ব্রিটিশ আমলে ঢাকার প্রথম পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা ছিলো ওয়ারি। পাকিস্তান আমলে তৈরি হয় ধানমন্ডি। এর আগে জায়গাটি পরিচিত ছিলো ‘ধানমন্ডাইয়ের মাঠ’ নামে।
ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের ঢাকার স্মৃতি-৩ বই থেকে জানা যায়, ধানমন্ডাইয়ের মাঠ ছিলো ধু ধু মাঠ। মাঠ ঘিরে ছিলো ফুটবল ক্লাব। কলকাতা থেকে ফুটবল দল এলে এখানে বড় আসরের আয়োজন করা হতো।
দেশভাগের পর সি অ্যান্ড বি অধিগ্রহণ করে ধানমন্ডাই মাঠের প্রায় ৫০০ একর জমি। ঐতিহাসিকদের মতে, ‘ধানমন্ডাই’ নাম থেকেই ধানমন্ডি নামটি এসেছে। ধানমন্ডাই মানে ধানের আড়ৎ। প্রবীণরা বলেন, একসময় এখানে ধানের ক্ষেতও বাকি অংশ পড়ুন...
শুধু স্বাদেই নয়; আঙুর শরীর, ত্বক, মন-সব কিছুর জন্য উপকারী। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আঙুর খাওয়ার অভ্যাস বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।
জেনে নিন, প্রতিদিন আঙুর কিভাবে আপনার পুরো শরীরের জন্য কাজ করতে পারে।
আঙুরের ১২টি চমৎকার উপকারিতা:
শরীরকে টক্সিনমুক্ত করে: আঙুর শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।
ওজন কমায়: ১৫০ গ্রাম আঙুরে মাত্র ১০০ ক্যালরি, তাই যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য দারুণ।
ক্যানসার প্রতিরোধে: আঙুরে থাকা পলিফেনল ও রেসভেরাট্রল নামক উপাদান ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
হার্টের যতেœ: এলড বাকি অংশ পড়ুন...
এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক গবেষণা চলছে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৪৪ বছর ধরে উদ্ভিদের বীজ নিয়ে চলছে এ গবেষণা। ১৮৭৯ সালে শুরু হওয়া এ গবেষণার শুরুতে মিশিগান স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ২০টি কাচের বোতলে ভেজা বালু ও ২৩ প্রজাতির ৫০টি বীজ ভরে মাটিতে পুঁতে রাখেন উদ্ভিদবিদরা। বীজ অঙ্কুরিত হবে কি না, তা দেখতে ২০ বছর পর একটি করে বোতল মাটি থেকে বের করে আনা হয়।
মাঝারি আর্দ্র বালুতে ভালোভাবে মিশিয়ে বোতলে রাখা হয়েছে বীজগুলো।
দীর্ঘদিন ধরে চলা এ বৈজ্ঞানিক প্রকল্পের গবেষক ওয়েবার বলেছে, প্রথম দিকে উদ্ভিদবিদরা প্রতি পাঁচ বছর পর একটি করে বোতল মাটি থেকে ব বাকি অংশ পড়ুন...
সৌরজগতে একটি নতুন বস্তু আবিষ্কৃত হয়েছে। প্লুটোর চেয়েও অনেক দূরে সেটা, ঘুরছে সূর্যকে কেন্দ্র করে। বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছে অ্যামোনাইট।
জাপানি জ্যোতির্বিদেরা হাওয়াইয়ের সুবারু টেলিস্কোপের মাধ্যমে খুঁজে পেয়েছে এই বস্তু। আনুষ্ঠানিকভাবে এর নাম দেওয়া হয়েছে ২০২৩ কেকিউ১৪। কিন্তু সবাই একে ডাকছে অ্যামোনাইট বলে। এই নাম এসেছে এক প্রাচীন সামুদ্রিক প্রাণীর ফসিল থেকে। সেই প্রাণীরা লাখ লাখ বছর আগে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিলো। সম্প্রতি এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশিত হয়েছে নেচার অ্যাস্ট্রোনমি জার্নালে।
অ্যামোনাইট কিন্তু কোনো বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞান জগতে এই প্রথমবার স্তব্ধ হলো আলো। বিশ্বের সবচেয়ে গতিশীল তরঙ্গ বিশেষ পদ্ধতিতে ‘জমে গেলো’ বরফের মতো। আলোকে বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘ফ্রিজ’ করার পদ্ধতি খুঁজে পেলো বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি বিজ্ঞানবিষয়ক জার্নাল নেচার-এ প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণা।
গবেষকদের কথায়, আলোকে ‘ফ্রিজ’ করে দেওয়ার ফলে তৈরি হয়েছে একটি সুপারসলিড। যা একইসঙ্গে সলিড, আবার সুপারফ্লুইডও। বিজ্ঞানের নিরিখে এটি পদার্থের একটি বিরল অবস্থা।
সহজ করে বুঝে নেয়া যাক-
আলো আসলে তরঙ্গ। এটিকে বিজ্ঞানে পদার্থ হিসেবে গণ্য করা হয় না। কারণ এরা কোনও স্থান দখল করে থাকে না। তাছা বাকি অংশ পড়ুন...
রাশিয়ায় মস্কোতে সবচেয়ে বড় সবজি প্রদর্শনী ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত জুমুয়াবার অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় মস্কো অঞ্চলের কৃষি জমিতে চাষ করা ৯৬৯ কেজি ওজনের একটি বিশাল কুমড়া প্রদর্শন করে সেরা পুরস্কার জিতেছে মস্কোর এক কৃষক। এটি রাশিয়ায় সবচেয়ে বেশি ওজনের কুমড়ার নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।
ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে কুমড়াটি চাষ করা হয়েছে।
কৃষক আলেকজান্ডার বলেছে, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমি বিজ্ঞানভিত্তিক সবজি চাষ করেছি। শুরুটা হয় সবচেয়ে ভালো বীজ থেকে। এরপর আসে সঠিক কৃষি প্রযুক্তি, যেখানে প্রতিটি প্রক্রিয়া প্রতিদিন নজরদারি করা হয়। সবজ বাকি অংশ পড়ুন...
বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে যে, প্রায় ৪৩ মিলিয়ন বছর আগে একটি বিশাল অ্যাস্টেরয়েড সমুদ্রের তলদেশে আঘাত হেনেছিলো। গবেষকরা সিসমিক ইমেজিং ও সমুদ্রতলের নিচের তথ্য বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করেছে, সমুদ্রতলে পিরামিড-আকারের অ্যাস্টেরয়েডের আঘাতটি ৪৩ মিলিয়ন বছরের পুরনো।
আর এ মহাজাগতিক ঘটনারই প্রমাণ মিলেছে ইয়র্কশায়ারের উপকূল থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে অবস্থিত ‘সিলভারপিট ক্রেটার’-এ। খবর ডেইলি মেইল।
ক্রেটার সমুদ্রের তলদেশে অবস্থিত বিশাল গর্তকে বোঝায়। সিলভারপিট ক্রেটারটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় ২০০২ সালে। আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে গত দুই দশকেরও বাকি অংশ পড়ুন...
থানকুনি পাতা প্রাচীনকাল থেকেই প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদ ও অন্যান্য প্রথাগত চিকিৎসায় এটি নানা ধরনের স্বাস্থ্য উপকারের জন্য পরিচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিকভাবে থানকুনি পাতা খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, হজম শক্তি বাড়ে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
থানকুনি পাতার কিছু মূল উপকার:
থানকুনি পাতা খাবারের হজম সহজ করে এবং পাকস্থলীর সমস্যা কমায়। এটি নিয়মিত খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং পাতা বা পাতা থেকে তৈরি প্রাকৃতিক রস ত্বককে মসৃণ ও সতেজ রাখ বাকি অংশ পড়ুন...
মশার কামড় থেকে বাঁচতে মানুষ কত কিছুই প্রয়োগ করে। কিন্তু এমন একটি দেশ আছে যেখানে একটি মশাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
দেশটির নাম আইসল্যান্ড। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, পৃথিবীর প্রায় সব মহাদেশেই কোনো না কোনোভাবে মশা পাওয়া গেলেও আইসল্যান্ডে একটিও মশা নেই। এই কারণে দেশটি বিশ্ববাসীর কাছে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
এই দেশে মশা ছাড়াও কোনো পোকামাকড় এমনকি সাপও নেই। দেশটির প্রতিবেশী দেশ নরওয়ে, ডেনমার্ক, স্কটল্যান্ড এমনকি গ্রীনল্যান্ডেও যথেষ্ট মশার উৎপাত আছে। নেই শুধু আইসল্যান্ডে। আইসল্যান্ডের আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না মশারা।
আ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিবেশ রক্ষায় বাঁশের ভূমিকা কতটুকু? এর অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য উপকারিতা কি পরিমাণ? জেনে নিন বাঁশের এমন বহু উপকারিতার কথা।
বাঁশ কোনো গাছ নয়:
এটি মূলত এক ধরণের ঘাস এবং চীর সবুজ বহু বর্ষজীবী উদ্ভিদ যা নাতিশীতোষ্ণ ও গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে জন্মায়।
পৃথিবীতে ৩০০ প্রজাতির বাঁশ রয়েছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইন্সটিটিউট ৩৩ প্রজাতির বাঁশ সংরক্ষণ করেছে। এরমধ্যে রয়েছে- মুলি, তল্লা, আইক্কা, ছড়িসহ নানা প্রজাতির বাঁশ।
এক তথ্যসূত্র মতে, বাঁশের প্রজাতি ও বৈচিত্রের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে রয়েছে।
খাদ্য:
খাদ্য হিসেবেও বাঁ বাকি অংশ পড়ুন...
এবার বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছে বিশেষ এক ধরনের চোখের ড্রপ, যা দিয়ে দূরদৃষ্টিজনিত সমস্যা সারানো যেতে পারে। এতে চশমার ব্যবহার অনেকাংশেই কমে আসতে পারে এমনই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি কোপেনহেগেনে ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কাটার্যাক্ট অ্যান্ড সার্জনস-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এই ড্রপ ব্যবহারের এক ঘণ্টা পরেই রোগীরা চোখে আগের চেয়ে বেশি দেখতে পাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, এর প্রভাব দুই বছর পর্যন্ত থাকে।
প্রেসবায়োপিয়া বা দূরদৃষ্টিজনিত সমস্যা কি?
৪০ বছর বা তার বেশি বয়সিদের মধ্যে দূরদৃষ্টি বা প্রেসবায়োপিয়া একটি সাধারণ সমস্যা। চোখের লেন্সে বাকি অংশ পড়ুন...
চাঁদ ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছে প্রতি বছর গড়ে ১ দশমিক ৫ ইঞ্চি বা ৩ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার হারে। এই পরিবর্তন অত্যন্ত ধীর, তবে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা তা নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে সক্ষম হয়েছে।
নাসার পাঠানো মহাকাশযান ও অ্যাপোলো অভিযানে নভোচারীদের বসানো আয়নার ওপর লেজার রশ্মি পাঠিয়ে এই দূরত্ব পরিমাপ করা হয়। চাঁদ থেকে আলো ফিরে আসতে সময় কত লাগছে, তা পরিমাপ করেই জানা যায় চাঁদের সঙ্গে পৃথিবীর দূরত্ব কি হারে বাড়ছে।
চাঁদ ও পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় ২ লাখ ৩৯ হাজার মাইল (৩ লাখ ৮৫ হাজার কিলোমিটার)। তবে চাঁদের কক্ষপথ স বাকি অংশ পড়ুন...












