পবিত্র হাদীছ শরীফে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْن عَبَّاس قَالَ: جَاءَتْ أَحْبَارُ الْيَهُوْدِ إِلٰى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالُوا: أَرِنَا آيَةً حَتّٰى نُؤْمِنَ فَسَأَلَ النَّبِيُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَبَّهٗ أَنْ يُّرِيَهُ آيَةً فَأَرَاهُمُ الْقَمَرَ قَدْ اِنْشَقَّ فَصَارَ قَمَرَيْنِ أَحَدُهُمَا عَلَى الصَّفَا وَالْآخَرُ عَلَى الْمَرْوَةِ قَدْرَ مَا بَيْنَ الْعَصْرِ إِلَى اللَّيْلِ يَنْظرُوْنَ إِلَيْهِ ثُمَّ غَابَ الْقَمَرُ فَقَالُوْا: هٰذَا {سِحْرٌ مُّسْتَمِرٌ}
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উন বাকি অংশ পড়ুন...
ইস্তিন্ক্বা কাকে বলে:
اَلْاِسْتِنْقَاءُ (ইস্তিন্ক্বা) শব্দটি نَقْوٌ (নাক্বউন) শব্দ থেকে এসেছে। এর শাব্দিক অর্থ হলো মুছে পরিস্কার করা, পরিচ্ছন্ন করা ।
আর اَلْاِسْتِنْقَاءُ (ইস্তিন্ক্বা) শব্দটির পারিভাষিক অর্থ হলো শৌচ করার পর বড় ইস্তিন্জার রাস্তায় (পায়খানার রাস্তায়) মুস্তা’মাল পানি (ব্যবহৃত পানি) পাক কাপড়, পাক নেকড়া (তেনা) বা পাক রুমাল দিয়ে মুছাকে ইস্তিন্ক্বা বলে। পাক কাপড় না থাকলে হাত দিয়ে এমনভাবে মুছে ফেলবে যেন ইস্তিন্জার রাস্তায় মুস্তা’মাল পানি বিন্দু পরিমান না থাকে। এরপর সাবান বা পাক মাটি দিয়ে তিনবার হাত ধুয়ে নিবে।
উল্লেখ্য যে, সাধ বাকি অংশ পড়ুন...
এজন্য অন্য একটি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
عن حضرت أبى هريرة رضى الله تعالي عنه قال: قال رسول الله صلى الله علية وسلم إِنَّ لِلَّهِ مَلائِكَةً يَطُوفُونَ فِي الطُّرُقِ
হযরত আবূ হুরাইরা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার কিছু খাছ হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
এছাড়া আয যারকালী একটি পানি ঘড়ি তৈরি করেছিলেন যা দ্বারা দিন ও রাত্রের ঘন্টা হিসাব করা যেত এবং চাঁদের তারিখের হিসাব রাখা যেত।
সৌর বছরের উপর রিসালায় আয যারকালী টলেমির ভূগোলিক স্থানাংকের ভুলগুলো শুদ্ধ করেন। এই রিসালার মূল আরবীয় কপি এখন আর পাওয়া যায় না। তবে শুধু হিব্রু ভাষায় অনুবাদ কপি বিদ্যমান। এখানে তিনি সর্বপ্রথম নক্ষত্রগুলোর স্থিরতার সাথে সৌর অপভুর বিষয় উল্লেখ করেন এবং চলমানতার হার প্রতি বছর ১২.০৪ সেকেন্ড নির্ণয় করে দেখান। উনার এই হিসাব বর্তমান সময়ের কম্পিটারাইজড হিসাব ১১.৭৭ সেকেন্ডের অত্যন্ত নিকট বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِّلَّذِيْنَ آمَنُوا الْيَهُوْدَ وَالَّذِيْنَ أَشْرَكُوْا
অর্থ: (হে আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মুশরিকদেরকে। (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ-৮২)
অর্থাৎ খাছভাবে সমস্ত ইহুদী এবং মুশরিকরা মুসলমানদের সবচাইতে বড় শত্রু আর আমভাবে সকল কাফির-মুশরিক, বিধর্মীরাই মুসলমানদের শত্রু।
বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَللهَ اَللهَ فِـىْ اَصْحَابِـىْ لَاتَتَّخِذُوْهُمْ غَرَضًا مِّنْ بَعْدِىْ فَمَنْ اَحَبَّهُمْ فَبِحُبِّـىْ اَحَبَّهُمْ وَمَنْ اَبْغَضَهُمْ فَبِبُغْضِىْ اَبْغَضَهُمْ وَمَنْ اٰذَاهُمْ فَقَدْ اٰذَانِـىْ وَمَنْ اٰذَانِـىْ فَقَدْ اٰذَى اللهَ وَمَنْ اٰذَى اللهَ فَيُوْشِكُ اَنْ يَّأْخُذَهٗ
অর্থ: আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আমার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার পরে উনাদেরকে তোমরা তিরস্কারের লক্ষ্যস্থল করো না। যে ব্যক্তি উনাদেরকে মুহব্বত করলো, সে আমা বাকি অংশ পড়ুন...
৭. দিনের নামকরণ:
আত-তাক্বউয়ীমুশ শামসী: আরবী মাসের দিনের নামানুসারেই দিনগুলোর নামকরণ হয়েছে।
যথা : ইছনাইনিল আযীম (সোমবার),
ছুলাছা (মঙ্গলবার), আরবিয়া (বুধবার),
খ¦মীস (বৃহস্পতিবার), জুমু‘আহ (জুমুয়াবার),
সাব্ত (শনিবার), আহাদ (রোববার)।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি: রোমানরা গ্রহের সাথে দেবতার সম্পর্ক করতো এভাবে- Sunday- Day of God (বিধাতার দিন), Monday- MoonÕs day (চাঁদের দেবীর সাথে মিলিয়ে), Tuesday - দেবতা Tiw-Gi bv এর নাম থেকে, Wednesday - Mercury
দেবতার নাম থেকে, Thursday- Thor দেবতার নাম থেকে, Friday - দেবী Frigg -এর নাম থেকে, Saturday - শনি গ্রহের (Saturn) সম্মানে। নাঊযুবিল্লাহ!
মুসলমানদের জন্য এভাবে গ্রহ-নক্ষত্র, দেব-দেব বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বয়ীফ সনদে বর্ণিত হাদীছ শরীফ সম্পর্কে উছুলে হাদীছ শরীফ উনার হুকুম
বিশ্ববিখ্যাত ফক্বীহ্ ইমাম হযরত ইবনে হুমাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি লিখেছেন, দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ দ্বারা মুস্তাহাব প্রমাণিত হয় এবং দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ ফযীলত অর্জন করার জন্য আমল করাও জায়িয।
এ সম্পর্কে হযরত ইমাম হযরত ইবনে হুমাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন-
اَلضَّعِيْفُ غَيْرُ الْـمَوْضُوْعِ يَعْمَلُ بِهٖ فِـىْ فَضَائِلِ الْاَعْمَالِ.
অর্থ : “দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ যা মওদ্বু নয়, তা ফযীলত অর্জনের জন্য আমল করা জায়িয। ” (ফতহুল ক্বাদীর ১/৩৪৯)
বিশ্ববিখ্যাত মুহাদ্দিছ ও ফক্বীহ্ হযরত ইমাম হযরত মোল্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলেন-
وَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَى تَنْفَعُ الْمُؤْمِنِينَ
“আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি নছীহত করুন, নিশ্চয়ই আপনার নছীহতগুলো মু’মিনদের জন্য ফায়দাজনক হবে। আর মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন-
تَذَاكَرُوْا فَاِنَّ فِى الْمُذَاكِرَةِ حَيَاةٌ
অর্থ : তোম বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ حضرت عُمَرُ عليه السلام لحضرت أَبِي بَكْرٍ عليه السلام يَا خَيْرَ النَّاسِ بَعْدَ رَسُولِ اللهِ فَقَالَ حضرت أَبُو بَكْرٍ عليه السلام أَمَا إِنَّكَ إِنْ قُلْتَ ذَاكَ فَلَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ عَلَى رَجُلٍ خَيْرٍ مِنْ حضرت عُمَرَ عليه السلام
অর্থ: “হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একবার) সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
قال حضرت علي عليه السلام قال النبي صلى الله عليه وسلم اتقوا غضب حضرت عمر عليه السلام فإن الله تعالى يغضب إذا غضب حضرت عمر عليه السلام
অর্থ: “হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার অসন্তুষ্টি মুবারক উনাকে ভয় করো। কেননা নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি তখন অসন্তুষ্ট মুবারক প্রকাশ করেন, যখন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি অ বাকি অংশ পড়ুন...












