মহাসম্মানিত নিসবতে আযীমাহ শরীফ উনার পূর্বাভাস মুবারক:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারকে আসার পূর্বে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম তিনি হযরত সুহাইল ইবনে ‘আমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সম্মানিত ভাই হযরত সাকরান ইবনে ‘আমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নিকট ছিলেন। তখন উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সাল বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল আশিরাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অত্যন্ত মুহব্বত মুবারক করতেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পূর্বে সমস্ত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারকে উপস্থিত হন। এ সময় উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল আশিরাহ্ আলাইহা বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
فرأت أنّ القمر وقع في حجرها وقيل رأت الشمس وقعت على صدرها وقصّتها علي أبيها أو زوجها فلطمها وقال أتريدين ملك يثرب وفي رواية ما تمنين إلا هذا الملك الذى نزل
অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল আশিরাহ্ আলাইহাস সালাম তিনি একবার স্বপ্ন মুবারকে দেখলেন যে আকাশের চাঁদখানা উনার মহাসম্মানিত নূরুল আযহার মুবারকে (কোল মুবারকে) তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! অন্য বর্ণনা রয়েছেন- তিনি স্বপ্ন মুবারকে দেখেছেন আসমানের সূর্যখানা উনার মহাসম্মানিত নূরুল ইলিম মুবারকে (বক্ষ মুবারকে) তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি এই স্বপ্ন মুবারকখানা উনার পি বাকি অংশ পড়ুন...
১৩ জন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নেয়ার ধারাবাহিকক্রম মুবারক অনুযায়ী সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ‘আশিরহ্ আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন ‘আল ‘আশিরহ্ অর্থাৎ ১০ম’। সুবহানাল্লাহ! তিনি স বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ উছমান মাযানী নাহবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি-
اَللَّهُ أَعْدَلُ مِنْ أَنْ يُكَلِّفَ الْعِبَادَ مَا لَا يُطِيقُونَ،ৃ
وَهُمْ أَعْجَزُ مِنْ أَنْ يَفْعَلُوا مَا يُرِيدُونَ.
অর্থ: “যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দাদের থেকে তাদের সাধ্যের অধিক আনুগত্য করা হতে অনেক বেশি ন্যায়পরায়ণ। আর বান্দারা যা ইচ্ছা করে, তা করার ব্যাপারে অতি অক্ষম।” সুবহানাল্লাহ! (আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াহ ১০/২৭৩)
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি র বাকি অংশ পড়ুন...
২১শে ফেব্রুয়ারিকে আমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করি। ১৯৫২ সালে ভাষার জন্য এদিন ভাষা সৈনিকরা প্রাণ দিয়েছিলো, সেই দিনটিকেই স্মরণ করে দিবসটি উদযাপন। তবে শুধু ২১শে ফেব্রুয়ারি নয়, বাংলা ভাষা নিয়ে আরেকটি দিবস আমাদের পালন করা উচিত। সেটা হচ্ছে বাংলা ভাষার স্বাধীনতা দিবস। দিবসটি হিজরী তারিখ হচ্ছে- “১৯শে রমাদ্বান শরীফ”। আসুন বিষয়টি সম্পর্কে জেনে নেই।
ইতিহাস স্বাক্ষী হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখে ‘এক কথ্য’ ভাষার প্রচলণ ছিলো। বাঙ্গালিরা সেই ভাষায় নিজেদের ভাব-আবেগ বিনিময় করতো। বাঙ্গালিদের মুখের সেই কথ্য ভাষা ছিলো বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের পরবর্তী দিন অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৮ই রমাদ্বান শরীফ ইয়াওমুল আহাদ শরীফ (রবিবার) সিবতু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আর রবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত খিলাফতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর তিনি ৬ মাস সম্মানিত খিলাফত মুবারক পরিচালনা মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ্ আলাইহাস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ-এ হিজরত মুবারক করার পর প্রায় এক বছর কয়েক মাস দুনিয়ার যমীন-এ সম্মানিত অবস্থান মুবারক করেন। সুবহানাল্লাহ! দ্বিতীয় হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত শা’বান মাসের শুরুর দিকে তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল ইহসান মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মারীদ্বী শান মুবারক) প্রকাশ করেন। এই দিকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় ইসিম বা নাম মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আলী আলাইহিস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুনিয়াত মুবারক: সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল হাসান আলাইহিমাস সালাম। সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক: আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ইমামুল আউওয়াল, কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, আসাদুল্লাহ অর্থাৎ নিসবাতুল্লাহ, আল মুরতাদ্বা ইত্যাদি। সুবহানাল্লাহ!
যেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লক্বব মুবারক-এ মহাসম্মানিত পরিচিতি মুবারক গ্রহণ করেছ বাকি অংশ পড়ুন...
* সেদিন জনৈক হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন মুশরিককে পিছনে জোরে ধাওয়া করছিলেন। এ সময় তিনি তার উপর দিক থেকে বেত্রাঘাতের শব্দ ও অশ্বারোহীর আওয়াজ শুনতে পান। অশ্বারোহী বলছিলেন, “হে হায়যূম (ফেরেশতার ঘোড়ার নাম) সম্মুখে অগ্রসর হও।’ তখন তিনি দেখতে পেলেন উনার সম্মুখে ওই মুশরিক চিৎ হয়ে পড়ে আছে। এরপর তিনি লক্ষ্য করে দেখলেন যে, তার নাক ফাটা ও মুখম-ল ক্ষত-বিক্ষত। যেন কেউ তাকে বেত্রাঘাত করেছে। বেতের আঘাতে তার সমস্ত দেহ নীল হয়ে গিয়েছে। এরপর ওই ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
দু’জন লোককে তাদের পারস্পরিক বাক-বিতন্ডার পর হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার নিকট আনা হয়েছিলো। হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি তখন এক প্রাচীরের পাদদেশে বসেছিলেন। এক ব্যক্তি হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে বললো, প্রাচীরটি পড়ে যেতে পারে। তিনি উত্তর দিলেন, যাও, মহান আল্লাহ পাক তিনি যথেষ্ট রক্ষাকর্তা। এরপর তিনি সেই দু’ ব্যক্তির সালিশ করে মিটমাট করে দিলেন এবং সেখান থেকে উঠে গেলেন। তিনি উঠে যাওয়ার পরপরই প্রাচীরটা সেখানেই ভেঙ্গে পড়লো।
বাকি অংশ পড়ুন...












