পৃথিবীতে এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময় ছিল না কিন্তু হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সময় তা উৎপত্তি লাভ করে। যেমন জুমুয়ার ছানী আযান, তা আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সময় উৎপত্তি লাভ করে। এমনিভাবে মহিলারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময় মসজিদে যেতেন কিন্তু আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মুসলিমীন বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের জন্য গায়রে মাহরামদের সম্মুখে মুখমন্ডল বা চেহারাসহ সমস্ত শরীরই ঢেকে রাখা ফরয:
يايها النبى قل لازواجك وبناتك ونساء المؤمنين يدنين عليهن من جلابيبهن
উল্লেখিত আয়াত শরীফের মূল বিষয় হলো يدنين عليهن من جلابيبهن “তারা যেন তাদের মুখমন্ডলের উপর ‘জিলবাব’ جلباب চাদর বা পর্দা ঝুলিয়ে রাখে। جلباب ‘জিলবাব’ আরবী শব্দ, যা বড় চাদরকে বলা হয়। আর ادناء ‘ইদনা’ অর্থ নিকটবর্তী ও পেঁচিয়ে রাখা। কিন্তু এরপর على ‘আলা’ শব্দ আসলে এর অর্থ হবে ارخاء ‘ইরখা’ অর্থাৎ উপর দিক হতে নিচের দিকে ঝুলিয়ে দেয়া। তাই আয়াত শরীফের স্পষ্ট অর্থ হবে, ‘মহিলাগণ যেন তাদের শরীরে পরিহিত চাদরটিকে ভালভাবে পরà বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত কারশী মজ্জুব ছিলেন এক মহান বুযুর্গ। তিনি সর্বদা ইবাদত-বন্দেগী ও যিকির-ফিকিরে নিমগ্ন থাকতেন এবং সংসারের প্রতি উনার কিছুমাত্র আগ্রহ ছিল না। বিবাহের প্রচ- আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও কেবল এই কারণে তিনি বিবাহ করেননি যে, “আমার দ্বারা হয়ত অপরের কষ্ট হবে।” কিন্তু জীবনের শেষভাগে এসে তিনি সকলের অনুরোধে বিবাহ করতে সম্মত হন। অতঃপর নিজের মুরীদগণকে বললেন, তোমরা আমার জন্য পাত্রী দেখ। তবে পাত্রীকে পূর্বাহ্নেই আমার বিস্তারিত অবস্থা জ্ঞাত করানোর পর উনার মতামত চাইবে। আমার জীবনের অবস্থা জানার পর যদি কেউ আমার নেকাহে আসতে সম্মত হয়, তবে তো ভাল; অন্à বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের ঘরে নামায পড়ার উৎসাহ ও ফযীলত:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো উল্লেখ রয়েছে-
عَنْ حضرت أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، أَنَّهُ رَأَى ابْنَ مَسْعُودٍ يُخْرِجُ النِّسَاءَ مِنَ الْمَسْجِدِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَيَقُولُ:"اخْرُجْنَ إِلَى بُيُوتِكُنَّ خَيْرٌ لَكُنَّ". (رواه طبرنى)
অর্থ: হযরত আবু উমর শায়বানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দেখেছেন যে, তিনি জুমুয়ার দিন মহিলাদেরকে মসজিদ হতে একথা বলে বের করে দিতেন যে, “হে মহিলারা! তোমারা তোমাদের ঘরে চলে যাও।
কারণ নামাযের জন্য তোমাদের ঘরই উত্তম। (তবারানী শ বাকি অংশ পড়ুন...
“হিজাব বা পর্দা” সম্পর্কিত পবিত্র সূরা নূর শরীফ উনার ৩১ নং আয়াতাংশের তাফসীর বা ব্যাখ্যা:
وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِنْ زِينَتِهِنَّ
“আল্লাহ তায়ালা বলেন, (তারা যেন এমনভাবে পদচারণা না করে যাতে তাদের চুপানো সৌন্দর্য প্রকাশ হয়ে পড়ে)। জাহিলিয়াত যুগে মহিলারা যখন রাস্তায় চলতো, তখন যমীনের উপর সজোরে পা ফেলতো যাতে পায়ের নুপুর বেজে উঠে। আর পুরুষেরা তা শুনতে পেতো। মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিন মহিলাগণকে তাদের অনুরূপ করতে নিষেধ করেন। অনুরূপভাবে যে সৌন্দর্য লুকানো তা তারা প্রকাশ করার জন্য সজোরে চলতো এ বিষয়টি আয়াত শরীফে নিষেধ করঠবাকি অংশ পড়ুন...
নারীবাদীদের অবস্থা হলো,
১. তারা একক এক শক্তি পয়দা করতে চাচ্ছে।
২. তাদের সমাজে পুরুষ সঙ্গী রাখতে নারাজ।
৩. পুরুষদেরকেও নারীবাদী হতে হবে।
৪. এরা সমাজে থাকতে চায় কিন্তু সমাজের ধার ধারে না।
৫. অনেক পুরুষের সাথে বহুগামী হতে চায়, কিন্তু লুকাতে চায় তাদের বিকৃত লালসা।
৬. সরকারী লাইসেন্স পাওয়া পতিতা বৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহকে সানন্দে গ্রহণ করা এবং পতিতা হওয়ার উৎসাহ দেয়া।
৭. হারাম কাজে মশগুল অর্থাৎ প্রেম- প্রীতিকে বর্জন করার জন্য শরীয়তের বিধান অস্বীকার করা। নাউযুবিল্লাহ!
এখন কথা হলো, মুসলিম দেশে মুসলমান হয়েও যারা নারীবাদীত্বে ম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফ সমূহের ভিত্তিতে যতজন পুরুষ কর্তৃক মহিলাদেরকে এবং মহিলা কর্তৃক পুরুষকে দেখা করা বা দেখা দেয়া জায়িয তার একটি তালিকা দেয়া হলো-
ক. একজন পুরুষ কর্তৃক যতজন মহিলাকে দেখা জায়িয।
(১) মা (আপন ও সৎ উভয়েরই দেখা করা জায়িয)।
(২) দাদী, পরদাদী (এভাবে যত উর্ধ্বে যাক)।
(৩) নানী, পরনানী (এভাবে যত উর্ধ্বে যাক)
(৪) মেয়ে (বৈপিত্রেয়া, বৈমাত্রিয়া মেয়ে ও দুধ মেয়েও শামিল)
(৫) পুতনী (এখানে দুধ ছেলে ও বৈমাত্রেয়া ও বৈপিত্রেয় ছেলের মেয়েও শামিল)
(৬) নাতনী (এখানে দুধ মেয়ে ও বৈপিত্রেয়া মেয়ের মেয়েও শামিল)
(৭) বোন (তিন প্রকারঃ আপন, বৈমাত্রিয়া বোন ও বৈপিত্রিয় বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম। উনার কাছে একদিন এক ভিক্ষুক এসে হাজির হলো। ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি উনার শাহযাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনাকে বললেন, আপনার আম্মাজান সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুর রাবিয়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম উনার কাছে যান, আমি উনার কাছে ছয় দিরহাম রেখেছি, এর থেকে এক দিরহাম দিতে বলবেন।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমা বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে ঢাকাসহ সারাদেশে ভয়ঙ্করভাবে ছড়াচ্ছে এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু রোগ। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে দুই শতাধিক প্রাণহানী ঘটেছে। ডেঙ্গু হলে যে সমস্যার জন্য সবচেয়ে বেশি রোগী মারা যায় তা হলো রক্তে দ্রুত প্লাটিলেট কমে যাওয়া। ডেঙ্গু হলে এই মাত্রা দ্রুত কমে গিয়ে দেহে রক্তক্ষরণ ও নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেয়। ডেঙ্গু জ্বর হলে এই প্রয়োজনীয় রক্তের প্লাটিলেট বাড়াতে বা স্বাভাবিক রাখতে যেসব খাবার খেতে হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নিই।
প্লাটিলেট কি?
আমাদের রক্তের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ও প্রয়োজনীয় রক্তকণিকা হচ্ছে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকà বাকি অংশ পড়ুন...
শিশুরা হচ্ছে মাতা-পিতার নিকট রক্ষিত আমানত। আর এ আমানত সম্পর্কে আখেরাতে তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে। যদি মাতা-পিতা অজ্ঞতা ও অক্ষমতার কারণে শিশুদের দেখাশোনায় মনোযোগী না হয়, তবে অবশ্যই তাদের জবাবদিহি করতে হবে। শিশুরা শৈশবে তাদের প্রকৃত বিপদ কোনটি তা উপলব্ধি করতে পারে না। এ জন্যই পিতা-মাতার দায়িত্ব হচ্ছে তাদের সন্তানদের দেখাশোনা করা। শিশুদের চিকিৎসার ব্যাপারে এবং শিশুদের মারাত্মক রোগব্যাধি থেকে রক্ষার ব্যাপারে অন্যমনস্কতা প্রদর্শন থেকেও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সতর্ক করে দিয়েছেন।
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পা বাকি অংশ পড়ুন...












