فَحَمِدَ اللهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَوَعَظَ وَذَكَّرَ ثُمَّ قَالَ: " أمَّا بعدُ أَلَا أيُّها النَّاسُ
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার প্রসংশা মুবারক করলেন অতঃপর ছানা-ছিফত মুবারক করলেন এবং কিছু ওয়াজ ও নছীহত মুবারক করলেন। এবং তিনি বললেন হে মানুষেরা তোমরা যেনে রাখ,
فَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ أَنْ يَّأْتِيَنِي رَسُولُ رَبِّي فَأُجِيبَ
আমি হচ্ছি মহাসম্মানিত আখিরী রসূল, আমি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীন ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَقَاتِلُوا الْمُشْرِكِينَ كَافَّةً كَمَا يُقَاتِلُونَكُمْ كَافَّةً وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ مَعَ الْمُتَّقِينَ.
অর্থ: “আর আপনারা মুশরিকদের সকলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে জিহাদ করুন, যেমনিভাবে তারা আপনাদের সকলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে জিহাদ করে থাকে। আর জেনে রাখুন যে, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্তাক্বীদের সাথে রয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা তাওবা: আয়াত শরীফ ৩৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
وَمَا مِنْ دَآبَّةٍ فِي الأَرْضِ إِلاَّ عَلَى اللهِ رِزْقُهَا
যমীনে যত প্রাণী সকলের রিযিকের জিম্মাদার যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি। রিযিক অর্থ কি? এখন মানুষ মনে করে রিযিক অর্থ খাওয়া পরা। না, খাওয়া পরা না। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিল যে রিযিক অর্থ কি? তিনি বললেন, রিযিকের অর্থ মানুষতো বুঝে না। রিযিকের অর্থ হচ্ছে একটা লোকের যা প্রয়োজন জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত এমন কি কবর, হাশর-নশর, মীযান-পুলছিরাত, জান্নাত মুবারক পর্যন্ত তার রিযিকের অন্তুর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহি ঠবাকি অংশ পড়ুন...
اَلصَّدَقَةُ تَرُدُّ الْبَلَاءَ
অর্থ: দান-ছদকার দ্বারা বালা-মুছিবত দূর হয়।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বিলাদত শরীফ:
সাইয়্যিদুল আউলিয়া, দলিলুল আরেফিন, মাখজানে মারিফাত, সিরাজুল উম্মত, আসাদুল্লাহ্, ছাহিবুল আসরার, সাইয়্যিদুল আবেদীন, মুহইউস সুন্নাহ্, দাফিউল বিদয়াত, মুজাহিদে মিল্লাত, খলীফাতুল্লাহ্ ফিল আরদ, আমিরুল মু’মিনীন, আওলাদে রসূল, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ১২০১ হিজরী সনের পবিত্র ৬ই ছফর শরীফ, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ ভারতের উত্তর প্রদেশের “রায় বেরেলী” শহরের বিখ্যাত সম্ভ্রান্ত সাইয়্যিদ পরিবারে পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন।
নসবনামা মুবারক:
উনার নসবনামা মুবারক সম্পর্কে “মাখজানে আহমদীâ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান, বাকি অংশ পড়ুন...
‘মাকামে মাহমুদ’ বিষয়ে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অভিমত:
(১)
عَنْ حَضْرَتَ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَلَامٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ اِنَّ مُـحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلٰى كُرْسِىِّ الرَّبِّ بَـيْنَ يَدَىِ الرَّبِّ
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। “নিশ্চয়ই কিয়ামতের দিনে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরতী আসন মুবারক উনার পাশে আসন মুবারকে অবস্থান করবেন। (তাফসীরে তাবারী ১৭/৫৩২, ফতহুল বারী ১১/৪২৭)
(২)
عَنْ حَضْرَتْ اِ বাকি অংশ পড়ুন...
তাশাহ্হুদ বা আত্তাহিয়্যাতু
اَلتَّحِيَّاتُ لِلّٰهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّـبَاتُ. اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ اَيُّـهَا النَّبِىُّ وَرَحْـمَةُ اللهِ وَبَـرَكَاتُهٗ. اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلٰى عِبَادِ اللهِ الصَّالِـحِيْنَ. اَشْهَدُ اَنْ لَّا اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاَشْهَدُ اَنَّ مُـحَمَّدًا عَـبْدُهٗ وَرَسُوْلُهٗ.
অর্থ : সমস্ত সম্মান, সর্বপ্রকার মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক ইবাদত এবং সমস্ত পবিত্র বিষয় মহান আল্লাহ তায়ালা উনারই জন্য। হে আমার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনার উপর শান্তি, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার বরকত বর্ষিত হোক এবং (আপনার উসীলায়) আমাদের ও মহান আ বাকি অংশ পড়ুন...
পাঁচ বছরের মধ্যে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম তার দেশ থেকে বের করে দিবে। নাউযুবিল্লাহ! ঐ কাফিরকে দেশের মালিকানা কে দিয়েছে? এই কাফিরকে দেশের মালিকানা কে দিলো? সে দেশের মালিক কবে হলো? সে একটা কর্মচারী মালিক হলি কবে? তুইতো দেশের লোকদের থেকে পয়সা নিয়ে তারপর সংসার চালাছ। তুইতো একটা কর্মচারী।
তারে মালিকানা কে দিয়েছে? এখন কাফফারা আদায় কর। সমস্ত কাফিররা কাফফারা আদায়া করবে। ছাড়াছাড়ি নাই একটারো। কঠিন এখন আযাবে-গযাবে গ্রেফতার। কোটি কোটি মানুষ মারা যাচ্ছে আরো মরবে। তাহলে বিষয়টা ফিকির করতে হবে। এখন মানুষ, জিন-ইনসান উপলদ্ধি করতে পারে না। এজন্য আম বাকি অংশ পড়ুন...
حُبُّ الصَّحَابَةِ إيْمَانٌ وَ بُغْضُهُمْ كُفْرٌ
অর্থ: হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক ঈমান, আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। (কানযুল উম্মাল)
বাকি অংশ পড়ুন...












