মহাকাশ বিজ্ঞানীদের নজরে এবার পৃথিবীর নতুন চাঁদ। সারাক্ষণ সেই চাঁদ প্রদক্ষিণ করে চলেছে পৃথিবীকে। যদিও এটি পৃথিবীর কোনও প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উপগ্রহ নয়। কিন্তু ক্রমশ সে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে, এর নাম কোয়াসি মুন বা অর্ধেক চাঁদ।
তবে এই কোয়াসি মুন বা অর্ধেক চাঁদ কি? তার উত্তর হল, এটি স্পেস রক। সূর্যের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির আকর্ষণেই এই চাঁদ ক্রমশ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। হাওয়াইয়ে প্যান স্টারস টেলিস্কোপের সাহায্যে এই কোয়াসি মুন বা অর্ধেক চাঁদকে আবিষ্কার করেছে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা।
মহাকাশ বিজ্ঞানীদের ম বাকি অংশ পড়ুন...
চিকিৎসার প্রয়োজনে কাছে থাকা সোনার গয়না বিক্রি করতে চাইছেন বা পুরনো সোনার গয়না পরিবর্তন করে দোকান থেকে আধুনিক ডিজাইনের গয়না নিতে চাইছেন, বর্তমানে দুটো কাজই আগের থেকে অনেক কঠিন হয়ে গেল। সেই সঙ্গে খরচ হবে ভালো পরিমাণ অর্থ।
সোনার গয়নায় হলমার্ক সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়মের জেরেই এই অবস্থা। সম্প্রতি সেই নিয়ম কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। তার ফলে জুন মাস থেকে প্রয়োজন পড়লেও সোনার পুরনো গয়না সহজে বিক্রি বা এক্সচেঞ্জ করতে পারবেন না।
১ এপ্রিল থেকে গোটা দেশজুড়ে সোনার গয়না বিক্রিতে হলমার্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ব্যুরো অফ ইন্ডিয়া বাকি অংশ পড়ুন...
দক্ষিণ আমেরিকার গহীণ ক্রান্তীয় অরণ্যে ছড়িয়ে রয়েছে এমনই এক আশ্চর্য উদ্ভিদ প্রজাতি, যারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্থান পরিবর্তন করতে সক্ষম। আর এই বিশেষ ক্ষমতার জন্যই সাধারণ মানুষের কাছে এই উদ্ভিদ প্রজাতি পরিচিত ‘ওয়াকিং পাম’ নামে। অবশ্য বিজ্ঞানের পরিভাষায় এই উদ্ভিদ প্রজাতির নাম ‘সক্রেটিয়া এক্সোরিজা’ বা ‘ক্যাশাপোনা’।
ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটো থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুমাকো বায়োস্ফিয়ার। মূলত এই বায়োস্ফিয়ারেই বাস ক্যাশাপোনা পাম গাছের। সত্তরের দশকের শুরুর দিকে এই সংরক্ষিত অরণ্যে গবেষণা করতে গিয়ে আশ্চর্য এই উদ্ভিদ প্রজ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে এক রাজা পুরো মিশরকে একত্রিত করে একটি নগর রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিলো। দক্ষিণ মিশরের ম্যামফিস ছিল এর রাজধানী। এভাবেই দেশটিতে রাজবংশের সূচনা হয়েছিল। অর্থাৎ মিশরের রাজবংশের উদ্ভবের সঙ্গে ম্যামফিস শহরটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
পুরোনো রাজবংশের আমলে (২৬৪৯ থেকে ২৫৭৫ খ্রিস্টপূর্ব) ম্যামফিস আর থিবস ছিল প্রাচীন মিশরের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। প্রাচীন মিশরীয় ফারাওদের দীর্ঘকালীন ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় ম্যামফিসই ছিল প্রাচীন মিশরের প্রশাসনিক কেন্দ্র।
আধুনিক মিশরের রাজ বাকি অংশ পড়ুন...
দেখতে যেমন এক রকম, নামটাও কিন্তু কাছাকাছি। কিন্তু তারপরেও পার্থক্য রয়েছে বেকিং সোডা ও বেকিং পাউডারের মধ্যে। পেস্ট্রি, কেক, প্যান কেক ফুলে উঠতে সাহায্য করে এই দুই উপকরণ। পাশাপাশি নরম ও মজাদার স্বাদ এনে দেয়।
বেকিং সোডা কী?
বেকিংয়ে ব্যবহৃত বেকিং সোডা মাত্র এক উপকরণে প্রস্তুত হয়। সোডিয়াম বাইকার্বোনেটের মিহি গুঁড়া হচ্ছে বেকিং সোডা। তাড়াতাড়ি ফুলে ওঠার প্রয়োজন যেসব খাবারে, সেসব খাবারে প্রয়োজন হয় এর ব্যবহার। মাফিন, প্যানকেক বা কুইক ব্রেডে এটি ব্যবহার করা হয়। সোডিয়াম বাইকার্বোনেট এক ধরনের ক্ষারীয় যৌগ যা অ্যাসিডিক উপকরণের সংস্প বাকি অংশ পড়ুন...
কালোগহ্বর নিয়ে গবেষণা নতুন কিছু নয়। বিশ্বের তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীরা কালো গহ্বর নিয়ে দিনের পর দিন গবেষণা করেছে। এখনো চলছে নানা গবেষণা। কিন্তু তারা কোন কুল কিনারা খুজে পাচ্ছেনা। শুধুমাত্র সৌরজগত নিয়ে গবেষণা করতে গিয়েই তারা তাদের মাথা গুলিয়ে ফেলছে। তারপরেও তাদের দাবি গত কয়েক বছর আগেই কালো গহ্বরের ছবি প্রকাশ করে এর অস্তিত্বের প্রমাণ দিয়েছিলো বলে দাবি করেছে কথিত বিজ্ঞানীরা।
এবার এর র্হাট বিট বা হৃদস্পন্দনের ছবি তুলার দাবি করেছে বিজ্ঞানীরা। আর সেই ছবিই প্লাজমা জেটগুলোর (প্লাজমা হল, একটি আয়নিত গ্যাস- অর্থাৎ ইলেকট্রন, আয়ন, পরমাণু, অ বাকি অংশ পড়ুন...
শিকারকে বাগে আনতে শিকারী কত রকম কৌশলই না অবলম্বন করে। শিকারীর ফাঁদে পা দিয়ে নিজের জীবন বিপন্ন করছে পশু পাখি। ধরিত্রীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী মানুষ হলেও প্রাণীকুলের অন্যান্যদের বুদ্ধিমত্তা অবাক করবে সকলকেই। ব্ল্যাক এগ্রেটস বা কালো সারস নামক এক শ্রেণির আফ্রিকান সারস পাখিও তেমনি এক অভিনব কৌশল বেছে নিয়েছে মাছ শিকারের জন্য।
তারা নিজেদের ডানাকে ছাতার মতো মেলে ধরে। এর ফলে শুধু যে তাদের তীক্ষè দৃষ্টিই ঢাকা পড়ে, তা নয় নিরাপত্তার ধোঁকা দিয়ে মাছগুলোকে ডানার নিচে চলে আসতেও প্রলুব্ধ করে। কালো সারসদের ‘ক্যানোপি ফিডিং’ নামক এই শিকার বাকি অংশ পড়ুন...
আফ্রিকার পূর্ব উপকূলের দেশ গিনি। অতীতে দেশটি ফরাসী গিনি নামে পরিচিত ছিল।
গিনি নামে আরো দুটি দেশ আছে। একটি হলো গিনি বিসাও এবং অন্যটি ইকুয়াটোরিয়াল গিনি। এ দুটি দেশ থেকে পৃথক করার জন্য গিনিকে গিনি-কোনাক্রি নামেও অভিহিত করা হয়।
গিনি অঞ্চলের নামানুসারেই তিনটি দেশের নামকরণ করা হয়। এটি একটি পুর্তগীজ শব্দ।
গিনি একটি প্রজাতন্ত্র। জনগণের প্রতক্ষ ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। এটি মুসলিম প্রধান দেশ। দেশটির প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ মুসলমান। অধিকাংশ মানুষই সুন্নি এবং মালিকী মাযহাবের অনুসারী। দেশটির জনসংখ্যা ১ কোটি ২০ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৩ বাকি অংশ পড়ুন...
আভিধানিক সংজ্ঞা অনুসারে, কোয়াসার একটি ভারী ও অত্যন্ত দূরবর্তী মহাকাশীয় বস্তু যা প্রচুর পরিমাণে শক্তি বিকিরণ করে। দূরবীক্ষণ যন্ত্রে একটি কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো হলেও এটি থেকে বিপুল পরিমাণে রেডিও তরঙ্গ বিকিরিত হয়।
একারণে প্রথমদিকে কোয়াসি-স্টেলার রেডিও সোর্স নামকরণ করা হয়েছিল যা এখন সংক্ষেপে কোয়াসার নামে পরিচিত। কোয়াসারগুলো অনেক উজ্জ্বল হয়। কখনও কখনও এতই উজ্জ্বল হয়, এরা যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করে সে গ্যালাক্সিকেই এদের উজ্জ্বলতার কারণে দেখা যায় না। এই শক্তিশালী বস্তুগুলো আবিষ্কারের পর থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ম বাকি অংশ পড়ুন...
আভিধানিক সংজ্ঞা অনুসারে, কোয়াসার একটি ভারী ও অত্যন্ত দূরবর্তী মহাকাশীয় বস্তু যা প্রচুর পরিমাণে শক্তি বিকিরণ করে। দূরবীক্ষণ যন্ত্রে একটি কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো হলেও এটি থেকে বিপুল পরিমাণে রেডিও তরঙ্গ বিকিরিত হয়।
একারণে প্রথমদিকে কোয়াসি-স্টেলার রেডিও সোর্স নামকরণ করা হয়েছিল যা এখন সংক্ষেপে কোয়াসার নামে পরিচিত। কোয়াসারগুলো অনেক উজ্জ্বল হয়। কখনও কখনও এতই উজ্জ্বল হয়, এরা যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করে সে গ্যালাক্সিকেই এদের উজ্জ্বলতার কারণে দেখা যায় না। এই শক্তিশালী বস্তুগুলো আবিষ্কারের পর থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ম বাকি অংশ পড়ুন...
রেলপথের প্রশস্ততা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকারের গেজ।
ব্রডগেজ:
ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি কোলকাতা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত ব্রডগেজ (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) রেলপথ সেকশনটি ১৮৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর এবং রানাঘাট থেকে দর্শনা হয়ে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রেলপথ সেকশনটি ১৮৬২ সালে চালু হয়। যে ট্রেনটি ব্রডগেজ লাইন ব্যবহার করে, সেটিকে ব্রডগেজ ট্রেন বলা হয়।
মিটারগেজ:
১৮৯৮-৯৯ সালে ময়মনসিংহ হতে জগন্নাথগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যক্তি মালিকানাধীন মিটারগেজ রেলপথ সেকশনটি চালু হয়। যেটি মিটার গেজ লাইন ব্যাবহার করে সেটিকে মিটার গেজ ট্রেন বলা হয়।
বাকি অংশ পড়ুন...












