মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার পরিভাষিক অর্থে বলা হয়-
مَا نُقِلَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ قَوْلٍ أَوْ فِعْلٍ أَوْ تَقْرِيْرٍ وَعَلَى مَا جَاءَ عَنِ الصَّحَابَةِ أَوْ الخُلَفَاءِ الرَّاشِدِيْنَ
অর্থ: ‘মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হলো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত কথা মুবারক, মহাসম্মানিত কর্ম মুবারক ও মহাসম্মানিত মৌন সম্মতি মুবারক থেকে যা বর্ণিত হয়েছে এবং যা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম ও হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের পক্ষ থেকে এসেছে’।
কেউ কেউ বলেন-
السُّنَّةُ مَا وَرَدَ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অধিকাংশ সময়েই চাদর মুবারক ব্যবহার করেছেন। পবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারক উনার উপর বা জামা মুবারক উনার উপরে যা পরিধান করতেন তার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় ছিলো চাদর মুবারক।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দু’ধরণের চাদর মুবারক ব্যবহার করতেন। ১. ছোট চাদর, ২. বড় চাদর। ছোট চাদর মুবারক উনার দৈর্ঘ্য ছিলো ৪ (চার) হাত। আর প্রস্থ ছিলো ২.৫ (আড়াই) হাত। আর বড় চাদর মুবারক উনার দৈর্ঘ্য ছিল ৬ হাত এবং প্রস্থ ছিল ৩.৫ (সাড়ে তিন) বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা তরকারী বা অন্যান্য খাদ্য রাখার জন্য পাত্র হিসেবে কাঠের বাটি বা পেয়ালা ব্যবহার করতেন। এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে পেশ করতেন। সুবহানাল্লাহ! অর্থ্যাৎ খাবার গ্রহণ ও পরিবেশনের সময় কাঠের প্লেট, বাটি ও লবণদানি ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক।
সুন্নতী কাঠের বাটি, প্লেট, লবণদানিসহ খাবার খাওয়ার বিভিন্ন ধরণের সুন্নতী পাত্র এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরণের সুন্নতী বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি খয়েরী রং-এর চামড়ার বালিশ মুবারক ব্যবহার করতেন। সুবহানাল্লাহ! অর্থ্যাৎ খয়েরীর রং-এর চামড়ার বালিশ ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া এ সকল সুন্নত সমূহকে পুনরায় জিন্দা করে জারি করার ব্যবস্থা করেছেন এবং করে যাচ্ছেন রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ! আর এ জন্যই উনারই মুবারক পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “আন্তর্জাত বাকি অংশ পড়ুন...
আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
اَشِدَّاءُ عَلَى الْكُفَّارِ
অর্থাৎ কাফেরদের প্রতি কঠোর। আর সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَلْحَقُّ يَنْطِقُ عَلَى لِسَانِ عُمَرَ.
অর্থ: স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত উমর ফারূক্ব আলাইহিস সালাম উনার জবানে কথা বলেন।
সেই হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খেলাফতকালে জেরুজালেম তথা বায়তুল মোকাদ্দাস ইহুদীদের হাত থেকে মুক্ত করেন মুসলিম সেনাপতি বিশিষ্ট বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্ নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ বা সবচেয়ে ফযীলতপূর্ণ সম্মানিত মানুষ হচ্ছেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে¡ আকবর আলাইহিস সালাম।
আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফাতু রসূলিল্লাহ্, সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে¡ আকবর আলাইহিস সালাম উনার এতো মর্যাদা ও ফযীলত মুবারক লাভ করার অন্যতম কারণ হচ্ছে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মোজা পরিধানের পূর্বে তা ভালোভাবে ঝেড়ে পরিস্কার করে নিতে আদেশ মুবারক করা হয়েছে। কেননা এতে করে অনেক অনিষ্টকর প্রাণি বা বস্তুর অনিষ্টতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ أَبـِيْ أُمَامَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ دَعَا رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِـخُفَّيْهِ يَلْبَسْهُمَا فَلَبِسَ أَحَدَهُـمَا ثُـمَّ جَآءَ غُرَابٌ فَاحْتَمَلَ الْآخَرَ، فَرَمٰى بِه فَخَرَجَتْ مِنْهُ حَيَّةٌ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى الله عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَلْبَسْ خُفَّيْهِ حَتّٰى يَنْفُضَهُمَا
অর্থ: হযর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
হাদীছ শরীফ উনার মাঝে বর্ণিত আছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে খেজুর ও আঙুর মিশ্রিত শরবত পেশ করতেন এবং তা থেকে তিনি খেতেন। সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আঙুর ফল রক্তকে বিশুদ্ধ করে, বলিষ্ঠতা দান করে এবং কিডনিতে শক্তি সঞ্চার করে তাকে পরিষ্কার করে। ” সুবহানাল্লাহ!
বরকতময় এ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় সুন্নতী বিষয়াদিসহ সকল প্রকার সুন্ন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভাত বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয় একটি খাদ্য। কিন্তু অনেকেরই জানা নেই, এই ভাতও সুন্নতী খাবারের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
ভাত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দুনিয়াতে শ্রেষ্ঠ খাবার হচ্ছে গোশত এরপর ভাত। (আল মাকাসিদুল হাসানা, লেখক- বিখ্যাত মুহাদ্দিছ ইমাম সাখাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি) (তিব্বুন নববী ৭৩৫ পৃষ্ঠা, হাদীছ শরীফ নং ৮৪৯, লেখক: হাফিজুল হাদীছ আবু নুয়াইম আছবাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি)
‘কিতাবুল বারাকাতে’ নূরে মু বাকি অংশ পড়ুন...
অধিকাংশ সময় জুতা পরিধান করে থাকা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্তঃ
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رضى الله تعالى عنه ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي غَزْوَةٍ غَزَوْنَاهَا " اسْتَكْثِرُوا مِنَ النِّعَالِ فَإِنَّ الرَّجُلَ لاَ يَزَالُ رَاكِبًا مَا انْتَعَلَ "
অর্থঃ হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে এক যুদ্ধে ইরশাদ মুবারক করতে শুনেছি, তোমরা বেশি ব বাকি অংশ পড়ুন...












