মহিলা/বালিকাদের সুন্নতী পোশাকসমূহ:
১) ক্বামীছ (গোলজামা)
২) সেলোয়ার
৩) ওড়না বা চাদর
৪) বোরকা বা হিজাব
৫) হাত মোজা ও পা-মোজা
৬) সুন্নতী নালাইন (স্যান্ডেল)
আল ইহসান ডেস্ক:
আফদ্বালুন নাস ওয়ান নিসা বা’দা রসূল্লিাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাই হলেন সকল মহিলাদের জন্য একমাত্র আদর্শ মুবারক। উনাদের অনুসরন ও অনুকরন মুবারকই মহিলাদের জন্য সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
তাই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা যে ধরণের পোশাক মুবারক পরিধান করেছেন, যেভাবে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ يَـقُوْلُ مَا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِزَارِ فَـهُوَ فِي الْقَمِيْصِ
অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লুঙ্গি যেমন নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে, তদ্রুপ জামাও নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে। (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুল আওসাত, শুয়াবুল ঈমান ৮/২২০)
মূলত, ক্বমীছ বা জামা ও ইযার বা লুঙ্গি সমান সমান হতে পারে আবা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সুগন্ধি হিসেবে আতর মুবারক ব্যবহার করেছেন। সুবহানাল্লাহ! তাই বিশ্বজুড়েই সুন্নত হিসেবে আতর ব্যবহার অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত সুগন্ধি। কিন্তু দুঃখজনক সত্য যে, কাফির-মুশরিকদের চক্রান্তে এখন দেশ-বিদেশের অনেক আতরেই হারাম এলকোহল মিশ্রিত করা হয়। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু অনেক মুসলমান অজ্ঞতার কারণে এসব এলকোহল মিশ্রিত সুগন্ধি ব্যবহার করছেন। যার কারনে তাদের কাপড় ও শরীর অপবিত্র হয়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
এ কারণেই রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানি বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْلَمَ عَلٰى حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ اَلْعَاشِرَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِسَوِيْقٍ وَتَمْرٍ.
অর্থ: “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মনীন আল ‘আশিরাহ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নিসবতে আযীম শরীফে ওলীমা মুবারক করেছিলেন খুরমা ও ছাতু সহযোগে। ” (আবূ দাউ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
হাদীছ শরীফ উনার মাঝে বর্ণিত আছে, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে খেজুর ও আঙুর মিশ্রিত শরবত পেশ করতেন এবং তা থেকে তিনি খেতেন। সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “আঙুর ফল রক্তকে বিশুদ্ধ করে, বলিষ্ঠতা দান করে এবং কিডনিতে শক্তি সঞ্চার করে তাকে পরিষ্কার করে। ” সুবহানাল্লাহ!
বরকতময় এ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় সুন্নতী বিষয়াদিসহ সকল প্রকার সুন্ন বাকি অংশ পড়ুন...
যমযমের পানি ক্ষুধার্তের খাদ্য ও রোগের শেফা:
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِي ذَرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَكَرَا زَمْزَمَ فَقَالَ إِنَّهَا مُبَارَكَةٌ إِنَّهَا طَعَامُ طُعْمٍ وَشِفَاءُ سُقْمٍ.
অর্থ: “হযরত আবূ যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই যমযমের পানি বরকতপূর্ণ। তা তৃপ্তিকর খাদ্য এবং রোগ নিরাময়ের ঔষধ। ” (মু’জামুছ ছগীর লিত ত্বব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ভাত বিশ্বজুড়েই জনপ্রিয় একটি খাদ্য। কিন্তু অনেকেরই জানা নেই, এই ভাতও সুন্নতী খাবারের অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ!
ভাত সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দুনিয়াতে শ্রেষ্ঠ খাবার হচ্ছে গোশত এরপর ভাত। (আল মাকাসিদুল হাসানা, লেখক- বিখ্যাত মুহাদ্দিছ ইমাম সাখাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি) (তিব্বুন নববী ৭৩৫ পৃষ্ঠা, হাদীছ শরীফ নং ৮৪৯, লেখক: হাফিজুল হাদীছ আবু নুয়াইম আছবাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি)
‘কিতাবুল বারাকাতে’ নূরে মু বাকি অংশ পড়ুন...
ফির-মুশরিকদের অনুকরণে তাদের আবিষ্কৃত বিভিন্ন খাবার গ্রহণের ফলে সম্মানিত মুসলমানদের যে কুফল/ক্ষতি হতে পারে -
১) কাফিরদের খাবারে হারাম মিশ্রিত থাকতে পারে। যেমন শুকরের চর্বি, এলকোহল, গো-মূত্র, গোবর ইত্যাদি হারাম উপাদান মিশ্রিত থাকতে পারে।
২) কাফিরদের খাবারগুলোর বেশিরভাগই জাঙ্ক ফুড অর্থাৎ কৃত্রিম খাদ্য যাতে চর্বি, লবণ, কার্বনেট ইত্যাদি ক্ষতিকারক দ্রব্যের আধিক্য থাকে। যেমন: আলুর চিপস, বার্ডার চকলেট ইত্যাদি।
৩) কাফিরদের খাবারগুলো একদিকে কৃত্রিম খাদ্য অন্যদিকে ক্ষতিকারক দ্রব্যের আধিক্য থাকার কারণে তা গ্রহণ করা স্বাস্থ্যগতভ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
চিশতীয়া তরীক্বার ইমাম, সুলতানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ্ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চিশতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিখ্যাত কিতাব “আনীসুল আরওয়াহ”-এ বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রথম এই ‘কুল্লাহ্ চাহার তর্কী’ (চার টুকরা বিশিষ্ট গোল টুপি) হযরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম উনার মাধ্যমে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি উনার পক্ষ থেকে হাদিয়া করেন। ৪ টুকরা বিশিষ্ট এই টুপির বর্ণনা অনুরূপভাবে ‘দলীলুল আরেফীন’ ও ‘ইসরারুল আউলিয়া’ নামক কিতাবেও উল্লেখ আছে। এ টুপি বাকি অংশ পড়ুন...
১. সম্মানিত সুন্নতী খাদ্য গ্রহণ করা মানেই হচ্ছে সম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করা। আর তাই সম্মানিত সুন্নতী খাদ্য গ্রহণকারী ব্যক্তি সম্মানিত জান্নাতে অবস্থান করবেন। সুবহানাল্লাহ!
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
قال حضرت انس بن مالك رضي الله تعالى عنه قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم يا بُنَيَّ ! إِنْ قدَرْتَ أنْ تُصْبِحَ وتُمْسِي ، ليس في قلْبِكَ غِشٌّ لأحدٍ فافعَلْ ، ثُمَّ قال : يا بُنَيَّ ! وذلِكَ مِنْ سُنَّتِي ، ومَنْ أحبَّ سُنَّتِي ؛ فقدْ أحبَّنِي ؛ ومَنْ أحبَّنِي ؛ كان مَعِيَ في الجنَّةِ
অর্থ: “হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্ল বাকি অংশ পড়ুন...












