জ্বালানি সংকটে দেশীয় কয়লা উত্তোলনে জোর
, ০৬ রবীউল আউওয়াল শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২১ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ২০ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ০৫ ভাদ্র, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) দেশের খবর
আল ইহসান ডেস্ক:
দেশে তীব্র গ্যাস সংকট, বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি ঘাটতি এবং এলএনজি, কয়লা ও জ্বালানি তেল আমদানিতে বাড়তে থাকা ব্যয়ের মধ্যে দেশীয় কয়লা উত্তোলনে জোর দিচ্ছে সরকার। আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশীয় কয়লার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা দেশীয় কয়লা উত্তোলনের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন। সরকারের যুক্তি, দেশে মজুদ থাকা কয়লা কাজে লাগানো গেলে আমদানি নির্ভরতা কমবে, কয়লা পরিবহনে বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কমবে এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ব্যয়ও কমানো সম্ভব হবে। ফলে বিশাল পরিমাণ আর্থিক চাপ থেকে বাঁচতে দেশীয় খনির কয়লা ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবছে সরকার।
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে এখন পর্যন্ত পাঁচটি কয়লাক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলো হলো- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া, ফুলবাড়ী ও দীঘিপাড়া এবং রংপুরের খালাসপীর ও জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে।
বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি), পেট্রোবাংলা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি গবেষণায় এসব কয়লাক্ষেত্রের মজুদের পরিমাণে কিছুটা তারতম্য দেখা যায়। এর কারণ কোথাও ‘জিওলজিক্যাল রিসোর্স হিসেবে ধরা করা হয়েছে। আবার কোথাও উত্তোলনযোগ্য বা খনি রিজার্ভ বিবেচনায় হিসাব করা হয়েছে। তাই পাঁচটি খনির সব কয়লা একসঙ্গে হিসাব করে পুরোটা উত্তোলনযোগ্য ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
প্রচলিত সরকারি ও খাতসংশ্লিষ্ট হিসাব অনুযায়ী, পাঁচটি কয়লাক্ষেত্রে ভূগর্ভে থাকা কয়লার মোট মজুদ প্রায় ২.৫ থেকে ৩ বিলিয়ন টনের বেশি বলে বিভিন্ন সময়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে জামালগঞ্জে এক বিলিয়ন টনের বেশি, দীঘিপাড়ায় প্রায় ৬০০ মিলিয়ন টন, ফুলবাড়ীতে প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন টন এবং বড়পুকুরিয়ায় প্রায় ৩৯০ মিলিয়ন টনের মজুদের হিসাব বহুল ব্যবহৃত। খালাসপীরের মজুদের হিসাবও কয়েকশ মিলিয়ন টনের মধ্যে।
দেশের একমাত্র বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনরত কয়লাখনি দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া। পেট্রোবাংলার একটি প্রতিষ্ঠান বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) খনিটি পরিচালনা করছে।
বড়পুকুরিয়া থেকে উত্তোলিত কয়লা মূলত বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করা হয়। খনিটি ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। খনির উৎপাদন সক্ষমতা ও বাস্তব উৎপাদন সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে এবং কয়লার স্তর, খনির অবস্থা ও উন্নয়নকাজের ওপর উৎপাদন নির্ভর করে।
ফলে শুধু বড়পুকুরিয়ার উৎপাদন দিয়ে দেশের সামগ্রিক কয়লা চাহিদার বড় অংশ পূরণ করা সম্ভব নয়। সরকারের নজর এখন ফুলবাড়ী ও দীঘিপাড়াসহ অন্যান্য সম্ভাব্য কয়লাক্ষেত্রের দিকে। তবে বাস্তবতা হচ্ছে পরিকল্পনাহীনতা এবং সিদ্ধান্তহীনতার কারণে প্রায়ই দেখা যায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উত্তোলিত কয়লা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারছে না। কারণ বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সেখানে একটি ৫২৫ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তবে বছরের অধিকাংশ সময় সেটার এক বা দুটি ইউনিট বন্ধ থাকছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
দৃশ্যমান হচ্ছে সারিয়াকান্দি নদীবন্দর
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কলকাতায় হোটেলে আগুনে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মাদ্রাসার পাশে উচ্চশব্দে গান-বাজনা, প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত ২০
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালাচ্ছেন আয়া-পাহারাদার
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ভূমি অফিসে অনিয়ম-হয়রানি ঠেকাতে ডিসিদের ১৪ নির্দেশনা
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
স্বার্থ থাকলে ভারতের সঙ্গে এগোবে না বাংলাদেশ -রিজভী
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দেশে প্রথমবারের মতো ‘নৌযান শুমারি’ শুরু হচ্ছে আজ
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরকারের ন্যূনতম কোনো দায় নেই -ডা. জাহেদ
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে -তথ্যমন্ত্রী
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুতের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই -জোনায়েদ সাকি
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ডিবি হারুনকে নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
চট্টগ্রামে যানজট নিরসনে ৭০০ বাস নামানোর পরিকল্পনা
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












