আসমানের দরজা খুলে দেওয়া হয়।
জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।
রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।
বাকি অংশ পড়ুন...
ইন্ট্রাভেনাস (Intravenous): এ পদ্ধতিতে শিরা (vein)-এর মাধ্যমে রক্তে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। এ পদ্ধতিতে ওষুধ সরাসরি রক্তে মিশে যায়।
সাবকিউটেনিয়াস (Subcutaneous): শরীরে ত্বকের এবং মিউকাস মেমব্রেনের এক বা একাধিক স্তরের মধ্য দিয়ে এ পদ্ধতিতে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। তবে এ পদ্ধতিতেও ওষুধ রক্ত স্রোতে মিশে যায়।
ইন্ট্রামাসকিউলার(Intramuscular): এ পদ্ধতিতে ওষুধ শরীরের পেশীসমূহের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করানো হয় এবং কিছু সময় পর ওষুধ রক্ত ¯্রােতে গিয়ে মিশে।
ইন্ট্রাথিকাল (Intrathecal): অনেক সময় কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র (Central Nervous System ev CNS)-এ ওষুধ অন্যান্য পদ্ধতিতে প্রয়োগ করলে বিলম্বে পৌঁছে, আর সে ক বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
এখন
لَيْسَ الذَّكَرُ كَالْأُنثٰى
কোন পুরুষ উনার মতো নন। বেমেছাল উনি, এতো শান-মান উনার। আর উনারই আওলাদ হচ্ছেন হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনার পরে আসলেন কারা? হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের শান মুবারকে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করলেন-
يَا نِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاءِ
হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! আপনারা দুনিয়ার কোন মহিলা বাকি অংশ পড়ুন...
মূলতঃ ইনজেকশন সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য শুদ্ধ হয়নি। কারণ পবিত্র হাদীছ শরীফ, ফিক্বাহর কিতাবে বর্ণিত উছূল ও বর্তমান আধুনিক বিশ্বের উন্নততর চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভালরূপে তাহ্ক্বীক বা গবেষণা করার পর এটাই প্রমাণিত হয় যে, ইনজেকশন নিলে অবশ্যই রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে। অতএব, ইনজেকশন সম্পর্কিত ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে ভুল, তাই তা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।
ইনজেকশন ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্যের খন্ডনমূলক জাওয়াব:
আমরা ইনজেকশন সম্পর্কে ইমদাদুল ফতওয়ার বক্তব্য জানতে পেরেছি। আমরা পবিত্র কুরআ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায়ও ইমাম-মুজতাহিদগণ উনাদের কিতাবে ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করেছেন।
وَفِي الْبَحْرِ قَالُوا وَأَشَدُّهَا كَرَاهَةً مَا يَكُونُ عَلَى الْقِبْلَةِ أَمَامَ الْمُصَلِّي، ثُمَّ مَا يَكُونُ فَوْقَ رَأْسِهِ ثُمَّ مَا يَكُونُ عَنْ يَمِينِهِ وَيَسَارِهِ عَلَى الْحَائِطِ، ثُمَّ مَا يَكُونُ خَلْفَهُ عَلَى الْحَائِطِ أَوْ السِّتْرِ
অর্থ: আল্ বাহর” কিতাবে উল্লেখ আছে: মুছল্লীর সামনে প্রাণীর ছবি থাকা শক্ত মাকরূহ তাহরীমী। অতঃপর মাথার উপর, অতঃপর ডানে ও বামে দেয়ালের উপর অতঃপর পিছনে দেয়ালের উপর অতঃপর কোন পর্দায় প্রাণীর ছবি থাকা মাকরূহ তাহরীমী হবে।
(রদ্দুল্ মুহতার আলাদ্ দুররিল মুখতার আ বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বলে দিলেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَلِيٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَحْنُ أَهْلُ بَيْتِ
(এখানে স্পষ্ট বলা হচ্ছে,) সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমরা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ আমি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদরকে আমার অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
شَجَرَةِ النُّب বাকি অংশ পড়ুন...
. ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব:
ইহা কোনো কাল্পনিক তত্ত্ব নয়; বরং একটি তথ্যনির্ভর, বিশ্লেষণাত্মক ও ঐতিহাসিক অনুসন্ধান- যেখানে কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদের এক বাস্তব ও অন্ধকার চিত্র উন্মোচিত হয়েছে। ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রতিটি পদক্ষেপ, চুক্তি ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা হয়েছে মানবাধিক বাকি অংশ পড়ুন...
আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন সেই মাদারযাদ ওলীআল্লাহ; যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ইলহাম-ইলকা মুবারক ব্যতীত উনার মুখ মুবারক খোলেন না। কোনো কিছুর দিকে দৃষ্টিপাত করেন না। তিনি যেন কোনো কিছু শুনতেই পান না ইলহাম-ইলকা ব্যতীত। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার নূর মুবারক দ্বারা সবকিছুই দেখেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ বাকি অংশ পড়ুন...
ঠোঁট থেকে উচ্চারিত আরবী বর্ণ বা অক্ষর তিনটি। যথা: ب (বা), م (মীম), و (ওয়াও)। দুই ঠোঁটের ভেজা অংশ হতে ب অক্ষরটি উচ্চারিত হয়। এবং ب অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ব’ লেখা হয়। আর দুই ঠোঁটের শুকনা অংশ হতে م অক্ষর উচ্চারিত হয় এবং م অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ম’ লেখা হয়। আর দুই ঠোঁটের মাঝে কিঞ্চিৎ ফাঁকা রেখে و অক্ষর উচ্চারিত হয়। আর و অক্ষরের উচ্চারণে বাংলায় ‘ও’ লেখা হয়।
কিন্তু ‘ও’ অক্ষর স্বরবর্ণ হওয়ার কারণে ‘ও’ অক্ষরে কার ব্যবহৃত হয় না। ফলে و বর্ণে কাসরা বা যের হওয়া অবস্থায় বাংলা উচ্চারণে লেখকগণ বিভ্রান্তিতে পড়েন। এমতাবস্থায় কেউ লেখেন و ‘ওয়াও’ যে বাকি অংশ পড়ুন...












