সম্পাদকীয়-১
বাজারে ভয়ংকর ঘন চিনি মিথ্যা ঘোষণায় আসছে আমদানি নিষিদ্ধ ঘন চিনি পুরুষত্বহানি, মূত্রাশয়ে ক্যান্সারের তথা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর এই ঘন চিনি বন্ধে সরকারকে এখনি জিহাদ ঘোষণা করতে হবে
, ২৬ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৭ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ০২ ফাল্গুন, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
খুশির যে কোন সংবাদে অথবা ঘরে আসা অতিথিকে মিষ্টি দ্রব্য না দিলে যেন বিষয়টি পূর্ণতা পায় না। মিষ্টি যেন থাকতেই হয়। আর সেই মিষ্টি যদি হয় বিষাক্ত! তাহলে মিষ্টির বিষাক্ততায় দেশের মানুষ আক্রান্ত হতে পারে মরণঘাতি ক্যান্সারসহ অনেক জটিল রোগে। একটি অসাধু চক্র অল্প খরচে অতি লাভের আশায় রসগোল্লা, সন্দেশ, আইসক্রিম, দই, কেক, বেভারেজ, জুস, চকোলেট বেকারি বিস্কিটসহ মিষ্টি জাতীয় নানা উপকরণে স্বাদ আনার জন্য তাতে ঘন চিনি মেশাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে প্রকাশ, এই ঘন চিনিই হচ্ছে ভয়ঙ্কর বিষাক্ত যৌগ সোডিয়াম সাইক্লামেট। মিষ্টি জাতীয় খাবারে এ ঘন চিনি মিশালে ভোক্তার শরীরে মরণঘাতি ক্যান্সারসহ হতে পারে কিডনি বিকল, হজম শক্তি হ্রাস, হৃদরোগ, প্রেসারসহ নানা জটিল রোগ। বাংলাদেশ সরকার এই ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) আমদানিও বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু তাতে থেমে নেই সোডিয়াম সাইক্লামেট বা ঘন চিনির আমদানি। এখন নাম পরিবর্তন করে আমদানি করা হচ্ছে এই মরন যৌগ।
জানা গেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশে এই বিষাক্ত ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেট) ব্যবহারের প্রবণতা ভয়ঙ্কর আকার ধারন করেছে। ভয়ঙ্কর বিষাক্ত ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেটের) সাধারন চিনির চেয়ে ৫০ গুণ বেশি মিষ্টি। অর্থাৎ, যেখানে ৫০ কেজি চিনি যতটা মিষ্টি স্বাদ আনতে পারে, সেখানে মাত্র ১ কেজি ঘন চিনি (সোডিয়াম সাইক্লামেটের) পক্ষেই খাবারকে ততটা মিষ্টি করে তোলা সম্ভব। এই মারাত্মক বিষাক্ত সোডিয়াম সাইক্লামেট শরীরে ঢুকেই তা নানা বিষক্রিয়া শুরু করে।
এই সার স্বাদহীন দাম মাত্র ১৫ থেকে ২০ টাকা প্রতি কেজি। তাই ঘন চিনিতে মিশে গিয়েও স্বাদের কোনও বদল ঘটায় না। ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ঘন চিনি। আর ম্যাগনেসিয়াম সালফেট মেশানো ভেজাল ঘন চিনি ১৫০ টাকা কেজি। তাই অনেক মিষ্টি এবং বেকারি ব্যবসায়ী অজান্তে ঝুঁকেছেন ভেজাল ঘন চিনির দিকে। ফলে মিষ্টি, পাউরুটি, কেক, কনডেন্সড, মিল্ক, আইসক্রিমের সঙ্গে শরীরে ঢুকে পড়ছে মারাত্মক বিষ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘনচিনি ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে, মানব হৃৎপি-ের গোশতপেশি শক্ত হয়ে যায়; এছাড়া পুরুষত্ব হানিও ঘটতে পারে। বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে দেশে ২০০৬ সালে ঘনচিনির আমদানি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য ১৯৬০ সালে এবং যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬৯ সালে ঘনচিনির ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের দেশে এই ক্ষতিকর পণ্য যারা আমদানি করছে, তাদের শাস্তি হওয়া যেমন জরুরি, তেমনই জরুরি শনাক্ত হওয়ার পরও যাদের কারণে তা খালাস হয়ে দেশের বাজারে ঢুকছে, তাদেরও শাস্তি হওয়া। তবে তদন্ত কমিটি আলোচ্য জালিয়াতির ঘটনায় কাস্টমস কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা পায়নি। পুরো ঘটনাকে অ্যাসাইকুডা সিস্টেমের দুর্বলতা এবং ‘মস্তিষ্কের সীমাবদ্ধতা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের কথা হলো, ঘনচিনি খালাস হওয়ার পেছনে যদি সিস্টেমের কোনো দুর্বলতা কাজ করে থাকে, তাহলে সেই দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার ব্যবস্থা নিতে হবে যে কোনো উপায়ে এবং অবিলম্বে। তা না হলে এভাবে আরও অনেক ক্ষতিকর পণ্য দেশের বাজারে ছড়িয়ে পড়বে।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
তুরস্ক বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রতিরক্ষা পণ্য উৎপাদনকারী দেশ। তুরস্কের সামরিক বাহিনী বেশ আধুনিক, ফলে দেশটি থেকে প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং সমরাস্ত্র কেনা---দু'দিক থেকেই লাভবান হতে পারে বাংলাদেশ।
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশকে বাঁচানোর দেশকে আগানোর কারিগর রেমিটেন্স যোদ্ধাদের- “অতিরিক্ত ব্যায়, সুরক্ষার অভাব সহযোগিতার অভাব” এসব অভিযোগ আর কত শুনতে হবে? অকৃতজ্ঞ সরকার কৃতঘœ তকমাই পছন্দ করবে?
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রসঙ্গঃ স্বদেশের প্রতি মুহব্বত দাবিদার মুসলমান এবং স্বদেশের প্রতি আঘাত।
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
জাতিসংঘ ঘোষিত সার্বজনীন মানবাধিকার আসলে পশু প্রবৃত্তি চরিতার্থের অধিকার। জাতিসংঘ মানবাধিকার সনদ এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘ কমিশনের কার্যালয় দুটোই চরম ঘৃণা ও ধিক্কারের সাথে পরিত্যাজ্য ও প্রত্যাখান যোগ্য। এদের প্রতিহত করা ঈমানী দায়িত্ব। জিহাদী কর্তব্য। যে জিহাদে গাজী হওয়ার বিকল্প নেই- ইনশাআল্লাহ।
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশে সাড়ে ৩ কোটি শুধু শিশুই সিসার বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত এবং সব প্রাপ্ত বয়স্করাও ক্ষতিগ্রস্ত সিসার ক্ষতি থেকে বাঁচতে সুন্নতী তৈজসপত্র ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রের জিনিস ক্রয়ে নিবেদিত হতে হবে ইনশাআল্লাহ
১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ব্যাপকভাবে বাড়ছে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি ও হয়রানী জান-মাল এবং সম্মান হিফাজতে সরকারকে এখনি পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ইনশাআল্লাহ!
১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দেশের ফসলী জমিতে কমছে জৈবসারের ব্যবহার, বাড়ছে রাসায়নিক সার। সরকারের উচিত আইন করে জৈবসার ব্যবহার ও জৈবসারের জন্য প্রয়োজনীয় ভর্তুকি-প্রণোদনা প্রদান করা।
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অন্যসব কিছুর চেয়ে গ্রন্থাগারের বিস্তার ও মান উন্নয়নে স্মার্টলি কাজ করতে হবে ইনশাআল্লাহ
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
শিশু কিশোরদের মাঝে ডায়াবেটিসের প্রকোপ ভয়াবহ এবং মারাত্মক ঝুকিপূর্ণভাবে বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিরোধে জরুরীভাবে নজর দেয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
রাষ্ট্রযন্ত্রের ব্যর্থতা শিশুরাও এখন মাদকের বাহক, ক্রেতা, এমনকি মওজুদকারক কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায় মদ ও মাদকের প্রতি কঠিন ঘৃণাবোধের সঞ্চার সম্ভব
০৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












