পবিত্র দ্বীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা, যার মধ্যে পুরুষ-মহিলা উভয়ের জন্যই পবিত্র সুন্নতী লিবাস-পোশাকসহ মানব জীবনের সকল সমস্যার সুস্পষ্ট সমাধান দেয়া হয়েছে। অনেক আমল-ই মানুষ ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় করে থাকে। উক্ত আমল সমূহের মধ্যে কিছু আমল রয়েছে মূলতঃ পবিত্র সুন্নতী নেক-আমল মুবারক। কিন্তু পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের নিয়তে উক্ত আমলগুলি আদায় না করার কারণে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রিদ্বামন্দি-সন্তুষ্টি থেকেও বঞ্চিত হয়। ঐ সকল আমল মুবারক উনার মধ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বারোজন ইমামের মাঝে হযরত ইমাম মুহম্মদ তাক্বী আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন নবম, তাই উনাকে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুত তাসি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লক্বব মুবারকে সম্বোধন করা হয়। সকলের মাঝে তিনি হযরত ইমাম মুহম্মদ জাওয়াদ আলাইহিস সালাম হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তবে আসল নাম মুবারক সাইয়্যিদুনা মুহম্মদ আলাইহিস সালাম।
একদিন, তিনি বাগদাদ শরীফের এক গলিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন কিছু বালক বাগদাদের গলিতে খেলাধুলা করছিলো। হঠাৎ তৎকালীন কথিত খলীফা মামূনুর রশীদ সেখান দিয়ে গমন করল বাকি অংশ পড়ুন...
“অবশ্যই এই ঘটনা সমূহের মধ্যে রয়েছে জ্ঞানীদের জন্য নছীহত।” (পবিত্র সূরা ইউসুফ শরীফঃ পবিত্র আয়াত শরীফ নং ১১১)
“পূর্ববর্তীদের ঘটনাসমূহ পরবর্তীদের জন্য নছীহত স্বরূপ”
ঘটনা-৩৪: মিতব্যয়ীতা ও খোদাভীতি
সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন কাপড় ব্যবসায়ী। এর দ্বারাই তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন। খিলাফত মুবারকের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরদিন যথারীতি কয়েক খানা চাদর হাতে নিয়ে তিনি বাজারে চললেন। পথিমধ্যে সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সাথে সাক্ষাৎ হলে তিনি বললেন, “আপনি যদি বেচাকেনায় লিপ্ত থাকেন তবে বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর) ৩য় পর্ব:
সুওয়াল-৪১: একজন পুরুষ অথবা একজন মহিলা ইন্তেকালের পর তাদের পরিত্যক্ত সম্পত্তি কিভাবে বণ্টিত হবে? জানতে বাসনা রাখি।
জওয়াব মুবারক:
যদি কোন মাইয়্যিতের মা, স্ত্রী, ২ জন মেয়ে থাকে, তাহলে তার (মাইয়্যিতের) সম্পত্তি বণ্টন হবে এভাবে, মা-সমস্ত সম্পত্তির ৬ ভাগের ১ ভাগ, স্ত্রী- সমস্ত সম্পত্তির ৮ ভাগের ১ ভাগ, আর ২ মেয়ে-সমস্ত সম্পত্তির ৩ ভাগের ২ ভাগ। মা, স্ত্রী ও ২ মেয়ের ভগ্নাংশের হরের ল.সা.গু হয় ২৪। সুতরাং মা পাবেন সম্পত্তির ২৪ ভাগের ৪ ভাগ, স্ত্রী পাবেন সম্পত্তির ২৪ ভাগের ৩ ভাগ, আর ২ মেয়ে পাবে সম্পত্তির ২৪ ভাগের ১৬ ভাগ। বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَأَزِيْدَنَّكُمْ وَلَئِنْ كَفَرْتُمْ إِنَّ عَذَابِي لَشَدِيْدٌ
অর্থ মুবারক: “যদি তোমরা (নিয়ামত মুবারক উনার) শুকরিয়া আদায় কর, তাহলে তোমাদের জন্য (নিয়ামত মুবারক) বৃদ্ধি করে দেওয়া হবে, আর যদি তোমরা অস্বীকার করো অর্থাৎ শুকরিয়া না কর, তাহলে জেনে রাখ, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার আযাব অত্যন্ত কঠিন।” (সূরা ইবরাহীম শরীফ-৭)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ النُعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صلى الله عليه বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত মুসলমানদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, অবশ্যই তোমাদের সকলের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই উত্তম আদর্শ মুবারক রয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ২১)
মুসলমানদের জন্য প্রত্যেক অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পরিপূর্ণ অনুসরণ অনুকরণ করতে বাকি অংশ পড়ুন...
উহুদের জিহাদ সংগঠিত হলো। ইবলিস মিথ্যা কথা ছড়িয়ে দিল। কি মিথ্যা কথা। যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। নাউযুবিল্লাহ। তখন সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা চিন্তিত হলেন। যেহেতু উহুদের ময়দান পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে ৩ মাইল দূরবর্তী ছিল তখন যারা পুরুষ ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা অবশ্যই জিহাদের দিকে ধাবিত হলেন, প্রাণপন দিয়ে জিহাদ করতে থাকলেন। আর যারা মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনারা যারা ছিলেন, বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান নারীদের অবস্থা অবলোকন করলে আফসুস করতে হয় যে, তারা শুধু নামেই ‘মুসলিম মহিলা’। কিন্তু তাদের হাল-হাক্বীক্বত, সীরত-ছূরত অন্যান্য বাতিল ধর্মাবলম্বীদের মতো। প্রগতিশীল নারীবাদীদের দ্বারা উন্মুক্ত ‘মহিলা স্বাধীনতা’র বিষয় আজ ব্যাপক আলোচিত। ‘মহিলা স্বাধীনতা’র নামে ঘর থেকে মহিলাদের বের করতে উদ্বুদ্ধ করা, বেপর্দা হওয়া, ছেলে-মেয়ে একত্রে বাজারে বাজারে ঘুরে বেড়ানোর প্রচলন, মহিলা-পুরুষ একত্রে স্ব স্ব সহশিক্ষার স্থানে কর্মে নিয়োজিত ইত্যাদি কর্মকা-ের দাপটে আজ মহিলা সমাজ ডুকরে কাঁদছে। নিজেরাই বিসর্জন দিচ্ছে নিজ নিজ মান-সম্ভ্রম বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছেন যে, বর্তমান যামানায় মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ শুনবে এবং আমল করবে।
তবে তিনটা আয়াত শরীফ আমল তারা ছেড়ে দিয়েছে এবং তার গুরুত্ব অনুধাবনে মানুষ অক্ষম হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম হচ্ছে- মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে মানুষেরা! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা থেকে সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ হযরত আদম ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম ও হযরত উম্মুল বাশার হাওয়া আলাইহাস সালাম উনাদের থেকে সৃষ্টি করেছি।
তবে গোত্রে গোত্রে সম্প্রদায়ে সম্প্রদায়ে বিভক্ত করেছি। যাতে একজন আরেকজনের পরিচয় পে বাকি অংশ পড়ুন...
(গত ১৪ জুমাদাল ঊখরা শরীফের পর)
সারাবিশ্বে মহিলা নির্যাতনের অনেক কারণ রয়েছে। দেরীতে হলেও পাশ্চাত্যে অনেকের মধ্যে বোধোদয় ঘটেছে যে, পশ্চিমা বিশ্বে অপরাধ প্রবণতা, হত্যা, নির্যাতনসহ সামাজিক অস্থিরতার প্রধান কারণ হচ্ছে সমঅধিকারের নামে সামাজিক বন্ধনের অস্তিত্ব বিনাশ। এই সামাজিক বন্ধন লোপ পাওয়ার পেছনে রয়েছে অবাধ অশ্লীল স্বাধীনতা। অবাধ অশ্লীল স্বাধীনতার কারণে তারা আজ ধ্বংসের মুখোমুখি। এই ভয়াবহ ধ্বংস ঠেকানোর জন্য তারা আবার পরিবার প্রথার দিকে ফিরে যাওয়ার চেষ্ঠা করছে। এর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। এজন্য পোপ জন পল আমেরিকায় এক সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
পৃথিবীতে এমন অনেক বিষয় রয়েছে, যা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময় ছিল না কিন্তু হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সময় তা উৎপত্তি লাভ করে। যেমন জুমুয়ার ছানী আযান, তা আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সময় উৎপত্তি লাভ করে। এমনিভাবে মহিলারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময় মসজিদে যেতেন কিন্তু আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মুসলিমীন বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলাদের জন্য গায়রে মাহরামদের সম্মুখে মুখমন্ডল বা চেহারাসহ সমস্ত শরীরই ঢেকে রাখা ফরয:
يايها النبى قل لازواجك وبناتك ونساء المؤمنين يدنين عليهن من جلابيبهن
উল্লেখিত আয়াত শরীফের মূল বিষয় হলো يدنين عليهن من جلابيبهن “তারা যেন তাদের মুখমন্ডলের উপর ‘জিলবাব’ جلباب চাদর বা পর্দা ঝুলিয়ে রাখে। جلباب ‘জিলবাব’ আরবী শব্দ, যা বড় চাদরকে বলা হয়। আর ادناء ‘ইদনা’ অর্থ নিকটবর্তী ও পেঁচিয়ে রাখা। কিন্তু এরপর على ‘আলা’ শব্দ আসলে এর অর্থ হবে ارخاء ‘ইরখা’ অর্থাৎ উপর দিক হতে নিচের দিকে ঝুলিয়ে দেয়া। তাই আয়াত শরীফের স্পষ্ট অর্থ হবে, ‘মহিলাগণ যেন তাদের শরীরে পরিহিত চাদরটিকে ভালভাবে পর বাকি অংশ পড়ুন...












