প্রকৃত নাম ছিলো সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাহলা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। কিন্তু সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা নামে মশহুর। ইতিহাসে এ নামেই সবাই উনার পরিচিতি লাভ করেছেন। উনার পিতার নাম মিলহান। তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রসিদ্ধ বনু নাজ্জার গোত্রের মেয়ে ছিলেন। সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খালা হওয়ার অনন্য মহাসম্মানিত গৌরব অর্জন করেন। তিনি প্রথমে মালেক ইবনে নাজ্জারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। আমাদের সাথে কারো কোনো ক্বিয়াস বা তুলনা করা যাবে না।’ (দায়লামী শরীফ)
কাজেই, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে আলাদা পরিভাষা মুবারক দ্বারা সম্বোধন করা আবশ্যক এবং আদব উনার অন্তর্ভুক্ত। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি মহাপবিত্র মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্যতম বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “যারা বাইয়াতে রিদ্বওয়ানে অংশ নিয়েছেন উনারা জান্নাতে প্রবেশ করবেন”।
হযরত উম্মু মুনযির সালামা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহা পবিত্র বাইয়াতে রিদ্বওয়ানে অংশগ্রহণের গৌরব লাভ করেছিলেন।
হযরত উম্মু মুনযির সালামা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহা তিনি বনু নাজ্জার গোত্রের প্রসিদ্ধ একজন মহিলা ছাহাবী ছিলেন। উনার ভাই হচ্ছেন বিখ্যাত ছাহাবী হযরত সালিত বিন কায়েস রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু, যিনি বদর যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। বাকি অংশ পড়ুন...
মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণ উনাদের দিকে লক্ষ্য করলেও সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ব্যাপক আঞ্জামের বিষয়টি দেখতে পাই। হযরত পুরুষ ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের কামিয়াবীর পিছনে মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্নাগণ উনাদের অবদানও ছিল বেমেছাল। যেমন তাবুকের জিহাদের সময় যিনি খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার কাছে তেমন কোন অর্থ মুবারক ছিলো না কারণ একদিকে ফসল কাটার সময় তখনও হয়নি অর্থাৎ ফসল উঠলে তা বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করার কথা ছিল। কিন্তু তখনও ফসল ও ফ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ৩৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা (মহিলারা) তোমাদের ঘরে অবস্থান কর এবং আইয়ামে জাহিলিয়াতের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে রাস্তায় বের হয়ো না।”
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি মহিলাদেরকে ঘরে অবস্থান করার নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন। এবং সৌন্দর্য প্রদর্শন করে রাস্তায় বের হতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ মহিলাদেরকে ঘর থেকে বের হতে হলে সৌন্দর্য চুপিয়ে রেখে বের হতে হবে। সেজন্য আপাদমস্তক ঢে বাকি অংশ পড়ুন...
(গত ১৮ রজবুল হারাম শরীফের পর)
নারী নির্যাতনের অন্যতম আরেকটি কারণ হলো, বাধহীন উদ্দাম পশ্চিমা অশ্লীল সংস্কৃতি ভ্যালেন্টাইন ডে’র প্রচলন। ভ্যালেন্টাইনস ডে’র খপ্পরে পড়ে দেশের হাজার হাজার তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী, পুরুষ-মহিলা নারীটিজিং, সম্ভ্রমহরণ, পরকিয়া, খুন ইত্যাদি হাজারো অসামাজিক ও গর্হিত অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছর ১৪ ফেব্রুয়ারী ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ বা ‘ভালোবাসা দিবস’ পালিত হয়ে থাকে। যেমন আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারী তাদের কথিত দিবস উপলক্ষে মাতামাতি করবে। নাঊযুবিল্লাহ। ভ্যালেন্টাইন ডে মূলত খ্রিষ্টানদের থেকে উদ্ভূত এ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ৩৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা (মহিলারা) তোমাদের ঘরে অবস্থান কর এবং আইয়্যামে জাহিলিয়াতের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে রাস্তায় বের হয়ো না।”
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি মহিলাদেরকে ঘরে অবস্থান করার নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন। এবং সৌন্দর্য প্রদর্শন করে রাস্তায় বের হতে নিষেধ করেছেন। অর্থাৎ মহিলাদেরকে ঘর থেকে বের হতে হলে সৌন্দর্য চুপিয়ে রেখে বের হতে হবে। সেজন্য আপাদমস্তক ঢ বাকি অংশ পড়ুন...
বড় ইস্তেঞ্জা বা পায়খানা কষা শক্ত হওয়াকেই মূলত কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়। এটি খুব পরিচিত একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। অনেকেরই মাঝে মাঝে বড় ইস্তিঞ্জা খুব শক্ত হয়ে যায়, মলত্যাগের সময় অনেকক্ষণ কসরত করতে হয়। এ ছাড়া বড় ইস্তিঞ্জা করার পর মনে হয় পেট ঠিকমতো পরিষ্কার হয়নি।
কোষ্ঠকাঠিন্য হলে বড় ইস্তিঞ্জা শক্ত হয়, যার কারণে অনেকে মলত্যাগের সময় ব্যথা অনুভব করেন। কারও কারও ক্ষেত্রে একটানা ৩-৪ দিন বড় ইস্তিঞ্জা নাও হতে পারে। এগুলো সবই সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণ। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পাইলস বা অর্শ রোগ কিংবা এনাল ফিসার বা গেজ রোগ এর মতো পায়ুপথের বাকি অংশ পড়ুন...
যে সকল পবিত্র আয়াত শরীফসমূহ দ্বারা ‘হিজাব বা পর্দা’ ফরয প্রমাণিত হয়েছে তা দ্বারা এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে, শুধু বোরকা বা পর্দা করে রাস্তায় বের হওয়ার নাম হিজাব বা পর্দা নয়। বরং তার সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট আয়াত শরীফসমূহে উল্লেখিত সকল হুকুম-আহ্কামসমূহ মেনে চলার নামই হচ্ছে “শরয়ী হিজাব বা পর্দা”।
যেমন, কারো ঘরে প্রবেশ করার পূর্বে অনুমতি নেয়া, মাহরাম ব্যতীত অন্য কারো সাথে দেখা-সাক্ষাত না করা, মাহরামদের সামনেও শালীনতা বজায় রাখা, চলাচলের সময় পুরুষ-মহিলা উভয়ের দৃষ্টিকে অবনত রাখা, নিজেদের লজ্জাস্থানকে হিফাজত করা, বিনা প্রয়োজনে গলার আওয়াজ ব বাকি অংশ পড়ুন...
প্রকাশ থাকে যে, আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি মহিলাদেরকে জামায়াতে নামায পড়তে মসজিদে যেতে নিষেধ করেন এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি তা পূর্ণ সমর্থন ও সত্যায়িত করেন। এর দ্বারা এটা প্রতিভাত যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিষেধকৃত বিষয়কে এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার সমর্থন ও সত্যায়নকৃত বিষয়কে যারা মানবে না তারা ঈমান ও ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে বেগানা পুরুষ-মহিলার কোনো নির্জন স্থানে একাকী বাস, কিছুক্ষণের জন্যও লোক-চক্ষুর অন্তরালে, ঘরের ভিতরে, পর্দার আড়ালে একান্তে অবস্থান হারাম। এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে একাকী হলেই তাদের তৃতীয় ব্যক্তি হয় শয়তান তথা তাদের উভয়কেই গুনাহের কাজে লিপ্ত হওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
বড় বড় অনেক তাফসীর, হাদীছ শরীফ ও ফিক্বাহর কিতাব সমূহে অসংখ্য ইজরাঈলী রেওয়ায়েত বা মাওদ্বূ’ হাদীছ রয়েছে
একথা সর্বজন স্বীকৃত যে, অনেক বড় বড় তাফসীর শরীফ, হাদীছ শরীফ ও ফিক্বাহর কিতাব সমূহে অসংখ্য ইজরাঈলী রেওয়ায়েত বা মাওজূ’ হাদীছ পাওয়া যায়, যা সরাসরি পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার আক্বীদার খিলাফ। যা ইহুদী, নাছারা ও মুনাফিকরা গভীর ষড়যন্ত্র করে বড় বড় কিতাব সমূহে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। যেমন:
(১) বুখারী শরীফে রয়েছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা (حزبين) দু-দলে বিভক্ত ছিলেন। (নাঊযু বাকি অংশ পড়ুন...












