মন্তব্য কলাম
ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান ও ফিতনা-আল-খারিজ কি, ভারতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে?
, ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ভয়াবহ সংঘর্ষে গত শনিবার থেকে এ পর্যন্ত অন্তত দেড় শতাধিক ‘সন্ত্রাসী’ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রভাবশীল সংবাদমাধ্যম ডন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বেলুচিস্তানের অন্তত ১২টি স্থানে সন্ত্রাসীদের সমন্বিত হামলার চেষ্টা ব্যর্থ করে দিলেও নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের ১০ সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।
ডন বলছে, পাকিস্তান রাষ্ট্রীয়ভাবে বেলুচিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ নামে অভিহিত করছে। এর মাধ্যমে দেশটিতে সন্ত্রাস ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে ভারতের কথিত ভূমিকার বিষয়টিও তুলে ধরা হচ্ছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ। বেলুচিস্তানে এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পাকিস্তান সরকার।
এখন প্রশ্ন হলো ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ ও ‘ফিতনা-আল-খারিজ’ কি, বাস্তবে এমন কোনো সংগঠনের অস্তিত্ব আছে, কিংবা ভারতের সঙ্গেই বা তাদের সম্পর্ক কি? জেনে নিন।
‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ ও ‘ফিতনা আল-খারিজ’:
পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও রাষ্ট্রীয় সূত্র সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রেক্ষাপটে নিয়মিতভাবে দুটি পরিভাষা ব্যবহার করছে ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ ও ‘ফিতনা-আল-খারিজ’।
নামের ধরন দেখে এগুলোকে অনেক সময় স্বতন্ত্র সশস্ত্র সংগঠন মনে হলেও বাস্তবে এই দুটি কোনো নির্দিষ্ট সংগঠনের নাম নয়। বরং এগুলো পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয়ভাবে তৈরি করা রাজনৈতিক ও আদর্শিক নিরাপত্তা বয়ান, যার মাধ্যমে ভিন্ন ধরনের সহিংস হুমকিকে আলাদা ফ্রেমে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
দুটি পরিভাষা, দুটি ভিন্ন ফ্রেম:
রাষ্ট্রীয় ভাষ্যে ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ এবং ‘ফিতনা-আল-খারিজ’ এই দুটি শব্দের মাধ্যমে মূলত সহিংসতার দুটি ভিন্ন উৎসকে আলাদা করে উপস্থাপন করা হয়।
‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ শব্দটি ব্যবহার করা হয় মূলত বেলুচিস্তানভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা বোঝাতে। পাকিস্তানের অভিযোগ, এসব গোষ্ঠী ভারতের মদদে দেশটির অখ-তা ও নিরাপত্তা ক্ষুণœ করার চেষ্টা করছে। এই পরিভাষার মাধ্যমে বেলুচিস্তানের সহিংসতাকে একটি বহিঃশক্তি-সমর্থিত ষড়যন্ত্রের কাঠামোতে উপস্থাপন করা হয়।
অন্যদিকে ‘ফিতনা-আল-খারিজ’ ব্যবহৃত হয় ধর্মের নামে সহিংসতা চালানো চরমপন্থি গোষ্ঠী বোঝাতে। এখানে ‘খারিজ’ শব্দটি ইসলামের প্রাথমিক যুগের খারিজি মতবাদ থেকে নেওয়া, যারা চরমপন্থী ব্যাখ্যার মাধ্যমে সহিংসতাকে বৈধতা দিয়েছিলো। রাষ্ট্রীয় ভাষ্যে আজকের কিছু উগ্রপন্থী গোষ্ঠীকে সেই ঐতিহাসিক ধারার আধুনিক রূপ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
বাংলায় ‘ফিতনা’ শব্দটিকে বিশৃঙ্খলা, কলহ বা ফাসাদ এবং ‘খারিজ’ শব্দটিকে বাতিল বা বর্জন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
একাধিক গোষ্ঠী, কিন্তু কোনো ‘সংগঠন’ নয়:
এই দুটি পরিভাষার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো কোনো একক সংগঠনকে নির্দেশ করে না। বাস্তবে এগুলোর আওতায় আসে একাধিক আলাদা সশস্ত্র গোষ্ঠী, যাদের লক্ষ্য, কৌশল ও আদর্শ এক নয়। তবে রাষ্ট্রীয় বয়ানে এসব পার্থক্য গৌণ হয়ে যায়, গুরুত্ব পায় একটি সম্মিলিত ‘হুমকি’র চিত্র।
ফলে নিরাপত্তা অভিযানের বর্ণনায় বলা হয়, ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ বা ‘ফিতনা-আল-খারিজ’-এর বিরুদ্ধে অভিযান, যা বাস্তবে একাধিক ভিন্ন গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়-যেসব গোষ্ঠীর হয়তো ভিন্ন নামও রয়েছে।
কেন এই পরিভাষা ব্যবহার করছে পাকিস্তান?
বিশ্লেষকদের মতে, এই ভাষ্য ব্যবহারের পেছনে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কয়েকটি কৌশলগত উদ্দেশ্য রয়েছে।
প্রথমত, সহিংসতার নৈতিক বৈধতাকে সম্পূর্ণভাবে নাকচ করা। ‘ফিতনা’ শব্দটি ব্যবহার করে রাষ্ট্র বোঝাতে চায়, এই শক্তিগুলো ধর্ম, জাতিসত্তা বা রাজনৈতিক অধিকারের প্রতিনিধি নয়, তারা কেবল বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী।
দ্বিতীয়ত, জনসমর্থন ও নিরাপত্তা ঐক্য তৈরি করা। বহিঃশত্রু বা ধর্ম-বিকৃতির ফ্রেম সাধারণ জনগণের কাছে কঠোর নিরাপত্তা অভিযানের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়।
তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক বার্তা দেওয়া। বিশেষ করে ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ পরিভাষার মাধ্যমে পাকিস্তান আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরতে চায়।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বিতর্ক:
এই দুটি নামের কোনোটিরই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি নেই। জাতিসংঘ বা পশ্চিমা দেশগুলোর সন্ত্রাসী তালিকায় ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ বা ‘ফিতনা-আল-খারিজ’ নামে কোনো সংগঠন নেই। ফলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণে এগুলোকে মূলত পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ভাষ্য হিসেবে দেখা হয়।
ভারতের অবস্থান:
ভারত ‘ফিতনা-আল-হিন্দুস্তান’ সংক্রান্ত পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের অভিযোগগুলোকে ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে আসছে। এ বিষয়ে নয়াদিল্লির বক্তব্য, পাকিস্তান বেলুচিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট ও শাসনব্যবস্থার ব্যর্থতা আড়াল করতে প্রায়ই এমন অভিযোগ তোলে।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ থাকলেও ‘ফিতনা-আল-খারিজ’ নামটি বাইরে খুব কম ব্যবহৃত হয়।
বাস্তব সংকট কোথায়?
সমালোচকদের মতে, এই ধরনের পরিভাষা ব্যবহার সহিংসতার একটি দিক ব্যাখ্যা করলেও মূল রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটকে আড়াল করে দিতে পারে।
বেলুচিস্তানে সহিংসতার পেছনে দীর্ঘদিনের অভিযোগ, যেমন রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ঘাটতি, প্রাকৃতিক সম্পদের বণ্টন নিয়ে অসন্তোষ ও নিরাপত্তা অভিযান ঘিরে মানবাধিকারের প্রশ্ন রয়েছে।
এ ছাড়া, ধর্মীয় চরমপন্থা রোধের ক্ষেত্রে মাদ্রাসা সংস্কার, আদর্শিক মোকাবিলা ও সামাজিক পুনর্বাসনের মত বিষয়গুলোও রয়েছে।
এই বিষয়গুলো কেবল নিরাপত্তা বয়ানের ভেতরে সমাধান করা কঠিন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা গবেষণার দিকে আগ্রহী না হয়ে বিসিএস পরীক্ষায় আগ্রহী হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে তহবিল বা অর্থায়ন আসার প্রক্রিয়াটি সরকারের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে হবে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন হয়নি সব বাধা দূর করে জীবন-জীবিকা বান্ধব সমৃদ্ধ গবেষণার জন্য যথাযথ তৎপরতা ও প্রচেষ্টা একান্ত দরকার
০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশে বাবা মার কারণেই শিশুরা ইন্টারনেট আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ে কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশুদের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ হচ্ছে নিয়ন্ত্রনহীন ইন্টারনেট জগতে প্রবেশ করে অশ্লীলতা, হিংস্রতা ও অপসংস্কৃতিতে লিপ্ত হচ্ছে বাংলাদেশের শিশু কিশোররা সরকারের উচিত হবে গাইডলাইন প্রসঙ্গ না রেখে মুসলিম দেশ হিসেবে শিশু-কিশোরদের জন্য ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ করা। পাশাপাশি বয়স্কদের জন্যও ছবিভিত্তিক ইন্টারনেট বন্ধ করা।
০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যখন কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুদ্ধবিমান কিনে, তখন তা শুধু একটি বিমান কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর সাথে যুক্ত হয় একাধিক শর্ত, নিষেধাজ্ঞা এবং জটিল টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস (ঊহফ টংবৎ অমৎববসবহঃ) নামক একটি চুক্তিতে স্পষ্ট করে বলা থাকে, যুদ্ধবিমান কিভাবে, কোথায় এবং কাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে, তা নির্ধারণ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য দেওয়া দীর্ঘদিনের দাবি ঝুলে আছে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কৃষি মূল্য কমিশন গঠনের দাবি কেনো বাস্তবায়ন হয় না? বিদ্যুৎ, তামাক ও ওষুধ খাতে যেখানে মূল্য নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রয়েছে, সেখানে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি খাতে মূল্য নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এখনও নাই।
৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সোনার চেয়েও অনেক দামী সোনাদিয়া দ্বীপ। বঙ্গোপসাগরে সোনাদিয়া, কুতুবদিয়া, মহেশখালী, সন্দীপসহ আরো দ্বীপগুলোতে সোনা নয়, হীরার চেয়েও দামী খনিজ আছে। আরো আছে গারনেট, ইলমেনাইট ও রুটাইল সহ আরো দামী এবং দুর্লভ খনিজ।
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্তমান ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড নিয়ে সরকার বা তথাকথিত সুশীল অথবা রাজনীতিবিদদের কোনই অনুভূতি- উদ্যোগ নেই। ২০৪০ সালে এই নেয়ামত কমার কথা বলা হচ্ছে। ১৯৭২ সালে সন্তান জন্মদানের হার ৬.৭ আর এখন সন্তান জন্মদানের হার ১.৯ শতাংশ।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সমকামী উপদেষ্টা আর যৌনকর্মী তৈরীর নারী সংস্কার কমিশনের উস্কানিতেই কী? পতিতাদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, সুবিধা ও সমদ্ধি এবং সম্মানের পক্ষে জাতিসংঘ, সি.আই.এ. মোসাদ নিয়ন্ত্রিত ও নিয়োজিত মিডিয়াগুলো পতিতাদের পক্ষে লেখালেখি শুরু করেছে?
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ডিম ও মুরগির গোশত দেশের সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী প্রাণিজ প্রোটিনের উৎস। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা-২০২৬-এ খসড়া নীতিমালার ৫.৮.১.২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক পোল্ট্রি পালনের জন্য একদিন বয়সী বাচ্চা আমদানি করা যাবে না।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
আগামী ১লা ফেব্রুয়ারি থেকে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ। মহা উদ্বিগ্ন এবং চরম হতাশ নারিকেল দ্বীপের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দ্বীপ ছেড়ে বাসিন্দারা পালিয়ে যাচ্ছে-বান্দরবান, টেকনাফে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের চোখে জ্বলে উঠছে অসহায়তার আগুন আর দ্বীপের নীল পানির মতো অশ্রু ঝরছে।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
শীর্ষ বিশ্ব সন্ত্রাসী বর্বর ইসরাইল ফিলিস্তিনে জাতিগত নিধন প্রায় শেষ করে আবারো আন্তর্জাতিক আইন লংঘন করে এখন ইরানে সন্ত্রাসী হামলা করে যাচ্ছে জাতিসংঘ তথা ইহুদীসংঘ কাফিরদের মুখপাত্র হিসেবেই তাদের মুখ বন্ধ করে আছে সব কাফির রাষ্ট্র সন্ত্রাসী ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বাজার ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার। সুবিশাল এই বাজারে প্রবেশে অনেকটাই ব্যর্থ বাংলাদেশ। মান নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নত পণ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশও এই সুবিশাল বাজারের অর্ধেকেরও বেশী দখল করতে পারে কিন্তু তন্ত্র-মন্ত্রের সরকারের পর অন্তর্বর্তী সরকারও বোবা বধির অন্ধ কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায়ই সোনার বাংলার সব সোনার সমুজ্জল সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব ইনশাআল্লাহ
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
“বিশ্বের সব মুসলমান একটি দেহের ন্যায়”- এ হাদীছ শরীফের শিক্ষা মুসলমানেরা নেয়নি। কিন্তু কাফিররা এ হাদীছ শরীফের ফায়দা নিয়ে এত শক্তিশালী।
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












