আইন
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আইনী কার্যক্রম
, ২৭ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ০৭ আউওয়াল, ১৩৯২ শামসী সন , ০৫ জুন, ২০২৪ খ্রি:, ২২ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) আইন ও জিহাদ
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্তমান সময়ের যিনি সম্মানিত ইমাম ও মুজাদ্দিদ, ছহিবু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সুলত্বানুন নাছীর, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বইয়ুমুয্যামান, ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের স্বার্থ বিরোধী কাফির ও মুনাফিকদের যাবতীয় ষড়যন্ত্র ও কূট কৌশল নস্যাৎ করে সত্যিকার অর্থেই ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠায় বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন। সেগুলোর অন্যতম “আইনী কার্যক্রম”। সুবহানাল্লাহ। যা উনার ঐতিহাসিক অভূতপূর্ব আজিমুশ্বান তাজদীদ মুবারক।
এ তাজদীদী কার্যক্রমের সফলতা আজ দিবালোকের চেয়েও সুস্পষ্ট। ফলশ্রুতিতে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের স্বার্থ বিরোধী কাফির ও মুনাফিকদের অনেক ষড়যন্ত্র ও কূট কৌশল নস্যাৎ হয়েছে, হচ্ছে এবং হতেই থাকবে। ইনশাআল্লাহ!
পাঠকের উপলব্ধির স্বার্থে নীচে বিশেষ কিছু আইনী কার্যক্রমের তালিকা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হল।
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে আইনী নোটিশ:
পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের দায়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলামকে সতর্ক করে আইনী নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি পাঠিয়েছেন মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মুহম্মদ মাহবুব আলমের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী এডভোকেট শেখ ওমর শরীফ।
নোটিশে মন্ত্রীর কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য উল্লেখ করে বলা হয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম গত ১৮ জুন ২০২০ তারিখে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলেছে, স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় এ-বছর কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা কমানো হবে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে ছোট হাটগুলো বসানো হবে না। লোকালয় থেকে দূরে এবং অপেক্ষাকৃত বড় জায়গায় অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলেও জানায় মন্ত্রী।
মন্ত্রীর কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে এ ধরণের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নোটিশে বলা হয়েছে, পবিত্র ঈদুল আযহা মুসলিমদের একটি দ্বীনি উৎসব এবং পশু কুরবানী একটি দ্বীনি ইবাদত। কুরবানীর পশুর হাট, পশু কেনা-বেচা, পশু কুরবানী ইত্যাদি কাজ সারতে সারা বছরে মাত্র ৪/৫ দিন লাগে। কুরবানীর পশুর হাট প্রকৃতপক্ষে দেশবাসীর নাগালের মধ্যেই বসাতে হবে। সহজভাবে পশু কিনতে পারা মুসলিমদের একটি নাগরিক অধিকার। অথচ মন্ত্রী বলছে, স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় কমানো হবে হাটের সংখ্যা, স্বাস্থ্যবিধি মানতে ছোট হাটগুলো বসানো হবে না, লোকালয় থেকে দূরে এবং অপেক্ষাকৃত বড় জায়গায় অস্থায়ী পশুর হাট বসানো হবে!
মন্ত্রীর কথিত ‘স্বাস্থ্যবিধি’ যে একটি অযৌক্তিক ও অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত সে বিষয়ে, বিভিন্ন দেশের উদাহরণ ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের রেফারেন্স তুলে ধরে বলা হয়, লকডাউন ও জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ ভাইরাসের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে পেরেছে, তা আদৌ প্রমাণিত নয়। বরং হার্ড ইম্যুনিটি তৈরিতে এটা বাধাস্বরূপ। যে কারণে অনেক দেশই সকল বিধি-নিষেধ তুলে দিয়ে জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচল উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
তাছাড়া পবিত্র কুরবানী একজন মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার হিসেবে উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে পবিত্র কুরবানীর আয়োজন ও ব্যবস্থাপনাকে কঠিন ও প্রায় অসম্ভব করে তোলা, দেশে পশুর হাট ও কুরবানীর স্থান সংকোচনের ষড়যন্ত্র মুসলমানদের পবিত্র দ্বীনি অধিকারে হস্তক্ষেপ এবং দ্বীনি অনুভূতিতে আঘাত করার শামিল।
তাই নোটিশে মন্ত্রীকে পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট কমানো নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানানো হয়েছে।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৭)
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৭)
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়:(১৫তম পর্ব)
০২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৬)
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৬)
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১৪তম পর্ব)
১৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৫)
১৮ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৫)
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১৩তম পর্ব)
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৪)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত উহুদ উনার পরিচয়: (১২তম পর্ব)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ (১৩)
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












