সম্পাদকীয়-১
আজ সুমহান বরকতময় ১৮ই পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ! খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক অর্থাৎ পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
এ সুমহান দিবসটির তাৎপর্য অনুধাবন করা গোটা মুসলিম উম্মাহর জন্য ফরয।
, ১৯ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৭ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৬ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ০২ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান- মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবস মুবারকগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিন সমন্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে। ” (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
(২)
প্রসঙ্গত পবিত্র ১৮ যিলহজ্জ শরীফ মুনাফিকরা উনার পবিত্র হুযরা শরীফ উনার মধ্যে অনুপ্রবেশ করে উনাকে শহীদ করে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ! অর্থাৎ আজকের এই দিনটি হচ্ছে আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করার সময় উনার আহলিয়া হযরত নায়লা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বাধা দিতে আসলে উনার হাতের কয়েকটি আঙ্গুল মুবারক কেটে যায়। এ সময় আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ১৩৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার এই অংশ পাঠ করছিলেন: “অতএব, তাদের বিরুদ্ধে আপনার জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনিই যথেষ্ট, তিনি সব কিছু শুনেন এবং সব কিছু জানেন”। এই পবিত্র আয়াত শরীফ পাঠ করার সময় উনাকে শহীদ করা হয় এবং এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার উপর উনার রক্ত মুবারক ছিটিয়ে পড়েছিলো। (দায়েরাতুল মা’য়ারিফ)
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার উপরোক্ত অংশের পূর্বে পবিত্র আয়াত শরীফটি শুরু ছিলো এইরূপ: “আপনারা যাতে ঈমান আনয়ন করেছেন, তারা যদি সেরূপ ঈমান আনয়ন করে, তবে নিশ্চয়ই তারা হিদায়েত পাবে। আর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তারা নিশ্চয়ই বিরুদ্ধ-ভাবাপন্ন এবং তাদের বিরুদ্ধে আপনার জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনিই যথেষ্ট, তিনি সব কিছু শুনেন এবং সব কিছু জানেন। ” এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার সঙ্গেই ১৩৮নং পবিত্র আয়াত শরীফটি এইরূপ: “আমরা গ্রহণ করলাম মহান আল্লাহ পাক উনার রং, আর রংয়ের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক অপেক্ষা কে অধিকতর সুন্দর? এবং আমরা উনারই ইবাদতকারী। ” আশ্চর্যের বিষয় এই যে, উনার রক্ত-রঞ্জিত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার পূর্বাংশ এবং পরের পবিত্র আয়াত শরীফ যেন উনার রক্তাক্ত পবিত্র শাহাদাত মুবারকেরই এক অপূর্ব ইঙ্গিত। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের সময় উনার বয়স মুবারক হয়েছিলো ৮২ বছরের অধিক। পবিত্র ‘জান্নাতুল বাক্বী’ শরীফ উনার পূর্বে “হাশশে কাওকাব” নামক স্থানে উনার পবিত্র রওযা শরীফ করা হয়। পরবর্তীতে এ স্থানটি পবিত্র জান্নাতুল বাক্বী শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হয়। হযরত যুবাইর ইবনে মুত‘ঈম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার জানাযা নামায উনার ইমামতী করেন।
(৩)
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, বিভিন্ন কারণে তিনি ‘যুন নূরাইন’ তথা দুই নূরের অধিকারী। প্রথমত, তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুইজন বানাত আলাইহিমাস সালাম উনাদের মুবারক খিদমতে পর্যায়ক্রমে গিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের উভয়টিই সংকলন ও বিস্তার করেছেন। তৃতীয়ত, কামালতে রিসালাত এবং কামালতে বিলায়েত উভয়ই উনার মাঝে একত্রিত হয়েছে। চতুর্থত, তিনি দুইবার হিজরত মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদি আমার চল্লিশ জন সম্মানিতা বানাত থাকতেন, তাহলে আমি পর্যায়ক্রমে খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার নিকট নিকাহ মুবারক দিতাম। সুবহানাল্লাহ! যা সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা মুবারক করেন। (তিবরানী শরীফ)
প্রসঙ্গত মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ১০৯নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, আমার রব উনার শান-মান লিখার জন্য যদি সমুদ্রের পানিকে কালি বানানো হয় তবুও মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারক বর্ণনা শেষ হবে না বরং শেষ হওয়ার পূর্বে সমুদ্রের পানি নিঃশেষ হয়ে যাবে। আরো অনুরূপ যোগ করা হলেও। ”
বলাবাহুল্য, এটা যেমন স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার শান মুবারকে তেমনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকেও এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শান মুবারকেও যথাযোগ্যভাবে প্রযোজ্য। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
(৪)
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাত মুবারক দুটি বিষয় প্রবলভাবে প্রতিভাত করে। এক. যুগে যুগে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর মুনাফিক গোষ্ঠী তথা উলামায়ে সূ’রা। দুই. ক্ষমতার লোভ মানুষকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে সরিয়ে নেয়। পবিত্র ঈমান উনাকে দূরীভূত করে শুধু কাফির নয়, কাট্টা মুরতাদ ও যালিমে পরিণত করে।
ক্ষমতার লোভই মুসলমান নামধারী মুনাফিকদেরকে আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে শহীদ করতে, সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার মতো জঘন্যতম কলঙ্কময় ঘটনায় প্ররোচিত করেছে। এজন্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ক্ষমতা চায় তার প্রতি লা’নত। ” “আমরা ওই ব্যক্তিকে ক্ষমতা দেই না, যে এর জন্য প্রার্থী হয়। ” অথচ আমাদের দেশে সেই লা’নতী কাজই নির্বাচনের নামে চলছে। আগামীতে কে কীভাবে ক্ষমতাপ্রার্থী হবে সে প্রক্রিয়া নিয়ে পুরো দেশটাকে যেন দোযখ বানিয়ে ফেলা হচ্ছে। অথচ মুসলমানরা যুগ যুগ ধরে ধুঁকে ধুঁকে মরলেও কেনো মুখ খুলে কিছু বলতে পারে না। এই নির্বাচন জনগণের জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনেনি। আনতেও পারবে না। এই নির্বাচন সবসময় জনগণকে প্রতারিত করেছে, করছে। ভবিষ্যতেও প্রতারিত করবে।
কাজেই ‘সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে হারাম এ নির্বাচন’ আর নয়- এটাই হোক আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার মহিমান্বিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশের এই ফযীলতযুক্ত সুমহান দিনে আমাদের চেতনা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
নির্বাহী আদেশে নয় সাংবিধানিক ভাবেই রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র ঈদ উনার ছুটি কমপক্ষে ১৫ দিন হওয়া উচিত। ঈদ মুসলমানদের বাৎসরিক খুশীর দিন। সে খুশী পালনার্থে ৬৪ জেলাব্যাপী কোটি কোটি মুসলমানদের নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, অবস্থান করা এবং পুনরায় ফেরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে যাবতীয় ঈদ ব্যবস্থাপনা সরকারের একান্ত কর্তব্য ও অন্যতম বাস্তবতা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুবারক হো ১৫ই রমাদ্বান শরীফ! তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন্ নাবিইয়ি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জালিম ও তাবেদার সরকারের করে যাওয়া আত্মঘাতী পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আমলাদের বাধা অবদমন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর পূরো কর্তৃত্বের অধিকার সেনাবাহিনীকেই প্রতিফলিত করে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নতুন সরকারের উচিত দেশের পতিত জমির দিকে নজর দেয়া প্রায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৫৫ হাজার শতক পতিত জমি আবাদের আওতায় এনে দেশকে মহা সমৃদ্ধ করা যায় যতদিন খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনা না হবে ততদিন এসব নিয়ামত অধরাই থেকে যাবে (নাউযুবিল্লাহ)
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ১২ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ১২ই রমাদ্বান শরীফ আজ। সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা সর্বোপরি নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সবার জন্য ফরজ।
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুবারক হো মহিমান্বিত ১১ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজ ক্বায়িম-মাক্বামে সিবতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম, হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সৌদি আরবের প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির সাথে বাংলাদেশের আরো জোরদার সম্পৃক্ততা তথা লেনদেন দরকার সৌদি আরব বাংলাদেশের অর্থনীতি একে অপরের বিশেষ পরিপূরক হতে পারে।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
হোটেল-রেস্তোরাঁয় দেদারসে বিক্রি হচ্ছে মরা মুরগি। দেখার কেউ নেই।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুবারক হো- মহামহিমান্বিত আযীমুশ শান ৯ই রমাদ্বান শরীফ! মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাঝে অনন্য জামিউল মাক্বামাত, জামিউল আলক্বাব, আল মানছূর, সাইয়্যিদুনা ইমাম হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফই পবিত্র যাকাত প্রদানের উৎকৃষ্ট সময়।
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার মহিমান্বিত, মহাপবিত্র ৭ তারিখ উনার সাথে সম্পর্কযুক্ত পবিত্র ৭ই রমাদ্বান শরীফ আজ। আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার শান-মান মুবারক অনুভব করা, মর্যাদা-মর্তবা মুবারক জানা, দয়া-ইহসান মুবারক উপলব্ধি করা, ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ ও নেক ছোহবত মুবারক হাছিল করা সর্বোপরি উনার নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া সমস্ত মহিলাদের জন্য ফরয।
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












