আল ইহসান ডেস্ক:
‘একাত্তরের সেই রাজাকার আব্দুল খালেক ওরফে প্রফেসর খালেক শত শত স্বাধীনতাকামী, নিরীহ, নিরপরাধ মানুষের খুনে হাত রাঙিয়ে ছিল। বহু মা-বোনকে ধরে নিয়ে তুলে দিতো পাকী সেনাদের হাতে।
স্বাধীনতার পর রাজাকার আ. খালেক কিছু সময়ের জন্য গা-ঢাকা দিয়েছিল। এরপর বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিয়ে আবার রাজাকার আ. খালেক লোকসমক্ষে ফিরে আসে। ১৯৭৫ সালের পট পরিবর্তনের পরপরই রাজাকার আ. খালেক সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তির তালিকাভুক্ত হয়। রাজাকার আ. খালেকের তখন উঠা-বসা ডিসি-এসপি থেকে শুরু করে সমাজের সব মহলেই। স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন খুনি রাজাকার বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকে শিবিরের আল-বাদর রাজাকাররা ইতোমধ্যে বহুবার তাদের মজ্জাগত নৃশংসতার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। সাপ্তাহিক বিচিত্রার (১৪ বর্ষ ৪২ সংখ্যা, ১৪ মার্চ, ১৯৮৬, পৃ-২৩) প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১৯৭৫ সালের পর কোনো এক সময়ে গো’আযমের নেতৃত্বে এবং অন্যান্য জামাতী নেতার তত্ত্বাবধানে এই আর্মস ক্যাডার বাহিনী গঠিত হয়। এর নামকরণ করা হয়েছে ‘মোমেনীন সালেহীন’। এই সালেহীনের ট্রেনিং দেয়া হয় ঝিনাইদহ ও নাটোর এলাকায়। নড়াইলের আল-বাদর কমান্ডার সোলায়মান নামে এক জামাতী পরিচালনা করে এই ট্রেনিং। ইতঃপূর্বে এই সশস্ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
১৬ ডিসেম্বরের পর ৩৫০, নাখালপাড়ায় আশরাফুজ্জামান যে বাড়িতে থাকতো, সেখান থেকে তার ব্যক্তিগত ডায়েরিটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
ডায়েরির আরেকটি পৃষ্ঠায় ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের ষোলজন দালাল অধ্যাপকের নাম। এছাড়াও ছিল বুদ্ধিজীবী হত্যা পরিকল্পনার অপারেশন ইনচার্জ চৌধুরী মঈনুদ্দিন, আল-বাদর কেন্দ্রীয় কমান্ডের সদস্য শওকত ইমরান ও ঢাকার আল-বাদর বাহিনীর প্রধান শামসুল হকের নাম। ডায়েরিতে নিহত বুদ্ধিজীবী ছাড়াও বহু বাঙালির নাম-ঠিকানা লেখা ছিল। এদের সবাই আল-বাদর বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছিলো। এক টুকরো কাগজে তৎকালীন পাকিস্তান জুট বো বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
সউদী আরবে পুনর্বাসিত আল-বাদরদের দৃষ্টান্ত দেয়ার জন্য এখানে উপস্থাপন করা হবে আল-বাদর হাইকমান্ডের সদস্য আশরাফুজ্জামানের কথা। এই আশরাফুজ্জামান খান ছিল আল-বাদর বাহিনীর প্রধান ঘাতক। স্বহস্তে গুলি করে সে মিরপুর গোরস্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ জন শিক্ষককে হত্যা করে বলে সুনিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।
যে গাড়িতে করে অধ্যাপকদের গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তার চালক মফিজুদ্দীন নামে জনৈক আল-বাদর সদস্য সে আশরাফুজ্জামানকে বুদ্ধিজীবী হত্যাকা-ের ‘চীফ এক্সিকিউটর’ (প্রধান জাল্লাদ) হিসেবে উল্লেখ করেছিল।
১৬ ডিসেম্বরে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
বহির্বিশ্বে জামাতের দুটি ঘাঁটি হচ্ছে যুক্তরাজ্য (ব্রিটেন) এবং সউদী আরব। খুনি আল-বাদরদের মধ্যে যারা ১৬ ডিসেম্বরের আগে পরে পালাতে সক্ষম হয়েছিল তারা এই যুক্তরাজ্যের ইস্ট লন্ডন মসজিদ, বার্মিংহাম সিটি মসজিদ, ম্যানচেস্টার মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে ইমামের চাকরি পর্যন্ত নিয়ে, বিশেষতঃ সিলেট জেলার খুনি আল-বাদররা জামাতী সংগঠন ‘দাওয়াতুল ইসলামের’ মাধ্যমে তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এই দু’জায়গায় অবস্থানরত আল-বাদর খুনিদের পরিচয় দেয়ার জন্য দু’টি দৃষ্টান্ত দেয়া হবে।
বুদ্ধিজীবী হত্যা পরিকল্পনার অপারেশন ইনচার্জ চৌধুর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গ্রেফতাররের পর ঘাতক আব্দুল খালেক মজুমদার স্বাক্ষরকৃত ও পেশকৃত এক বিবৃতিতে বুদ্ধিজীবী হত্যাকা-ের সাথে জড়িত আরো ৯ জনের নাম পাওয়া গিয়েছিল; কিন্তু এদের অনেকেই সুপরিচিত হওয়ায় সংবাদপত্রগুলো সঙ্গতকারণেই’ এদের নাম প্রকাশে বিরত থাকে।
এছাড়া ঘাতক আব্দুল খালেকের নিকট থেকে উদ্ধারকৃত বিভিন্ন কাগজপত্রে দেখা যায় যে, তার সাথে এবং জামাতের অন্যান্য নেতার সাথে টেলিফোনে বেশ কিছু সংখ্যক অফিসারের ঘনিষ্ঠতা ছিল।
আত্মগোপন অবস্থা থেকে ধরা পড়া এবং জেলে অবস্থান সম্পর্কে খালেক মজুমদার লিখেছে- ‘খ্যাতনামা না হলেও এবার আমার অখ্যাত ও বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রত্যেক ইউনিটের প্রায় প্রত্যেক নেতা একাত্তরের খুনি আল-বাদর। এই খুনিরাই বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকারী। এদের নৃশংসতার পরিচয় কিছু কিছু ইতোমধ্যেই দেয়া হয়েছে; তবু আরো সুনির্দিষ্টভাবে বলার জন্য এখানে ছাত্রশিবিরের ১৯৮০-৮১ সালের সাধারণ সম্পাদক এনামূল হক মঞ্জু কিভাবে ১৯৭১ সালে বাঙালি নির্যাতনের কাজে নেতৃত্ব দিয়েছে তার সামান্য বর্ণনা দেয়া যেতে পারে।
এনামুল হক মঞ্জু ১৯৭১ সালে ছিল চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ ছাত্রসংঘ সভাপতি এবং আল-বাদর প্লাটুন কমান্ডার। চট্টগ্রাম শহরের টেলিগ্রাফ হিল বোটের বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
৭ নভেম্বর তারিখেই প্রাদেশিক ছাত্রসংঘ প্রধান আলী আহসান মুজাহিদ সংঘের প্রাদেশিক পরিষদের নাম ঘোষণা করে। এরা হলোÑ শামসুল হক (ঢাকা শহর), আব্দুল হাই ফারুকী (রাজশাহী জেলা), সরদার আব্দুস সালাম (ঢাকা জেলা), মোস্তফা শওকত ইমরান (ঢাকা শহর), মতিউর রহমান খান (খুলনা), মীর কাশেম আলী (চট্টগ্রাম), আব্দুল জাহের মুহাম্মদ আবু নাসের (চট্টগ্রাম), আশরাফ হোসেন (মোমেনশাহী)। দু’জন মনোনীত সদস্য ছিল একে মুহাম্মদ আলী (ঢাকা শহর) এবং মাজহারুল ইসলাম (রাজশাহী জেলা)।
বিভিন্ন জেলা সদরে নিযুক্তিপ্রাপ্ত এই নেতারা স্ব স্ব জেলার আল-বাদর বাহিনীর প্রধান। বিভিন বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নভেম্বরের প্রথম থেকেই আল-বাদর নেতারা প্রকাশ্যে বুদ্ধিজীবীদের হুঁশিয়ারি দিতে থাকে। ৭ নভেম্বর সারাদেশে মহাঘটা করে পালন করা হয় ‘বদর দিবস।’ এই উপলক্ষে ধর্মব্যবসায়ী জামাত এবং ছাত্রসংঘ ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করে। নাখালপাড়া আদর্শ শিক্ষায়তনে তেজগাঁও থানা জামাতের প্রধান মাহবুবুর রহমান গুরহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জামাতের সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল খালেক বক্তব্য পেশ করে। (দৈনিক সংগ্রাম, ৮/১১/৭১ খৃ.)।
মাহফুজুল হক নামে জনৈক আল-বাদর কমান্ডার-
৭ নভেম্বর ১৯৭১ খৃ, ‘বদর দিবস’ উপলক্ষে ধর্মব্যবসায়ী ঘাতক জামাতের ম বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর গ্রামের মৃত
মালানা আব্দুর রহমানের দু’পুত্র ও চার কন্যার মধ্যে সোলায়মান ছিলো সবার বড়। সোলায়মানের
পিতা আব্দুর রহমান কলকাতা একটি মাদরাসায় পড়াশোনার পর সেখানে একটি মাদরাসায় চাকরি করতো
সোলায়মানকে সেখানেই ভর্তি করে। সেখান থেকে টাইটেল পাশের পর সোলায়মান দেশে ফিরে মাগুরা
সদর উপজেলার বেরোইল হাইস্কুলে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। ওই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশের
পর নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক করে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয় থেকে
ইসলামের ইতিহাসে স্নøাতকোত বাকি অংশ পড়ুন...
আাল ইহসান ডেস্ক:
মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, নড়াইলে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাক বাহিনীর দোসর রাজাকার বাহিনীর নির্মম হত্যাকা-, ধর্ষণ ও লুটতরাজের সঙ্গে যে নামটি মিশে আছে তা হলো রাজাকার মালানা সোলায়মানের নাম। যার নির্দেশে তিন জল্লাদ জবাই করে হত্যা করেছে কয়েক হাজার মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মুক্তিকামী মানুষকে। এসব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ এনে মালানা সোলায়মান রেজিস্টারে যাদের নামের পাশে লালকালি দিয়ে “রিলিজ ফর ইভার” লিখে দিতো তাদের ইসকট পার্টি ও জল্লাদরা গভীর রাতে নড়াইল শহরের লঞ্চঘাট বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নড়াইলের কুখ্যাত রাজাকার, আল-বাদর, আল-শামস, তৎকালীন মহকুমা পিস কমিটির চেয়ারম্যান, ধর্মব্যবসায়ী জামাতে মওদুদীর সাবেক নেতা মালানা সোলায়মানের নাম মনে পড়লে এখনো মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীণ ব্যক্তিদের গা শিউরে উঠে। আর এই হিংস্র হায়েনার একান্ত সহযোগী ছিল ডাক্তার আবুল। এদের নির্দেশে ১৯৭১ সালে নড়াইলে জল্লাদ ওমর, মোমরেজ ও ফারুক এই তিন জন প্রায় আড়াই হাজার স্বাধীনতাকামী দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক অভিযোগ এনে বর্তমান জজ কোর্টের পাশে বটগাছের নিচেই তৎকালীন লঞ্চঘাটের প্লাটুনের বাকি অংশ পড়ুন...












