বড় বড় অনেক তাফসীর, হাদীছ শরীফ ও ফিক্বাহর কিতাব সমূহে অসংখ্য ইজরাঈলী রেওয়ায়েত বা মাওদ্বূ’ হাদীছ রয়েছে
একথা সর্বজন স্বীকৃত যে, অনেক বড় বড় তাফসীর শরীফ, হাদীছ শরীফ ও ফিক্বাহর কিতাব সমূহে অসংখ্য ইজরাঈলী রেওয়ায়েত বা মাওজূ’ হাদীছ পাওয়া যায়, যা সরাসরি পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদার খিলাফ। যা ইহুদী, নাছারা ও মুনাফিকরা গভীর ষড়যন্ত্র করে বড় বড় কিতাব সমূহে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। যেমন:
(১) বুখারী শরীফে রয়েছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা (حزبين) দু-দলে বিভক্ত ছিলেন। (নাঊযু বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিরুদ্ধবাদী নারীবাদীদের চাপে সরকার ২০১১ সালের ৭ই মার্চে কথিত ‘সিডও’ সনদের সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিরোধী সকল সংরক্ষিত ধারা উঠিয়ে পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দিয়েছে। যদিও পূর্বে কোন সরকারই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম বিরোধী এসব ধারা সমর্থন করেনি। এমনকি জাতিসংঘের চাপ সত্ত্বেও এসব ধারায় সংরক্ষণ দিয়ে রেখেছিলো।
সিডও সনদ অনুমোদনের আগে নারীবাদীরা সরকারকে হুমকী দিয়ে যাচ্ছিল। এর প্রেক্ষিতে সরকারের উপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টিতে ২০১১ সালের ১২ই জানুয়ারী রাজধানীর ইস্কাটনের ‘বিয়াম অডিটরিয়ামে সিটিজেন ইনিশিয়েটিভস অন সিডও’ বাংলাদেশ, বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু; তিনি তখনও পবিত্র ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে দাখিল হননি। সে সময় মক্কা শরীফ-এর কাফির গং আইন জারি করে দিল যে- যে কেউ নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি যদি কোন প্রকার সম্পর্ক স্থাপন করে কিংবা প্রকাশ তবে তার একমাত্র শাস্তি হবে মৃত্যুদ-। (নাঊযুবিল্লাহ) ঠিক এই সময় কোন একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাস্তা অতিক্রম করছিলেন। পথিমধ্যে হযরত আকরামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর প বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, বিশিষ্ট মহিলা ছাহাবীয়া হযরত ওয়াফরাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা, তিনি মহিলা ছাহাবী হওয়ার পরেও অনেক জিহাদে তিনি শরীক ছিলেন। উনার ৭ জন সন্তান ছিলেন, বদরের জিহাদের সময়। ৭ জন সন্তানের মধ্যে বড় সন্তান যিনি, উনার বয়স বেশী না, ১৫-১৬ হবে। উনার দাড়ি মোছ তেমন উঠেনি কিন্তু উঁচু লম্বা ছিলেন, স্বাস্থ্য খুব ভাল ছিল। উনারা ২ ভাই, একজন ১৫-১৬ হতে পারে, অপরজন ১৪-১৫ বছর। বাকিরা সকলেই ছোট ছিলেন। উনারা ২ ভাইয়ের স্বাস্থ ভাল, উঁচু লম্বা ছিলেন।
হযরত ওয়াফরাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি শুনেছেন, জেনেছেন যে, আবু জাহেল কা বাকি অংশ পড়ুন...
দোয়া বা মুনাজাত করা খাছ সুন্নত মুবারক। মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দোয়া বা মুনাজাত করা পছন্দ করেন। যারা বেশী বেশী দোয়া করেন তাদেরকে উনারা মুহব্বত করেন। তাদেরকে গভীর তায়াল্লুক ও নিসবত মুবারক দান করেন। পরমুখাপেক্ষীতা হতে মুক্তি দান করেন। তারা হন স্বয়ংসম্পূর্ণ ও মর্যাদাবান।
নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুম উনাদেরকে বেশী বেশী দোয়া ক বাকি অংশ পড়ুন...
সুলত্বানুল মাশায়িখ, ইমামুল মুহসিনীন, ইমামুছ ছিদ্দীক্বীন, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাদিস আলাইহিস সালাম তিনি হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের ৬ষ্ঠ ইমাম। উনার মুবারক নাম জা’ফর। জা’ফর অর্থ সাগর। সত্যিকার অর্থে তিনি ইলিম, আক্বল-সমঝে, মা’রিফাত-মুহব্বত প্রাপ্তিতে সাগরতুল্য। কুনিয়াত- আবূ আবদিল্লাহ ও আবূ ইসমাঈল। ‘ছাদিক্ব¡’ হচ্ছে উনার বিশেষ লক্বব মুবারক। এই লক্বব মুবারক ছাড়াও উনার আরো অনেক লক্বব মুবারক রয়েছে যেগুলো উনার মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মানের বহিঃপ্রকাশ। তিনি ৯৬ হিজরী সনে পবিত্র মদ বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে তাক্বওয়া সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ.অর্থ: “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বাধিক সম্মানিত যিনি সবচেয়ে বেশি মুত্তাকী বা তাক্বওয়া অবলম্বনকারী। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সবকিছু জানেন এবং সব বিষয়ে অবহিত।” (পবিত্র সূরা হুজুরাত শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩)
যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেন সে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুয বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রথম খলীফা খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকাল। সবদিকে চলছে ইনসাফপূর্ণ শাসন ব্যবস্থা। তারপরও খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার একজন বিচারক প্রয়োজন বোধ করলেন। তিনি আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার বিচারক মনোনিত করলেন।
বিচারক হিসেবে সাইয়্যিদ বাকি অংশ পড়ুন...
হিজাব বা পর্দা করার পদ্ধতি
মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিন মহিলাদেরকে হিজাব বা পর্দা করার নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন এবং বাইরে বের হওয়ার সময় পুরো শরীর ঢেকে থাকে এমন কাপড় পরিধান করার নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন তাদের ইজ্জত-সম্মান, মর্যাদা রক্ষা বা হিফাযত করার জন্যই। ব্যাখ্যাকারকগণ এই পর্দার পদ্ধতি সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছেন। হযরত ইবনু জারীর ত্ববারী রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত ইবনু সীরীন রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (ইবনু সীরীন রহমতুল্লাহি আলাইহি) বলেছেন: আমি হযরত উবাইদা সালমানী রহমতুল্লাহি আলাইহিকে يدنين عليهن বাকি অংশ পড়ুন...
অনুসরণীয় ইমাম, মুজতাহিদগণ উনারা পর্দার গুরুত্ব, মহিলাদের ঘরে নামায পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ ও তাদের ঘরে নামায পড়া সংক্রান্ত ফযীলতপূর্ণ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা এবং আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিষেধাজ্ঞা ও হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার সমর্থন বা সত্যায়ন মুবারকের ভিত্তিতে ইজতিহাদ করতঃ কেউ কেউ বিনা শর্তে মাকরূহ্ তাহরীমী ফতওয়া দেন, আর কেউ কেউ শর্ত সাপেক্ষে মাকরূহ্ তাহরীমী ফতওয়া দেন। তবে হানাফী মাযহাবের সকল ইমামগণ উনারা বিনা শর্তে মাকরূহ্ তাহরীমী ফতওয়া দেন এবং উক্ বাকি অংশ পড়ুন...
গত শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে পশ্চিমা নাগরিকদের মধ্যে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের হার খুব দ্রুত গতিতে বাড়ছে। এ অবস্থায় তথাকথিত গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও মানবাধিকার রক্ষার দাবিদার পশ্চিমা সরকারগুলো সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার সম্পর্কে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি নানা ঠুনকো অজুহাতে পাশ্চাত্যের মুসলমান নাগরিকদের ধর্মীয় অধিকারগুলো লংঘন করছে। এক্ষেত্রে পশ্চিমা সরকারগুলোর মধ্যে ফরাসি সরকার সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা বা বেশি সংকীর্ণতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। প্যারিস নারী অধিকারের কথিত সমর্থক হবার দাবিদার হওয়া সত্ত্বেও দেশটিতে মুসলিম নার বাকি অংশ পড়ুন...












