আর সেই অংশ মুবারকের হক্বদার হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারাও। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তাহলে বিষয়টা ফিকির করতে হবে। উনাদের খুছূছিয়াত মুবারক, বৈশিষ্ট্য মুবারক, ফযীলত- সম্মান মুবারক ফিকির করতে হবে। এটা কিন্তু কঠিন বিষয়, আমি অনেকবার বলেছি। অনেক দিন বলেছি, আমরা বলতেই থাকবো অনন্তকাল ধরে। উনাদের পবিত্র শান-মান মুবারক ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক যাতে মানুষ বুঝতে পারে। এখানে কিন্তু বিন্দু থেকে বিন্দুমাত্র চূ-চেরা, কীল-কাল করলে তার ঈমানটা নষ্ট হয়ে যাবে। কঠি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ أَمَرَ بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحْيَةِ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন গোঁফ ছোট করার ও দাড়ি লম্বা করার। (দারহী কী শরয়ী হাইছিয়ত)
ঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
عَسٰىۤ أَنْ يَّـبْـعَثَكَ رَبُّكَ مَقَامًا مَّـحْمُوْدًا
“নিশ্চয়ই আপনার মহান রব তায়ালা আপনাকে মাকামে মাহমূদ উনার মাঝে অধিষ্ঠিত করবেন।” (পবিত্র সূরা ইসরা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৭৯)
মাকামে মাহমূদ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এমন এক মাকাম মুবারক যা সৃষ্টির কারোই নেই। এই মহাসম্মানিত মাকাম উনার ব্যাখ্যায় তাফসীর এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিভিন্ন ব্যাখ্যাগ্রন্থে একাধিক মত রয়েছে। যথা- (১) মাকামে মাহমূদ হলো শাফায়াতে কুবরা। (২) প্রশংসার পতাকা নূরে মুজাসসাম হাবীবুলà§ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِن تَمْسَسْكُمْ حَسَنَةٌ تَسُؤْهُمْ وَإِن تُصِبْكُمْ سَيِّئَةٌ يَفْرَحُوا بِهَا.
অর্থ: যদি তোমাদের কাছে কোনো কল্যাণ আসে তবে তারা কষ্ট পায়। আর তোমাদের যদি বাহ্যিক দুঃখ-কষ্ট হয়, তবে তারা আনন্দিত হয় (তীব্র হিংসাই এর কারণ)। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান: আয়াত শরীফ ১২০)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
سُنَّةَ اللهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلُ وَلَن تَجِدَ لِسُنَّةِ اللهِ تَبْدِيلاً
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন এটা মহান আল্লাহ পাক উনার এটাই হুকুম, এটাই আদেশ মুবারক। এটাই তর্জ-তরীক্বা, সুন্নত মুবারক। এটাই নির্দেশ মুবারক করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে করতে হবে। এই আদেশ-নির্দেশ মুবারকের কোন পরিবর্তন নাই। কোন পরিবর্তন নাই। ঠিক এভাবেই করতে হবে। এখন মানুষ তাহলে কি বুঝতে পারলো? তাহলে যারা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা, কীল-কাল করে, এই নাটক নোবেল সিনেমা বানায়, বই পুস্তক লেখে তাদের কি শাস্তি দিতে বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهِ لاَ نُوَلِّى عَلٰى هٰذَا الْعَمَلِ أَحَدًا سَأَلَهٗ وَلاَ أَحَدًا حَرَصَ عَلَيْهِ
অর্থ: এই কাজে (শাসক পদে) যারা পদপ্রার্থী হয় বা পদের আকাঙ্খা করে আমরা তাদের পদ দেই না। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
যেখানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্বাচন পদ্ধতি শুধু অপছন্দই করেননি সাথে সাথে নিষেধও করেছেন। তাহলে নির্বাচন জায়েয কি করে বলা যেতে পারে? মুসলমানের জন্য নির্বাচন জায়েয বলা কুফরী।
বাকি অংশ পড়ুন...
ফিক্বহে হানাফীর মশহূর কিতাব ‘বাদায়িউছ ছনায়িয়ী’তে উল্লেখ রয়েছে-
وَاللَّعِبُ حَرَامٌ فِي الْأَصْلِ إلَّا أَنَّ اللَّعِبَ بِهَذِهِ الْأَشْيَاءِ صَارَ مُسْتَثْنًى مِن التَّحْرِيمِ شَرْعًا لِقَوْلِهِ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ { كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ إلَّا مُلَاعَبَةَ الرَّجُلِ امْرَأَتَهُ وَقَوْسَهُ وَفَرَسَهُ}
অর্থ: মূলত সকল খেলাধুলাই হারাম। তবে শরীয়তগতভাবে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের সাথে লায়িব শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা মূলত খেলা নয় তা বৈধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে দলীল হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ إلَّا مُلَاعَبَةَ الرَّجُلِ امْرÙ বাকি অংশ পড়ুন...












