পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
যারা তথাকথিত ইসলামী রাজনীতির নামে পূজায় যায়, প্রাসাদ খায়, গীতাপাঠ করে, তারা মুরতাদ। কোনো মুসলমান পূজায় গেলে লা’নতগ্রস্ত হয়ে কাফির হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ!
, ৩০ রবীউছ ছানী শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৩ খ্বমিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ১২ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রি:, ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
অর্থাৎ মুসলমানগণ মিথ্যা ও বাতিল মজলিসে যোগদান করে না। সর্ববৃহৎ মিথ্যা ও বাতিল হলো শিরক ও কুফর। হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মতে, এখানে মুশরিকদের পূজা মেলা ইত্যাদি বোঝানো হয়েছে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ঘোষণা করেছেন, যখনই তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আয়াত শরীফসমূহকে অস্বীকার হতে বা উপহাস হতে শুনবে, তখন তাদের সঙ্গে বসো না, যতক্ষণ না তারা অন্য বিষয়ে প্রবৃত্ত হয়। অন্যথায় তোমরা তাদেরই মতো হয়ে যাবে। (পবিত্র সূরা আন‘আম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ- ৬৮)
এ আয়াত শরীফ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়া হয়েছে- যেখানে মহান আল্লাহ পাক উনার সঙ্গে শিরক হয়, সেখানে বসা মানে নিজেকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে ফেলা।
হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘তোমরা মুশরিকদের মন্দিরে তাদের পূজার দিনে প্রবেশ করো না; কারণ তখন আল্লাহর গজব তাদের উপর নাযিল হয়।’ (আল-বাইহাকী, হাদীস নং: ১৯৩৩৩) (আস্সুনানুল কুবরা, হাদীস ১৫৫৬৩) (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হা. ১৬০৯, বায়হাকী, সুনানুল কুবরা, হা. ১৮২৮৮)
হযরত সাওবান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “অচিরেই আমার উম্মতের কিছু লোক মূর্তিপূজা করবে। আর অতি শীঘ্রই আমার উম্মতের কিছু লোক মুশরিকদের সাথে মিশে যাবে।” (ইবনে মাজাহ শরীফ- পৃ: ৩৯৫২)
কোনো হারাম কাজ হতে দেখলে- কোনো মু’মিন কি তাতে অংশ গ্রহণ করতে পারে? উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, কোথাও মদ খাওয়া হচ্ছে বা সুদের কারবার হচ্ছে বা কোথাও শুকরের গোশত খাওয়া হচ্ছে। তখন মুসলমান কী বলতে পারে “হ্যাপি ড্রিংকিং”? বা বলতে পারবে “আপনাদের সুদ খাওয়া বা শুকর খাওয়া শুভ হোক:? কখনোই না! কারণ এগুলো দ্বীন ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম। মুসলমান কোনো হারাম কাজের ব্যাপারে শুভ কামনা জানাতে পারে না।
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দেশে গত কয়েক দশক আগেও পূজা সীমাবদ্ধ তা থাকতো নির্দিষ্ট কিছু মন্দীর-ম-প পর্যন্ত। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একান্ত ধর্মীয় বিষয় বলে মুসলমানরা সেখানে যেত না। সরকারী-বেসরকারী মুসলিম নেতাদের উপস্থিতিও ছিলো কম। কিন্তু বিগত কয়েক বছর থেকে যেভাবে পূজা উদযাপন হচ্ছে এবং সর্বপ্রকারের মিডিয়ায় যেভাবে এর প্রচার-প্রচারণা হচ্ছে তা সম্পূর্ণই ভিন্ন। এখন পূজার সময় মনে হয় না, এটি এদেশের ১.৩% নাগরিকের উৎসব। হিন্দুত্ববাদী মিডিয়া এমন চাউর করে মনে হতে পারে এ যেন হিন্দু-প্রধান একটি দেশ। নাউযুবিল্লাহ!
এসমস্ত পূজাম-পে গিয়ে কিংবা পূজাকেন্দ্রিক কোনো উৎসবে উপস্থিত হয়ে রাজনীতিকদের কেউ কেউ হিন্দু ধর্ম ও তাদের দেব-দেবীর পক্ষে উচ্চারণ করে থাকে। হিন্দুরা যেন এদেশে বুক ফুলিয়ে চলতে পারে, তারা যেন তাদের সব অধিকার নিজেরাই আদায় করে নেয়Ñ সেসব কথাও বলা হয়।
কিন্তু ভারতে যে মুসলমানদের কচু কাটা করা হচ্ছে, নির্বিচারে মসজিদ-মাদরাসা ভাঙ্গা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে তারা কোনো হুশিয়ারী দেয় না।
বরং পূজায় উৎসাহ দিতে দিতে তারা নিজেরাও পূজারী হয়ে যায়। এক্ষেত্রে শুধু যে জামাতীরাই পূজায় শামিল হয়ে গীতা পড়ে তাই নয়, হেফাজতে ইসলাম, শাসনতন্ত্র আন্দোলনসহ আরো সব ধর্মব্যবসায়ীরাই জামাতীদের কায়দায় হিন্দুদের মনোরঞ্জন করে ভোটের ফায়দা লুটতে থাকে।
অনেক সাধারণ মুসলমান উৎসুক ভাবেই পূজায় যায়। ঐ সমস্ত মুসলমানদের যদি বলা হয় ভাই হিন্দুদের পূজায় অংশগ্রহণ করো না, উৎসুক ভাবেও যেও না, তাদের দেব-দেবীর নামে উৎসর্গকৃত প্রসাদও খেওনা। তখন তারা উত্তরে খুব বুক ফুলিয়েই বলে- গেসি তো কি হয়েছে? গেলেই কি আমি হিন্দু হয়ে যাব? আমার ঈমান ঠিক আছে।
প্রশ্ন হচ্ছে যে, গুনাহ মহান আল্লাহ পাক ক্ষমা করবেন না- সে শিরকী গুনাহের স্থান থেকে প্রতিবাদ না করলে তো মুসলমান ঈমানদার থাকতে পারেনা। আর প্রতিবাদ করার ক্ষমতা না থাকলে সেখানে যাওয়া হারাম। আর প্রতিবাদ না করে থাকলে সেও পূজার শিরকী কাজ সমর্থন ও সহযোগীতা করার কারণে মুশরিক হয়ে যায়। নাউযুবিল্লাহ!
পতিত আওয়ামী লীগ নেতারা প্রচার করেছে- ধর্ম যারা যার উৎসব সবার! তাহলে কি পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফকে অস্বীকার করা হয় না? আর কুরআন হাদীছ অস্বীকার কারী কিভাবে মুসলমান হয়? আর ধর্ম যার যার উৎসব সবার কথাটা কি কুরআন-সুন্নাহ শরীফের কথা?
অথচ আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যদি কেউ কোনো সম্প্রদায়ের অনুকরণ করে, তাহলে সে উক্ত সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।” (আবু দাউদ শরীফ, আস সুনান ৪/৪৪)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যদি গোবর-গোচনা থেকে বিরত থাকতে চান, তাহলে বিধর্মীদের হোটেলে খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকুন মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা (পূজারী) নাপাক”।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশের বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় ২২৭টি এবং রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৫৯টি দুর্ধর্ষ গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রাজধানীসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও সম্ভ্রহরণ এবং খুনসহ বড় অপরাধ বেড়েই চলেছে। গুরুতর অপরাধে হাতেনাতে গ্রেফতারের পরও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব কিশোর দুর্বৃত্তদের আবার এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। কিশোর আইনের নমনীয়তার কারণে অনেক অভিযুক্ত দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে শিশু হিসেবে ১৮ বছরের কম বয়সী সকলকে গণ্য করা হয়েছে।
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের সাথে রাশিয়ার মুনাফেকী নূতনভাবে প্রকাশ পাচ্ছে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ এবং বাংলাদেশের জন্য- সময়সাপেক্ষ ব্যায়বহুল ও জটিল
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সারের দাম হচ্ছে আরো বেশী। সব মিলিয়ে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় কৃষকের কঠিন দুরাবস্থায় আরো বাড়বে মূল্যস্ফীতি জন দুর্ভোগ থেকে এখন দুর্ভিক্ষের দিকে যাচ্ছে দেশ
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাস কেনো আশাহীন বিষয়ে পরিণত হলো?
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত মহাসম্মানিত ১২ই রবীউছ ছানী শরীফ আজ।
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












