মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حضرت عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ لَيْلَةً فَلاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلاَثِينَ.
অর্থ: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মাস ঊনত্রিশ রাত বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে পবিত্র রোযা শুরু করবে না। যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে চাঁদ দেখা না যায় তাহলে তোমর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَتَزَوَّدُوا فَإِنَّ خَيْرَ الزَّادِ التَّقْوَى.
অর্থ: “তোমরা পাথেয় সংগ্রহ কর। নিশ্চয়ই উত্তম পাথেয় হচ্ছে তাক্বওয়া।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯৭)
‘তাক্বওয়া’ শব্দের অর্থ হলো আল্লাহভীতি। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে উনার নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ হতে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার নাম তাক্বওয়া। আর পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পবিত্র রোযা উনার দ্বারা সেই তাক্বওয়া হাছিল হয়ে থাকে।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আদম সন্ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, দু’টি বিষয় প্রতিষেধক হিসেবে গ্রহণ করো মধু এবং পবিত্র কুরআন শরীফ।”
মহান আল্লাহ পাক তিনি মধুর ব্যাপারে ইরশাদ মুবারক করেন- “আপনার মহান রব তায়ালা তিনি মৌ-মাছিকে আদেশ মুবারক দিলেন পর্বতে, বৃক্ষে ও উঁচু চালে মৌচাক নির্মাণ করো। এরপর সর্বপ্রকার ফল হতে ভক্ষণ করো এবং আপন মহান রব তায়ালা উনার উন্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার পেট হতে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রো বাকি অংশ পড়ুন...
মাটির পাত্রে আহার করার সীমাহীন ফযীলত মুবারক
মাটির পাত্রে আহার করার ফযীলত সম্পর্কে হযরত ইবনে আবিদীন মুহম্মদ আমীন ইবনে উমর রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ-১২৫২হিজরী) উনার লিখিত সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার প্রসিদ্ধ ফিক্বাহর কিতাব “রদ্দুল মুহতার আলাদ দুররিল মুখতার শরহি তানউয়ীরিল আবছার” কিতাবে উল্লেখ রয়েছে-
وَيُكْرَهُ الْأَكْلُ فِي نُحَاسٍ أَوْ صُفْرٍ وَالْأَفْضَلُ الْخَزَفُ قَالَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اتَّخَذَ أَوَانِيَ بَيْتِهٖ خَزَفًا زَارَتْهُ الْمَلَائِكَةُ.
অর্থ: পিতল এবং কাঁসার পাত্রে খাবার খাওয়া মাকরূহ। আর খাবারের জন্য মাটির পাত্র হচ্ছে সর্বোত্তম অর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
জুব্বা পরিধান করা খাছ সুন্নত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জুমুয়া, ঈদ এবং বিশেষ বিশেষ সময়ে কামীছ বা কোর্তা মুবারকের উপরে জুব্বা মুবারক পরিধান করতেন। জুব্বা কালো, গন্ধম ইত্যাদি রং-এর হওয়া সুন্নত মুবারক। জুব্বা হচ্ছে যা ক্বমীস বা কোর্তার উপরে পরিধান করা হয়, সামনে ফাঁড়া, ঢোলা এক প্রকার পোশাক। যার জেব এবং আস্তিনে উপর দিয়ে রেশমের বিশেষ কারুকার্য করা থাকে।
পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনকে মুসলমানদের সাধ্যের মধ্যে আনতে এবং আরও সহজলভ্য করতে পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার উদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
قَالَ حَضْرَتْ اَنَسٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِيْنَ ابْتَنٰى بِسَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ السَّابِعَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ زَيْنَبَ عَلَيْهَا السَّلَامُ) اَمَرَهٗ اَنْ يَدْعُوَ لَهٗ قَوْمًا سَمَّاهُمْ وَكُلَّ مَنْ لَقِيْتَ حَتَّى امْتَلَأَ الْبَيْتُ وَالْحُجْرَةُ وَقُدِّمَ اِلَيْهِمْ تَوْرًا فِيْهِ قَدْرُ مُدٍّ مِّنْ تَمْرٍ جَعَلَ حَيْسًا فَوَضَعَهٗ قُدَّامَهٗ وَغَمَسَ ثَلَاثَ اَصَابِعِهٖ وَجَعَلَ الْقَوْمُ يَتَغَدُّوْنَ وَيَخْرُجُوْنَ وَبَقِيَ التَّوْرُ نَحْوًا مِمَّا كَانَ وَكَانَ الْقَوْمُ اَحَدًا اَوْ اثْنَيْنِ وَسَبْعِيْنَ .
অর্থঃ- বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অধিকাংশ সময়েই চাদর মুবারক ব্যবহার করেছেন। পবিত্র নূরুল মুজাসসাম মুবারক উনার উপর বা জামা মুবারক উনার উপরে যা পরিধান করতেন তার মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় ছিলো চাদর মুবারক।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দু’ধরণের চাদর মুবারক ব্যবহার করতেন। ১. ছোট চাদর, ২. বড় চাদর। ছোট চাদর মুবারক উনার দৈর্ঘ্য ছিলো ৪ (চার) হাত। আর প্রস্থ ছিলো ২.৫ (আড়াই) হাত। আর বড় চাদর মুবারক উনার দৈর্ঘ্য ছিল ৬ হাত এবং প্রস্থ ছিল ৩.৫ (সাড়ে তিন) হা বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা মাটির পাত্রে আহার মুবারক করেছেন এবং মানুষদেরকে মাটির পাত্রে মেহমানদারী করিয়েছেন
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَلِىِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَنَّ جَدَّتَهٗ سَلْمٰى رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا اَخْبَرَتْهُ قَالَتْ دَخَلَ عَلَيَّ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ اَلْاِمَامُ الثَّانِىْ مِنْ اَهْلِ بَيْتِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (سَيِّدُنَا حَضْرَتِ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ) وَ حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبَّاسٍ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ঘরে খেজুর নেই, সেই ঘরে যেন কোন খাবারই নেই।”
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সে দিন বিষ এবং জাদু তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।”
এছাড়াও খজুরের রয়েছে অসংখ্য উপকারিতা।
‘পনির’সহ বিভিন্ন ধরণের সুন্নতী খাদ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরণের সুন্নতী সামগ্রী পেতে যোগাযোগ করুন-
আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...












