদক্ষেপ
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সত্যের কণ্ঠরোধ ও নিম আহমেদ: হঠকারী অভিযানের পরিনাম শুভ হতে পারে না
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মুসলিম তরুণীদের জীবন নিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ‘লাভ ট্র্যাপ’: ঘাতক চক্রের বিষদাঁত এখনই উপড়ে ফেলতে হবে
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ও অপপ্রচারের নিকৃষ্ট কার্যক্রম: মুশরিকদের আস্ফালন কি চলতেই থাকবে?
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উচ্চ আদালতে ‘ডেড ল’ বা অকার্যকর ঘোষিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি ১৯০০’ পুণঃবহালের অপচেষ্ঠা চলছে। এর মাধ্যমে পাহাড়কে উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা, ‘একদেশে দুই আইন’ ও পাহাড়ে রাজা-প্রজা প্রথা বহাল, বাঙ্গালী ও রাষ্ট্রের ভূমি অধিকার হরণ এবং সেনা প্রত্যাহার সহ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিচ্ছিন্নের গভীর ষড়যন্ত্র চলমান। উচ্চ আদালত, সেনাবাহিনী এবং সরকারের উচিত দেশবিরোধী এই চক্রান্ত ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া। (১)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
একাত্তর-পরবর্তী লুণ্ঠন: বন্ধুত্বের আড়ালে ইতিহাসের এক ট্র্যাজিক অধ্যায়
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ে দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ: অর্ধেক বেলা মসজিদ বন্ধ রাখা অনভিপ্রেত ও অগ্রহণযোগ্য
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাগেরহাটে নওমুসলিম সোহাগের শাহাদাত এবং আমাদের বিবেকহীন নীরবতা
২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ফুটপাতের হাড়কাঁপানো আর্তনাদ ও রাষ্ট্রের বিলাসিতা- উদ্বাস্তু শিশুদের কান্নায় কি পবিত্র আরশ উনার পায়া কাঁপছে না?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ২টি শ্রেণীকে আগে শুদ্ধ হতে হবে
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












