সম্পাদকীয়
নির্বাচন, গণতন্ত্র শুধু বাংলাদেশে নয় ভারতেও হারাম। সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদও কাট্টা হারাম। মমতাই কৌশলে তার শিষ্য ও চরম যালিম কুভেন্দুকে বসিয়ে তার মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদ প্রচারের ব্যবস্থা করে দিলো। হারাম থেকে বাচলে মুসলমান মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতী হেফাজত পাবে- ‘ইনশাআল্লাহ’।
, ২৩ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১২ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১২ মে, ২০২৬ খ্রি:, ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানরা বিজিপির ক্ষমতায়নে যে যুলুমের শিকার হচ্ছে, সেটাকে তাদের উচিত শিক্ষা বলাটা কি সঠিক হবে? কখনই না। হোসাইন আহমদ মাদানী এবং তাকে সমর্থন দানকারী আশরাফ আলী থানভীর ‘সর্ব ভারতীয় জাতীয়তাবাদের’- ঝুটা, মিথ্যা, অসারতা, কুপ মন্ডকতা, হঠকারিতা, শঠতার কারণে যে নির্যাতন, নিপীড়ন এমনকী নির্বিচারে শাহাদাতের ঘটনা কী- লাখে লাখ হয় নাই?
কিন্তু তারপরেও সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদ থেকে মুসলমানদের পিছু হঠার প্রবনতা তৈরী হল কৈ?
মাসিক আল বাইয়্যিনাতে, যখন ‘গণতন্ত্র হারাম’ ফতওয়া দেয়া হল তখন পশ্চিমবঙ্গের মালানারা বলাবলি শুরু করতে লাগল, ‘ঐসব ফতওয়া বাংলাদেশের জন্য ঠিক আছে’। ‘পশ্চিমবঙ্গে মমতাদিকে ভোট না দিলে বিজিপি আমাদের কচুকাটা করবে। বিজেপিকে ঠেকাতে তৃণমূলকে শক্তিশালী করা তথা তৃণমূলকে ভোট দেয়া বা নির্বাচন করা পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে না জায়েয নয়। (নাউযুবিল্লাহ)
খুব দুঃখজনক হলেও সত্য ‘তাওয়াক্কুলটা’- ওরা করল মমতার উপর। মহান আল্লাহ পাক উনার উপর তাওয়াক্কুল থাকলে ওরা যে নির্বাচন প্রক্রিয়া হারাম তা মানার মাধ্যমেই ভালো থাকতে পারতো।
এখন কী হয়েছে?
নির্বাচনে বিজেপিকে ভোট দেয়া হয় নি সেটা নয়, বিজেপির শত্রু-তৃণমূলকে কেনো ভোট দেয়া হলো- এজন্য মুসলমানদের উপর নির্যাতন আরো উচ্চমাত্রা হলো! নাউযুবিল্লাহ।
(২)
প্রকৃতপক্ষে সমাজের ক্ষমতা রাষ্ট্রের বা রাজনৈতিক দলের চেয়ে বেশী।
সুতরাং সামাজিকভাবে যদি মুসলমান একতাবদ্ধ থাকতেন তাহলে তাদের সামাজিক শক্তির ভিত্তি যেমন থাকতো, তেমনি তার রোব থাকতো, তার প্রভাব থাকতো, তার তাছির পড়তো, তার মর্যাদা থাকতো। মূলত, হারাম গণতন্ত্রের চর্চা না করে সম্মানিত দ্বীন ইসলামের উপর থাকায় খোদায়ী রহমত, হেফাজত, বরকত, ইজ্জত, নেয়ামত থাকতো। সুবহানাল্লাহ!
কিন্তু মুসলমান মমতাদি, মমতাদি আর তৃণমূল জপতে জপতে আজ সবই হারাল। মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত। হারাম পথে যে বরকত নেই, হারাম যে, যে কোনো নতুন খারাপ ছুরত ধরতে পারে বা অচিন্তনীয় খারাপ ঘটতে দিতে পারে সে বিষয়ে কী মুসলমানের ঈমান অনুভূতি থাকার কথা ছিলনা?
(৩)
পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানের সব সময় আত্মবিশ্বাস ছিল পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের ভোট অনেক। মুসলমানরা এ পথে থাকলে তাদেরই জয় হবে। কিন্তু হারাম নির্বাচন যে নূতন নূতন হারাম, ধোকা আর নির্যাতনের নিয়ম তৈরী করতে পারে, এ বোধ তাদের ছিল না। তারা পবিত্র কুরআন শরীফের ঐ আয়াত শরীফের শিক্ষা নেয়নি, নিশ্চয়ই হারাম থেকে হারামই জন্ম নেয়।
পশ্চিমবঙ্গে হারাম নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে নতুন হারাম থেকে বের হলো। পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয় এস.আই. আরে ৯১ লাখ ভোটার তালিকা বাদ করা হলে- এর মধ্যে ৬৫ শতাংশই মুসলমান।
অর্থাৎ প্রায় ৬০ লাখ মুসলমানদের ভোটার তালিকা থেকেই বাদ দেয়া হলো। তবে অবশিষ্ট মুসলমান ঠিকই ভোট দিলো।
আর তাতেই বিজেপি সরকার গঠন করতে পারল। উচিৎ ছিলো সব মুসলমানদের ভোট নির্বাচন বর্জন করা ভোট মুসলমানদের জন্য হারাম সে ফতওয়া প্রচার করা। তা হলে মহান আল্লাহ উনার কুদরতী রহমতে মুসলমানরা আজকের বিজেপির অত্যাচার থেকে বাঁচতে পারতেন। এবং খোদায়ী মদদে ভালোভাবে বাঁচতে পারতেন ইনশাআল্লাহ।
(৪)
প্রসঙ্গত ফুরফুরা শরীফের পীরজাদাদের একাংশ (ঞগঈ) এবং সাধারণ মুসলমান অনেক অভিযোগ করেছেন যে, মমতা মুসলমানদের সাথে প্রতারণা করেছে এবং ব্রিটিশদের চেয়েও বেশি অত্যাচার করেছে। এছাড়া ওয়াকফ আইন এবং মুসলমানদের প্রতি বঞ্চনা নিয়ে রয়েছে অনেক অভিযোগ। হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে সম্মানিত মাদরাসা বন্ধ এবং কট্টর হিন্দুদের প্রশাসনে নিয়োগ প্রদানই ছিল মমতার কূট কৌশলে।
অভিজ্ঞমহল মনে করেন হিন্দু মমতাই সুকৌশলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির বিজয় করিয়ে দিয়ে গেছে। বিজেপি প্রধান- কুভেন্দু মমতারই খাছ শিষ্য। গুরু শিষ্য মিলে গোপন ছকের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্ববাদী সরকার বসিয়ে দিল।
সুতরাং মুসলমানদের জন্য আজকে কঠিন সময়- ‘সর্বভারতীয় জাতীয়তাবাদ’ তথা, আজকে- কংগ্রেস, কালকে ‘তৃণমূল কংগ্রেস’ পরশু ‘অন্য দলের’ লেজুর বৃত্তি তালাক দেয়া। হারাম গণতন্ত্র তথা নির্বাচন থেকে তওবা করা। তাহলেই মহান আল্লাহ পাক কুদরতী হেফাজত করবেন ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
‘সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে’- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বিবৃতিকে আরো সমুন্নত করে ‘শক্ত প্রতিবাদ’ ও ‘প্রতিহতের কথা’ সংযুক্ত করতে হবে।
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ বিশেষ সম্মানিত, ফযীলত এবং রহমত, বরকতযুক্ত তথা ঐতিহাসিক ২৪শে যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! তেরো হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
শিশু কিশোরদের মাঝে ডায়াবেটিসের প্রকোপ ভয়াবহ যা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিরোধে জরুরীভাবে নজর দেয়া উচিত।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিগত জালেমশাহী সরকারগুলোর মত শুধু লবন প্রদানেই আর চামড়া সংরক্ষণেই নজর দিলে হবে না। চামড়ার দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে লাখ লাখ মাদরাসা, তালিব ইলম-ইয়াতীমদের সারা বছর ভালোভাবে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে ইনশাআল্লাহ
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সংখ্যালঘুদের উৎসব স্থানগুলিতে নিরাপত্তা দেয়া হলেও ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের কুরবানীর পশু ব্যবসায়ীদের জন্য এবং কুরবানীর হাটে যথাযথ নিরাপত্তাও থাকে না কুরবানীর হাটকে কেন্দ্র করে এবং কুরবানীর পশু বিক্রির সময় ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি বন্ধ হয় না পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হবে। হাটের হাসিলের টাকা সরকারী কোষাগার থেকেই ব্যবস্থা করতে হবে।
০৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
‘সবার আগে বাংলাদেশ’- শ্লোগানই যথার্থ। সব সমস্যার সমাধান সবার আগে বাংলাদেশেই আছে। জ্বালানী সংকটের উপায় পাওয়া যাচ্ছে কুষ্টিয়ার মনিরুল আবিস্কৃত বিকল্প ও সাশ্রয়ী ডিজেল উদ্ভাবনে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় এর সুফল সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে হবে ইনশাআল্লাহ
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
অতীতের মত উচ্চাভিলাসী বাজেট দিয়ে রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স বাড়ালে জনজীবন আরো বিপর্যস্থ হবে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাজেটের পরিবর্তে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও জনসেবায় ব্যায় বাড়াতে হবে।
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ মহিমান্বিত ১৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো বিদেশি কোম্পানি সাড়া দেয়নি বলে এতো হা হুতাশ কেনো? বাপেক্সকেই সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয়ার দায়িত্ববোধ- কেবলমাত্র খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমাই সম্ভব ইনশাআল্লাহ
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো- মহিমান্বিত ১১ই যিলক্বদ শরীফ! যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং সিবতু সুলত্বানিন নাছীর, সাইয়্যিদুল কাওনাইন, মহাসম্মানিত ইমাম হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাদের মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস। সুবহানাল্লাহ!
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সৌর বিদ্যুৎ প্রসারে প্রধান বাধা হলো উচ্চ কর ও শুল্ক। নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি নীতিনির্ধারক এবং সাধারণ মানুষের মনে একটা বদ ধারণা তৈরি করার জন্য একটা গোষ্ঠী খুব তৎপর। বড় বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পাচ্ছে, কিন্তু সাধারণ জনগণ পিছিয়ে পড়ছে। এটি সৌর বিদ্যুতের গণমুখী বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করছে। সরকারের উচিৎ সহায়ক নীতিকাঠামো দিয়ে বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করা।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রধানমন্ত্রী শুধু রেসিং কার চালিয়ে উৎসাহ দিলেই হবে না। ‘শিমু’, ‘সোলেমানের’ উদ্ভাবিত সেচযন্ত্র তথা সুলভ প্রযুক্তিকেও উৎসাহ দেয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে দেশের প্রান্তিক নাগরিকের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্বারাই সঙ্কটে সমাধানের অনুসন্ধানী উদ্দীপনা থাকতে হবে। ইনশাআল্লাহ
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












