সম্পাদকীয়-১
আজ দিবাগত রাতটিই মহিমান্বিত মহামহিম পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! এবং মহিমান্বিত লাইলাতুর রগায়িবে হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম।
মহিমান্বিত লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ উনার ফযীলত মুবারক হাছিলের জন্য সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছায়াতলে উপনীত হওয়া বর্তমান যামানায় সবার জন্য ফরয-ওয়াজিব।
, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি নিয়ামত মুবারক রেখে যাচ্ছি। প্রথম নিয়ামত মুবারক হলেন- মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত কিতাব মুবারক। উনার মধ্যে রয়েছেন হিদায়েত মুবারক ও নূর মুবারক। তোমরা পবিত্র কিতাবুল্লাহ শরীফ উনাকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়িয়ে ধরো। তিনি পবিত্র কিতাবুল্লাহ শরীফ উনার প্রতি উৎসাহ প্রদান করলেন। অতঃপর বললেন, “দ্বিতীয় নিয়ামত মুবারক হলেন, আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। উনাদের ব্যাপারে তোমাদের সতর্ক করছি। উনাদের ব্যাপারে তোমাদের সতর্ক করছি। ”
প্রসঙ্গত, উক্ত মহান দুই নিয়ামত মুবারক উনাদের মূলই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদিয়া মুবারক করেছেন সম্মানিত ২৭শে রজবুল হারাম শরীফে। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রথমতঃ মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মূল অজুদ মুবারক, ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহিমান্বিত পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ; সম্মানিত ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ উম্মাহকে তথা কুল-কায়িনাতের সবার জন্য খাছভাবে হাদিয়া মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ! সুবহানাল্লাহ!
(২)
পাশাপাশি উল্লেখ্য যে, আজ ২৬শে রজবুল হারাম শরীফ দিবাগত রাত্রিটি অর্থাৎ ২৭ রজবুল হারাম শরীফ রাত্রিটি হলো- পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার সুমহান ও বরকতময় রাত।
পবিত্র মি’রাজ শরীফ হলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত উনার মধ্যে হতে একটি বিশেষ ফাযায়িল-ফযীলত; যা বিশ্বাস করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয। আর অস্বীকার ও অবজ্ঞা করা কাট্টা কুফরীর অন্তর্ভুক্ত।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রজনী মুবারকে মহান আল্লাহ পাক উনার আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ মুবারকে গিয়েছেন। অর্থাৎ প্রথম আসমান থেকে শুরু করে সপ্তম আসমান অতিক্রম করে সিদরাতুল মুনতাহা অতিক্রম করলেন- যেখানে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি বলেছেন, আমি যদি সিদরাতুল মুনতাহা থেকে এক চুলের মাথা পরিমাণ অগ্রগামী হই, তাহলে আমার ছয় শত (অন্য বর্ণনায় ছয় হাজার) পাখা জ্বলে-পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে। তাই তিনি সেখানে রয়ে গেলেন; সামনে আর অগ্রসর হলেন না। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সেই সিদরাতুল মুনতাহা অতিক্রম করে মহান আল্লাহ পাক উনার সাক্ষাৎ মুবারকে গেলেন। এরপর আরো অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জান্নাত পরিদর্শন করলেন, জাহান্নাম পরিদর্শন করলেন। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার সাক্ষাৎ মুবারকে এতোটাই নিকটবর্তী হয়েছিলেন যেমন- ধনুকের দুই মাথা যত নিকটবর্তী হয় বরং তার চেয়েও অধিক নিকটবর্তী হয়েছিলেন। সুবহানাল্লাহ!
(৩)
বলাবাহুল্য, এমন অতীব গুরুত্বপূর্ণ, ফযীলতপূর্ণ রাতটি সম্পর্কে রাষ্ট্রদ্বীন সম্মানিত ইসলাম উনার দেশ বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয় বা ইসলামিক ফাউন্ডেশন কোনোই আলোকপাত করেনি। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এবং রাষ্ট্রধর্ম পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে এটা স্বীকৃত হতে পারে না।
সে সাথে এদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান উনারাও এ ব্যাপারে নীরব ভূমিকা পালন করতে পারেন না, নিষ্ক্রিয় থাকতে পারেন না। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিটি পর্ব; বিশেষতঃ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সংশ্লিষ্ট প্রতিটি অনুষঙ্গ মুবারক এদেশের মুসলিম জনগণ ও সরকারকে যৌথভাবে যথাযথ গুরুত্ব, আদব, মুহব্বত, জজবা তথা শান-শওকতভাবে পালনের জন্য সর্বোত সক্রিয় হতে হবে। সরকারি ছুটি নিশ্চিত করতে হবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে পালনের জন্য সক্রিয় উদ্যোগ গ্রহণ ও বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করতে হবে।
(৪)
সে যুগে বিধর্মীরা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনাকে নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ছিল; এ যুগেও তাদের অনুসারীরা তদ্রƒপ দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মহান আল্লাহ পাক তিনি আকাশকে সাত স্তরে তৈরি করেছেন। পৃথিবীর নিকটতম আকাশকে করেছেন তারকারাজি তথা গ্রহ-নক্ষত্র দ্বারা সুশোভিত। যাদের সংখ্যা, প্রকৃতি ও অস্তিত্ব সম্পর্কে বিধর্মীদের জ্ঞান আজও খুবই নগণ্য। তাদের গবেষণা এখনো প্রথম আসমানের নিচে। নিকট সৌরজগতের গ-িই তারা এখনো ভালোভাবে অতিক্রম করতে পারেনি।
কাজেই পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্পূর্ণই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মু’জিযা শরীফ উনার অন্তর্ভুক্ত। বলা আবশ্যক, পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার মাধ্যমে যে অনন্য নিয়ামত মুবারক মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার দীদার মুবারক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে হাদিয়া মুবারক করেছেন; তাতে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মতকেও অংশীদার করেছেন পবিত্র ছলাত আদায় করার মাধ্যমে। অর্থাৎ ‘ছলাত’ই হলো উনার মূল সওগাত মুবারক।
(৫)
বলা সঙ্গত, যেসব মুসলমান নামায পড়ছে, কিন্তু পাপ ছাড়তে পারছে না- আসলে তাদের নামাযই হচ্ছে না। এর পেছনে কারণ হলো- তাদের কলুষযুক্ত ক্বলব বা অন্তঃকরণ। তারা নামাযে দাঁড়িয়ে মুখে আওড়াচ্ছে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ। কিন্তু মাথায়, মনে গিজগিজ করছে বিভিন্ন চিন্তা। এ ধরনের নামাযী সম্পর্কেই ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ওই মুছুল্লীর জন্য জাহান্নাম যে নামাযে বেখেয়াল থাকে। ” নাউযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা মাঊন শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৪, ৫)
সাবেত হয় যে, নামাযে দাঁড়িয়ে তারা মুখে যতই পবিত্র কুরআন শরীফ উনাকে তিলাওয়াত করুক, তা তাদের ক্বলব বা অন্তঃকরণ পর্যন্ত পৌঁছায় না। এজন্য পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে ক্বলবী যিকির উনাকে ফরয বলে স্বীকার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ক্বলবী যিকির থেকে গাফিল থাকার কারণেই নামধারী, ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’দের প্রকট প্রাদুর্ভাব চলছে। এদের সম্পর্কে তাই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ওই ব্যক্তিকে অনুসরণ করো না, যার ক্বলব আমার যিকির থেকে গাফিল। অর্থাৎ যার ক্বলবে আমার যিকির নেই সে নফসকে (শয়তানকে) অনুসরণ করে। আর তার কাজগুলো সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ। ” (পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮)
অতএব, ক্বলবী যিকিরবিহীন এসব ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা কোনোদিনই ক্বলব উনার শুদ্ধতা হাছিল ও দ্বীন উনার স্বাদ আস্বাদন এবং নামাযে পবিত্র মি’রাজ শরীফ হাছিল হওয়া সম্ভব নয়। তা সম্ভব কেবলমাত্র সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক উনার মধ্যে। উনার ক্বলব মুবারক বেমেছাল রূহানী ক্ষমতায় সমৃদ্ধ। সুবহানাল্লাহ!
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে কবুল করুন। আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মুবারক হো পবিত্র ২৩শে রমাদ্বান শরীফ! আজ সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আল মুত্বহহারাহ, আল মুত্বহহিরাহ, মালিকাতুল জান্নাহ, মালিকাতুল কায়িনাত সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বৈধ পথে বিদেশ গিয়ে ১০ বছরে অবৈধ হয়ে ফিরেছেন প্রায় ৭ লাখ বাংলাদেশী অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি দমনে পতিত সরকারের ন্যায় বর্তমান সব সরকারের নিষ্ক্রিয়তা- অতি নির্মম
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নিজেদের ক্যাশিয়ারদের সুযোগ করে দেয়ার জন্য পতিত সরকার দেশের চিনি শিল্পকে ধ্বংস করেছিলো। (নাউযুবিল্লাহ) যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা করলে অতীতের মত চিনি রফতানী করা যাবে ইনশাআল্লাহ খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র পরিক্রমায় চললেই সে প্রজ্ঞা পাওয়া সম্ভব ইনশাআল্লাহ
১২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহিমান্বিত সুমহান ২১ই রমাদ্বান শরীফ। যা ইমামুল আউলিয়া, হাবীবে ওয়া মাহবুবে রহমান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছামিন মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে ব্যয় বাড়লেও সুবিধার বাইরে ৭১ ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। দারিদ্রের যাঁতাকল থেকে জনগণকে বের করে না আনলে দেশ অবিলম্বে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। বাঁচতে হলে খিলাফত আলা মিনহাজিন নুবুওওয়াহ্র চেতনায়ই পাওয়া যাবে প্রকৃত নিরাপত্তা ও সফলতা ইনশাআল্লাহ
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের অর্থনীতি ধ্বংস এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করার লক্ষ্যে পার্শ্ববর্তী দেশের কঠিন নীল নকশা- জাল টাকার প্রবেশ ঘটানো জাল টাকার বিস্তার রোধে সরকার ও নাগরিকের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার
০৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহিমান্বিত সুমহান ১৮ই রমাদ্বান শরীফ। যা উম্মু আবীহা, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, ত্বহিরাহ, ত্বইয়্যিবাহ, বিনতু মিন বানাতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
০৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
মুবারক হো ১৭ই রমাদ্বান শরীফ! সুবহানাল্লাহ! আজকের এ মহান দিনে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি এবং আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অর্থাৎ উনারা মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সুবহানাল্লাহ!
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নির্বাহী আদেশে নয় সাংবিধানিক ভাবেই রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার এদেশে পবিত্র ঈদ উনার ছুটি কমপক্ষে ১৫ দিন হওয়া উচিত। ঈদ মুসলমানদের বাৎসরিক খুশীর দিন। সে খুশী পালনার্থে ৬৪ জেলাব্যাপী কোটি কোটি মুসলমানদের নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, অবস্থান করা এবং পুনরায় ফেরা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় বিবেচনায় এনে যাবতীয় ঈদ ব্যবস্থাপনা সরকারের একান্ত কর্তব্য ও অন্যতম বাস্তবতা।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মুবারক হো ১৫ই রমাদ্বান শরীফ! তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সম্মানিত পঞ্চম খলীফা, সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতিন্ নাবিইয়ি, আওলাদু রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
জালিম ও তাবেদার সরকারের করে যাওয়া আত্মঘাতী পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা আমলাদের বাধা অবদমন করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর পূরো কর্তৃত্বের অধিকার সেনাবাহিনীকেই প্রতিফলিত করে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জল ভূমিকা যেমন জ্বলজ্বল, উন্নয়নে ঝলমল তেমনি সংকটকালেও থাকুক সমুজ্জল
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












