ভারতের আগ্রাসান বহুর্মুখী। যুবসমাজকে ধ্বংস করার জন্য এদেশে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার করছে।
কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধের উজ্জীবনের মাধ্যমেই দেশ যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে।
, ২০ মুহররম শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৭ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৬ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ২২ আষাঢ়, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দেশের মাদকের সমস্যা ‘প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আরোপিত মাদকের যুদ্ধ’ কি না, এ প্রশ্ন এখন জোরদার।
দেশের যুবসমাজকে বিপথে নিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্র মাদক প্রবেশের অপচেষ্টায় রয়েছে বলে ৩রা জুলাই অভিযোগ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এনসিপি এমপি প্রশ্ন করেছেন, ‘আমাদের এ মাদকের সমস্যাটা একপ্রকারে সো-কলড (কথিত) প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আরোপিত মাদকের যুদ্ধ কি না? যে রকম আমরা আফিমের যুদ্ধের সময় পড়েছি, সে রকম একটা মাদকের যুদ্ধ কি না, আমাদের তরুণ প্রজন্মকে মাদকে বুঁদ করে এ দেশের মার্কেট দখল করা।’
বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি। এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে ৩০টির। মিয়ানমারের সঙ্গে জুড়ে আছে তিনটি জেলা। রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সঙ্গে ভারত-মিয়ানমার উভয়ের সীমান্ত রয়েছে। এসব সীমান্তই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে মাদক বিস্তারের।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তথ্য বলছে, দেশের ২৯টি সীমান্তবর্তী জেলার ১৬২টি রুট দিয়ে দেশে দেদারছে প্রবেশ করছে মাদক। দেশের সীমান্তগুলো হয়ে উঠছে মাদকের অন্যতম রুট। এসব রুটের কারণেই মাদক নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে উঠছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নিত্যনতুন কৌশলে ইয়াবা, আইস, হেরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজা, টপেন্টাডল, কোকেনের মতো ভয়াবহ মাদক সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
ধনাঢ্যদের সন্তানদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এলএসডি, আইসের মতো পশ্চিমা মাদকগুলো। একই সঙ্গে হেরোইন প্রবেশের শঙ্কা বাড়িয়েছে মিয়ানমারের পাহাড়ি অঞ্চলে পপি চাষ বৃদ্ধি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বড় গলায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলা হলেও বাস্তবে তাদের প্রভাবশালী মহলই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে অনেকটা আড়ালে চলে যায় মাদকের সেই প্রভাবশালী মহল। কিন্তু বর্তমানে ঠিকই ক্ষমতাসীন বিভিন্নভাবে এই কারবারের নেতৃত্বে চলে এসেছে।
স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার। মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে বাংলাদেশের অগ্রগতিকে থামিয়ে দেওয়া তেমনই একটি ষড়যন্ত্র।
দেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ মাদক সেবন করে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধের ধরন বদলে গেছে। এখন অনলাইনে মাদক কেনাবেচা হচ্ছে, সেই অর্থ অবৈধ পথে পাচার হচ্ছে এবং মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সম্পদ অর্জন করা হচ্ছে।
একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির মাদক সেবনে বছরে খরচ হয় ৫৬ হাজার ৫৬০ টাকা থেকে ৯০ হাজার ৮০০ টাকা। সে হিসাবে ১ কোটি মাদকসেবীর পেছনে বছরে ব্যয় প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা।
প্রসঙ্গত আমরা মনে করি, মাদকের বিরুদ্ধে এখনই রাষ্ট্রীয়ভাবে জিহাদ ঘোষণা না করা হলে দক্ষিণ আমেরিকা, মেক্সিকো এবং ভেনেজুয়েলার দুর্ধর্ষ ড্রাগ সাম্রাজ্যের মতো পরিস্থিতি বাংলাদেশেও গড়ে উঠতে পারে। তখন এদের নিয়ন্ত্রণ করাও কঠিন হয়ে পড়বে। সরকারের উচিত, এ বিষয়ে এখনই কঠোর থেকে কঠোরতর পদক্ষেপ গ্রহন করা।
আর এগুলো তখনই সম্ভব হবে যখন এসব কর্মকান্ড সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে করা হবে। শুধু আইন দিয়ে যে মাদকের বিস্তার রোধ করা যায়না এটা কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছিলো। তাই সর্বপ্রথম দেশের মানুষের মধ্যে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার আলোকে মাদকবিরোধী চেতনার প্রচার ও প্রসার করা। এতে করে দেশ থেকে নিত্যনতুন মাদকসহ প্রায় সব মাদকই নির্মূল হবেই ইনশাআল্লাহ!
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, বিনতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাধারণ মুসলিম শুধু ফিলিস্তিন-কাশ্মীরের প্রতি সহানুভূতিতেই সীমাবদ্ধ
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ভয়াবহ নীরব দুরারোগ কিডনী রোগ একদিকে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা, অপরদিকে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যায়
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জ্বল
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
যা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল খ¦মিসাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
গত ১১ বছরে মানচিত্রের অন্তর্ভূক্তি ছাড়া ছিটমহলবাসীর জীবন জীবিকার কিছুই উন্নয়ন হয়নি।
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামের শত্রু, মুসলমানের শত্রু মুসলিম বিশ্বের শত্রু, বাংলাদেশের শত্রু ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জনরোষের অনল দাউ দাউ জ্বলছে।
০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
চার বছর ধরে ঝুলে আছে খেলাপী ঋণ কমানের উদ্যোগ। খেলাপী ঋণের প্রভাবে মুদ্রাস্ফীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ না পাওয়া, কর বৃদ্ধি, অর্থ পাচার সহ জনদুর্ভোগের উত্তাপে উত্তাল হতে পারে দেশ।
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মাত্র কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশে বিস্তীর্ণ ভূমি, প্রাকৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হবে উত্তরবঙ্গের জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্থ হবে, সর্বোপরি ভারতের হাতে যাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের কুঠার।
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মাত্র কয়েক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশে বিস্তীর্ণ ভূমি, প্রাকৃতিক বৈচিত্র নষ্ট হবে উত্তরবঙ্গের জনজীবন ও অর্থনীতি বিপর্যস্থ হবে, সর্বোপরি ভারতের হাতে যাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাতের কুঠার।
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












