নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদত শরীফ উনার সম্মানার্থে, ‘ফালইয়াফরাহু’ বা খুশি মুবারক প্রকাশ করা ফরয। যা মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ بِفَضْلِ اللَّهِ وَبِرَحْمَتِهِ فَبِذَٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوا هُوَ خَيْرٌ مِّمَّا يَجْمَعُونَ ﴿٥٨﴾
অর্থ : আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতকে বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত ফদ্বল বা অনুগ্রহ মুবারক ও সম্মানিত রহমত মুবারক (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুয বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ২৬শে শাওওয়াল শরীফ ১৪৪১ হিজরী ইয়াওমুল জুমু’আহ্ শরীফ; পবিত্র জুমু’আহ শরীফ উনার আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আমরা একটা স্বপ্নের কথা বলেছিলাম। জুমু’আহতে বলা হয়নি। রাতে (২৩শে শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ বা মঙ্গলবার রাত্রে) বলা হয়েছিলো। যে, আমি স বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
وَلَمَّا كَانَ الشَّهْرُ التَّاسِعُ دَخَلَ عَلَىَّ رَجُلٌ وَهُوَ يَقُوْلُ السَّلَامُ عَلَيْكَ يَاخَاتِمَ رُسُلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَنَى الْقُرْبُ مِنْكَ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ لَهٗ مَنْ اَنْتَ قَالَ اَنَا عِيْسَى ابْنُ مَرْيَمَ عَلَيْهِمَا السَّلَامُ قُلْتُ لَهٗ مَاتُرِيْدُ قَالَ اَبْشِرِىْ يَا سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اُمَّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ حَمَلْتِ بِالنَّبِىِّ الْمُكَرَّمِ وَالرَّسُوْلِ الْمُعَظَّمِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَزَالَ عَنْكِ الْبُؤْسُ وَالْعَنَا وَالسَّقْمُ وَالْاَلَمُ
অর্থ: এবং যখন নবম মাস আগমন করলো বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
وَلَمَّا كَانَ الشَّهْرُ السَّابِعُ دَخَلَ عَلَىَّ رَجُلٌ وَهُوَ يَقُوْلُ السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا مَنِ اخْتَارَهُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ لَهٗ مَنْ اَنْتَ قَالَ اَنَا اِسْمَاعِيْلُ الذَّبِيْحُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ قُلْتُ لَهٗ مَا تُرِيْدُ قَالَ اَبْشِرِىْ يَا سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اُمَّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ حَمَلْتِ بِالنَّبِىِّ الرَّجِيْحِ الْمَلِيْحِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: আবার যখন সপ্তম মাস আগমন করলো তখন একজন আগন্তুক সালাম দিয়ে বললেন-
اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا مَنِ اخْتَارَهُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থঃ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
وَلَمَّا كَانَ الشَّهْرُ الْخَامِسُ دَخَلَ عَلَىَّ رَجُلٌ وَهُوَ يَقُوْلُ السَّلَامُ عَلَيْكَ يَا صَفْوَةَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ لَهٗ مَنْ اَنْتَ قَالَ اَنَا هُوْدٌ عَلَيْهِ السَّلَامُ. قُلْتُ لَهٗ مَاتُرِيْدُ قَالَ اَبْشِرِىْ يَا سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اُمَّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ حَمَلْتِ بِصَاحِبِ الشَّفَاعَةِ الْعُظْمٰى فِىْ الْيَوْمِ الْمَوْعُوْدِ.
অর্থ: যখন পঞ্চম মাস আগমন করলো তখন একজন এসে বললেন-
اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَا صِفْوَةَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থঃ ইয়া মহান আল্লাহ পাক উনার প্রিয় হাবীব ও মাহবূব, নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللّٰهُ يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهٖ مَنْ يَشَاءُ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে চান উনাকে রহমত মুবারক দ্বারা খাছ করে নেন। ” (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ: ১০৫)
এই মহাসম্মানিত আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বী ও পরিপূর্ণ মিছদাক্ব হচ্ছেন সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে আখাছ্ছুল খাছ মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম হিসেবে মনোনীত করেই সৃষ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
وَلَمَّا كَانَ الشَّهْرُ الثَّانِىْ دَخَلَ عَلَىَّ رَجُلٌ وَهُوَ يَقُوْلُ السَّلَامُ عَلَيْكَ يَارَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ لَهٗ مَنْ اَنْتَ قَالَ اَنَا شِيْثُ عَلَيْهِ السَّلَامُ قُلْتُ لَهٗ مَا تُرِيْدُ قَالَ اَبْشِرِىْ يَا سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اُمَّ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ حَمَلْتِ بِصَاحِبِ التَّأْوِيْلِ وَالْحَدِيْثِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ .
অর্থ: যখন দ্বিতীয় মাস আগমন করলো তখন আমার নিকট এক সম্মানিত ব্যক্তি আগমন করে বললেন-
اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ يَارَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থঃ ইয়া মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করা, খিদমত মুবারক করা, গোলামী মুবারক উনার আঞ্জাম মুবারক দেয়া কায়িনাতবাসীর জন্য ফরযে আইন। সেই আমল মুবারক সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা নিজেরাও করেছেন এবং উম্মতদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুত তাশরীফ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক) প্রকাশ উনার পূর্বে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا
অর্থ : “তোমরা পরস্পর পরস্পরকে যেভাবে সম্বোধন করো, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সেভাবে সম্বোধন কর না। ” (পবিত্র সূরা নূর শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৩)
এ পবিত্র আয়াত শরীফ-উনার ব্যাখ্যায় তাফসীরে জালালাইন শরীফের ৩০২ পৃষ্ঠার ১০ নম্বর হাশিয়ায় উল্লেখ আছে-
لا تجعلوا دعاء الرسول بينكم اى نداؤه بمعنى لا تنادوه باسمه فتقولوا يا محمد صلى الله عليه وسلم ولا بكنيته فتقولوا يا ابا القاسم بل نادوه وخاطبوه بالتعظيم والتكريم والتوقير بان تقولوا ي বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে উল্লেখ আছে-
ويكره ان يرمز للصلوة والسلام على النبى عليه الصلاة والسلام فى الخط بان يقتصر من ذالك على الحرفين هكذا (عم) او نحو ذالك كمن يكتب (صلعم) يشير به الى (صلى الله عليه وسلم) ويكره حذف واحد من الصلاة والتسليم والاقتصار على احدهما. وفى الحديث (من صلى على فى كتاب لم تزل صلاته جارية له ما دام اسمى فى ذالك الكتاب) كما فى انوار المشارق لمفتى حلب.
অর্থ : নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ছলাত ও সালাম লিখতে সংক্ষেপ করা মাকরূহ তাহরীমী। যেমন : সংক্ষেপে দু’টি অক্ষর (عم) লেখার মাধ্যমে এবং অনুরূপ صلى الله عليه وسلم বাক্যকে ইঙ্গিতে বুঝানোর জন্য (صلعم) সংক্ষেপে লেখা। ছলাত ও সালাম শব্দ দুখানার যেকোন এক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن حضرت ابى امامة الباهلى رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مَنْ وُلِدَ لَهُ مَوْلُودٌ فَسَمَّاهُ مُحَمَّدًا حبا لى وتَبَرُّكًا باسمى كَانَ هُوَ وَمَوْلُودُهُ فِي الْجَنَّةِ.
অর্থ : “হযরত আবূ উমামা আল বাহিলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদি কোন ব্যক্তির ছেলে সন্তান হয় অতঃপর সে ব্যক্তি যদি আমার মুহব্বতে এবং আমার মহাসম্মানিত নাম মুবারক উনার বর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللّٰهُ تَـعَالٰى عَنْهُ يَـقُوْلُ مَا قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْإِزَارِ فَـهُوَ فِي الْقَمِيْصِ
অর্থ: হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, লুঙ্গি যেমন নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে, তদ্রুপ জামাও নিছফে সাক্ব পর্যন্ত পরিধান করতে হবে। (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুল আওসাত, শুয়াবুল ঈমান ৮/২২০)
মূলত, ক্বমীছ বা জামা ও ইযার বা লুঙ্গি সমান সমান হতে পারে আবা বাকি অংশ পড়ুন...












