সম্পাদকীয়-১
নিজেদের ক্যাশিয়ারদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য পতিত সরকার দেশের চিনি শিল্পকে ধ্বংস করেছিলো। (নাউযুবিল্লাহ)
যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে অতীতের মত চিনি রফতানী করা যাবে ইনশাআল্লাহ খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
, ১৫ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ রবি’, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রি:, ২৪ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের অধীনে বর্তমানে ১৫টি চিনিকল আছে। এগুলোর বার্ষিক মোট উৎপাদন ক্ষমতা দুই লাখ ১০ হাজার টন। আগে এক লাখ টনের বেশি উৎপাদন করতে পারলেও এখন ৬০-৭০ হাজার টনের বেশি উৎপাদন করতে পারে না। প্রতিবছরই তাদের চিনি উৎপাদন কমছে, বিপরীতে বাড়ছে লোকসান।
দেশে বছরে ২৩ লাখ টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি হয়; যার শুধু আমদানি মূল্যই সাত হাজার কোটি টাকা। এসব চিনি কারখানায় পরিশোধন হয়ে যখন বাজারে বিক্রি হয় তখন বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।
প্রশ্নটা খুব জোড়ালোভাবে এসে যায়, কেন রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো সময়ের সঙ্গে এবং জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের উৎপাদন বাড়াতে পারেনি? এর জন্য দায়ী কে? বেসরকারি মিলগুলো স্থাপনের পর পরই তাদের উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে পারলে রাষ্ট্রায়ত্তগুলো কেন পারল না। বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত সুগার মিলগুলো মূলত রিফানারির কাজ করে থাকে। তারা বিদেশ থেকে অপরিশোধিত চিনি এনে শোধন করে বাজারজাত করছে। বেসরকারি মিলগুলো একত্রিত হয়ে কাজ করে। ফলে তারা সহজেই সিন্ডিকেট তৈরি করতে পারে। বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারের বা ট্যাক্স-ভ্যাট বৃদ্ধি বা শুল্ক বৃদ্ধি এসব ধরনের অজুহাত দেখিয়ে তারা চিনির দাম বাড়িয়ে দেয়, ফলে চিনির দাম লাগামহীন হয়ে যায়।
প্রতিটি সুগার মিলের আখ সংগ্রহের জন্য রয়েছে নিজস্ব ক্রয়কেন্দ্র। একটি ক্রয়কেন্দ্র যে পরিমাণের আয়তনের ভূমি রয়েছে সেই পরিমানের জায়গা একটি বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত রিফাইনারি সুগার মিলের নেই। তারপরও রাষ্ট্রায়ত্ত সুগার মিলগুলো তাদের উৎপাদন বাড়াতে পারছে না। রাষ্ট্রায়ত্ত সুগার মিলের লোকসানের পরিমাণ প্রতি অর্থ বছরে প্রায় গড়ে ৯৭০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে দামি চিনি উৎপাদন করে। কারণ রাষ্ট্রীয়-মালিকানাধীন চিনিকলগুলোতে পণ্যটির উৎপাদন খরচ প্রতি কেজিতে ৩০০ টাকা, যা বিশ্বের বৃহত্তম দুই চিনি উৎপাদনকারী দেশ ব্রাজিল ও ভারতের খরচের সাতগুণ। উৎপাদন ব্যয় এত বেশি কেন?
এই মিলগুলোর আধুনিকায়ন করা হয়নি। প্রশ্ন হলো, ৯০ বছর আগে স্থাপিত সুগার মিলটির যন্ত্রপাতি কেন আধুনিক করা হয় না? অথচ দেশের সেতু, কালভার্ট, সরকারি ভবন যা ভৌত অবকাঠামো কোনোটাই ৯০ বছর কেন ১০ বছরের আগের অবস্থায়ও নেই। সংস্কার হয়েছে। কিন্তু মিলগুলোর সংস্কার হয়না কেনো? লোকসানি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বেশ কিছু সুগার মিল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে কৃষকসহ মানুষের মাঝে বাড়ছে বেকারত্ব।
আখ চাষিদের কাছ থেকে ক্রয় করা আখের মূল্য সময়মতো পরিশোধ করা হয় না। বেসরকারিভাবে স্থাপিত মিলগুলো বিদেশ থেকে র-মেটেরিয়াল কিনে এনে দেশে রিফাইন করে লাভ করতে পারছে অথচ দেশের উৎপাদিত কাচামাল ব্যবহার করে সরকারি সুগার মিলগুলো কেন লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে যাচ্ছে। খাদ্য ও চিনি শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিরাট লাভের অঙ্ক নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে দেশের ভেতরে শিল্পায়নের প্রসার ঘটাতে পারলে চিনি আমদানীর প্রয়োজন হবে না বরং অতীতের মত রপ্তানী করা যাবে ইনশাআল্লাহ।
মূলত, এসব বিষয় বাস্তবায়নের অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র ঈমান ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা ও জজবা এবং পরিক্রমা থেকে ইনশাআল্লাহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের রফতানির সম্ভাবনার সব বাধা দূর করে সোনালী সমৃদ্ধি এনে সর্বনাশা ঋণের খপ্পর থেকে দেশকে বাচাতে সরকারকে সক্রিয় হতে হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সব সরকারের আমলেই নেয়া পানিবদ্ধতা নিরসনের সব টাকা পানিতেই যায়।
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার হালাল পণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সর্বোচ্চ সাড়া দিতে হবে
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
চায়ের কাঙ্খিত উৎপাদন বৃদ্ধিতে অন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সমতলেও চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের মালিকানা থেকে অন্যায্যভাবে সেবককে বাড়তি অর্থ দিচ্ছে। বেতন-ভাতা বাড়াচ্ছে ১৪০%। এই বৈষম্য ও অন্যায় সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিরোধী।
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদু শাবাবী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম সিবতু রসূল আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! ও সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক তথা পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এবং মুজাদ্দিদে যামান সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্বী ফুরফুরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ব্যর্থ ও.আই.সির বিপরীতে মুসলিম দেশগুলো নিয়ে সামরিক জোট গঠনের জন্য ইরানের আহবানকে গুরুত্বের সাথে সাড়া দিতে হবে।
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মসজিদুল আকসাকে পুরো মুসলমান শূন্য করতে চাচ্ছে ইহুদী-খ্রীষ্টানরা
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নীরব এই মহামারী নিরসনে সরকারের নিস্ক্রিয় ভূমিকা বরদাশতযোগ্য নয়।
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ পবিত্র ২২ শে মুহররমুল হারাম শরীফ! এই মহান দিবসে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুপম বদদোয়া মুবারকের ফলশ্রুতিতে গযবে পতিত হয়ে পবিত্র কা’বা শরীফ ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে আসা কুখ্যাত আবরাহা বাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
এই মহান দিবসে সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুপম বদদোয়া মুবারকের ফলশ্রুতিতে গযবে পতিত হয়ে পবিত্র কা’বা শরীফ ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে আসা কুখ্যাত আবরাহা বাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












