(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদ কখনও এক নয়।)
পূর্ব প্রকাশিতের পর
আবূ জেহ বাকি অংশ পড়ুন...
কোনো কোনো ঐতিহাসিক উল্লেখ করেছেন- হযরত ইবরাহীম তাইমি রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার কথা। এক বর্ণনায় এসেছে, একবার এক কুফাবাসী যুবক হযরত হুজায়ফা ইবনে ইয়ামিন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট জানতে চাইলো, হে আবূ আব্দুল্লাহ! আপনি কি কখনো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু তায়ালা আনহু উনার অনুপম সান্নিধ্য বা ছোহবত লাভ করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো কিছুদিনের পবিত্র সাহচর্য মুবারক। যুবক বললো, আপনার সঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কীরূপ আচরণ করতেন বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
ইয়াযীদ বাহিনীর তাণ্ডবলীলা:
১. খুন-হত্যা: ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির নির্দেশে ইবনে উক্ববা লা’নাতুল্লাহি আলাইহি ৪২ হাজার সৈন্য নিয়ে পবিত্র মদীনা শরীফ আক্রমন করে এবং পবিত্র মদীনা শরীফ উনাকে ৩ দিনের জন্য হালাল ঘোষণা করে। না‘ঊযুবিল্লাহ! এ সময় ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির বাহিনী শিশু এবং মহিলা ব্যতীত সর্বমোট ১২,৪৯৭ জন পবিত্র মদীনা শরীফবাসী উনাদেরকে শহীদ করে। না‘ঊযুবিল্লাহ! উনাদের মধ্যে হযরত মুহাজির ও আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম এবং বিশিষ্ট হযরত তাবেয়ীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনার বাকি অংশ পড়ুন...
(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদ কখনও এক নয়। )
পূর্ব প্রকাশিতের পর
হযরত ক বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর হযরত নাঈম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি গেলেন উনার আপন গোত্রের লোকদের কাছে। তাদের মনেও সন্দেহ এবং ভয় ঢোকালেন বিভিন্ন কথা বলে। হিজরী ৬ষ্ঠ সন। পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূর অর্থাৎ রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস।
মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রলম্বিত পরিখার যুদ্ধের ইতি ঘটালেন এভাবে, হযরত আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি (তিনি তখনও মুসলমান হননি) কুরাঈশ এবং গাতফান গোত্রের কিছুসংখ্যক লোক নিয়ে গঠন করলেন একটি প্রতিনিধি দল। তারপর ইকরামা ইবনে আবু জেহেল এবং ওরাকা ইবনে গাতফানের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটিকে পাঠালেন বনী কুরায়জার ন বাকি অংশ পড়ুন...
(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদ কখনও এক নয়। )
পূর্ব প্রকাশিতের পর
মহান আল্ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রসিদ্ধ তারিখ ও সীরত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ রয়েছে,
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত উহুদ জিহাদ মুবারক থেকে ফিরে পবিত্র মদীনা শরীফে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করলেন। এ দিকে পবিত্র মদীনা শরীফে অবস্থান রত কাট্টা মুনাফিক উবাই বিন সুলূল সে একটি নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়িয়ে মানুষদেরকে ওয়াসওয়াসা দিত। তার দলের লোকেরা তাকে মর্যাদাবান মনে করতো। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র জুমুয়ার দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া স বাকি অংশ পড়ুন...
(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলতখ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদ কখনও এক নয়।)
পূর্ব প্রকাশিতের পর
উক্ত পবি বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত মূসা ইবনে উকবা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত রক্ত মাখা তরবারি মুবারক দেখে ইরশাদ মুবারক করেন-
إنْ كُنْت أَحْسَنْت الْقِتَالَ فَقَدْ أَحْسَنَ حَضْرَتْ عَاصِمُ بْنُ ثَابِتٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، وَ حَضْرَتْ الْحَارِثُ بْنُ الصَّمَّةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ، وَ حَضْرَتْ سَهْلُ بْنُ حُنَيْفٍ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ،
অর্থ: “আজ আপনি সম্মানিত জিহাদ মুবারক যথাযথ ভাবে করেছেন তবে হযরত আছিম ইবনে ছাবিত ইবনে আবুল বাকি অংশ পড়ুন...
ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো আইনত দ-নীয় অপরাধ। কিন্তু অনেকেই ড্রাইভিং লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া না জানা বা ঝামেলা এড়াতে লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ি চালান। এতে পথে পথে ট্রাফিক পুলিশের হাতে পাকড়াও হয়ে মামলা-জরিমানার মুখে পড়েন। তাহলে কি করতে হবে আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে?
ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স। গ্রাহককে প্রথমে লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে।
লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্স কিভাবে পাবেন? প্রথমে লাইসেন্স প্রত্যাশীকে তা বাকি অংশ পড়ুন...












