পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে জান্নাতে দুধের নহরের বর্ণনায় “লাবান” শব্দটি উল্লেখ রয়েছে-
مَثَلُ الْجَـنَّةِ الَّتِىْ وُعِدَ الْمُتَّقُوْنَؕ فِيْهَاۤ اَنْهٰرٌ مِّنْ مَّآءٍ غَيْرِ اٰسِنٍ ۚ وَاَنْهٰرٌ مِّنْ لَّبَنٍ لَّمْ يَتَغَيَّرْ طَعْمُهٗ.
অর্থ: “মুত্তাক্বী বান্দাদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যার স্বাদ অপরিবর্তনীয়।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মুহম্মদ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ নং ১৫)
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَإِنَّ لَكُمْ فِى ٱلْأَنْعَٰمِ لَعِبْرَةً ۖ نُّسْقِيكُم مِّمَّا فِ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মধুর ব্যাপারে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَأَوْحَىٰ رَبُّكَ إِلَى النَّحْلِ أَنِ اتَّخِذِي مِنَ الْجِبَالِ بُيُوتًا وَمِنَ الشَّجَرِ وَمِمَّا يَعْرِشُوْنَ ﴿٦٨﴾ ثُمَّ كُلِيْ مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِيْ سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا ۚ يَخْرُجُ مِنْ بُطُوْنِهَا شَرَابٌ مُّخْتَلِفٌ أَلْوَانُه فِيْهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ ۗ إِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَآيَةً لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُوْنَ ﴿٦٩﴾
অর্থ: “আপনার মহান রব তায়ালা তিনি মৌমাছিকে আদেশ মুবারক দিলেন পর্বতগাত্রে, বৃক্ষ ও উঁচু চালে মৌচাক নির্মাণ করো। এরপর সর্বপ্রকার ফল হতে ভক্ষণ কর এবং আপন মহান রব তায়ালা উনার উন্মুক্ত পথ সমূ বাকি অংশ পড়ুন...
ফলমূল নিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كُنَّا نُصِيْبُ فِيْ مَغَازِيْنَا الْعَسَلَ وَالْعِنَبَ فَنَأْكُلُهٗ وَلَا نَرْفَعُهٗ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধের সময় মধু ও আঙ্গুর ফল লাভ করতাম। আমরা তা খেয়ে নিতাম, কিন্তু জমা রাখতাম না। (বুখারী শরীফ)
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ مَا أَكَلَ رَسُوْلُ اللهِ صَل বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেসকল ফল মুবারক খেয়েছেন তন্মধ্যে আঙ্গুর ফল অন্যতম। তাই আঙ্গুর খাওয়া মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
آيَوَدُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تَكُونَ لَهٗ جَنَّةٌ مِنْ نَّخِيلٍ وَأَعْنَابٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ .
অর্থ: “তোমাদের কেউ পছন্দ করে যে, তার একটি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান হবে, এর তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত হবে। ” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৬৬)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فِيهِمَا فَاكِهَةٌ وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ.
অর্থ : “তথায় আছে ফল-মূল, খেজুর ও আনার। ” (পবিত্র সূরা রহমান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৮)
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا مِنْ رُمَّانٍ مِنْ رُمَّانِكُمْ هٰذَا إِلَّا وَهُوَ مُلَقَّحٌ بِحَبَّةٍ مِّنْ رُمَّانِ الْجَنَّةِ.
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন বাকি অংশ পড়ুন...
চুলা ও ডেকচিকে (بُرْمَةٌ) বুরমাহ্ বলা হয়। বড় কোন অনুষ্ঠানে ডেকচিতে করে রান্না করাও মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। কারণ হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ বিশেষ অনুষ্ঠানেও ডেকচিতে করে রান্না করা হতো। এমনকি চুলাতে রান্না করাও সেই হিসেবে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মুতাবিক অনুষ্ঠানে ডেকচি এমনকি বড় পাতিল বা বড় ডেকচিতে রান্না করা যে মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক সে প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ رضى الله عنه أَنَّهُ قَالَ إِ বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র সামা শরীফ সম্মানিত শরীয়তসম্মততো অবশ্যই বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত
পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ পাঠ করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক :
কেননা স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ পাঠ করেছেন তবে পাঠক হিসেবে নয় বরং উম্মতকে তা’লীম দেয়ার লক্ষ্যে এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের দিয়ে পাঠ করিয়েছেন।
পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ শোনা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক :
কেননা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
পূর্ব প্রকাশিতের পর
পবিত্র সামা শরীফ সম্মানিত শরীয়তসম্মত তো অবশ্যই বরং মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত:
ভারতের আজমীর শরীফ-এ শুয়ে আছেন ৭ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, খাজা গরীবে নেওয়াজ হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৩৬-৬৩৩ হিজরী) এবং দিল্লীতে রয়েছেন ৮ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মাহবূব-ই-ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি (৬৩৫-৭২৫ হিজরী) উনারা। এই মহান মুজাদ্দিদদ্বয় রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণে পবিত্র হামদ-নাত শরীফ ও ক্বাছীদা শরীফ শুনতেন এবং পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হামদ্ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ কখনোই হারাম গানের সুরে পাঠ করা যাবে না বরং বাদ্যযন্ত্র ও হারাম গানের সুর বাদ দিয়ে ক্বাছীদা শরীফ উনার লেহানে (স্বরে) পাঠ করতে হবে।
আমরা আরবী ভাষাকে মুহব্বত করি। কেননা, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ভাষা মুবারক আরবী, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষা আরবী এবং আখিরাতের ভাষা আরবী। কিন্তু পবিত্র হামদ্ শরীফ, পবিত্র না’ত শরীফ ও পবিত্র ক্বাছীদাহ শরীফ বিভিন্ন ভাষায় পাঠ হয়ে থাকে। তাই যে বিষয়টি লক্ষণীয় তা হচ্ছে, যে ভাষায়ই পবিত্র হামদ্ শরীফ, বাকি অংশ পড়ুন...












