মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عن حضرت ابن عباس رضى الله تعالى عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم ينادي مناد يوم القيامة أين الفاروق فيؤتى بحضرت عمر عليه السلام إلى الله تعالى فيقال مرحبا بك يا حضرت أبا حفص عليه السلام هذا كتابك إن شئت فاقرأه وإن شئت فلا فقد غفرت لك فيقول الإسلام يا رب هذا حضرت عمر عليه السلام أعزني في دار الدنيا فأعز في عرصات القيامة فعند ذلك يحمل على ناقة من نور ثم يكسى حلتين لو نشرت أحدهما لغطت الخلائق ثم يسير بين يديه سبعون ألف ملك ثم ينادي مناد يا أهل الموقف هذا حضرت عمر بن الخطاب عليه السلام فاعرفوه
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া মিসরের শুষ্ক নীলনদের প্রতি ফরমান মুবারক লিখে পাঠিয়ে ছিলেন-
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
مِنْ عَبْدِ اللهِ عُمَرَ اَمِيْرِ الْمُؤْمِنِينَ اِلـٰى نِيْلِ اَهْلِ مِصْرَ اَمَّا بَعْدُ فَاِنْ كُنْتَ اِنَّـمَا تَـجْرِيْ مِنْ قِبَلِكَ وَمِنْ اَمْرِكَ فَلَا تَـجْرِ فَلَا حَاجَةَ لَنَا فِيْكَ وَاِنْ كُنْتَ اِنَّـمَا تَـجْرِىْ بِاَمْرِ اللهِ الْوَاحِدِ الْقَهَّارِ وَهُوَ الَّذِىْ يُـجْرِيْكَ فَنَسْأَلُ اللهَ تَعَالٰى اَنْ يُّـجْرِيَكَ
অনুবাদ:
বিস্মিল্লাহির রহ্মানির রহীম
“এই সম্মনিত চিঠি মুবারক মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা, আম বাকি অংশ পড়ুন...
একবার সুদূর এলাকা থেকে দু’জন ছূফী লোক তাজুল আরেফীন হযরত আবদুল্লাহ খাফীফ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে সাক্ষাত করার উদ্দেশ্যে আগমন করলেন। উনারা উনার দরবার শরীফে পৌঁছে জানতে পারলেন যে, তিনি কি এক বিশেষ প্রয়োজনে বাদশাহর দরবারে গিয়েছেন। এ খবর শুনে ছূফী দু’জনের মন উনার প্রতি বিতৃষ্ণ হয়ে উঠলো। উনারা ভাবলেন, একজন ওলীআল্লাহর পক্ষে বাদশাহর দরবারে যাতায়াত করা তো শোভনীয় নয়। এই যদি উনার অবস্থা হয়, তাহলে উনার সাথে সাক্ষাত করে কি হবে? এই চিন্তা করে দুই ছূফী সেই ওলীআল্লাহর দরবার শরীফ থেকে বের হয়ে স্বদেশ অভিমুখে প্রত্যাবর্তন করলেন।
বর্ণ বাকি অংশ পড়ুন...
কাফির মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ঘোষণা করে দেন যাতে মুসলমানরা সাবধান, সতর্ক হতে পারে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيرٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّوْنَكُمْ مِّنْ بَعْدِ إِيْمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِّنْ عِنْدِ أَنفُسِهِمْ
অর্থ: আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের অনেকেই হিংসামূলক মনোভাবের কারণে কামনা করে যে, ঈমান আনার পর আবার তোমরা কাফির হয়ে যাও। (সূরা বাক্বারা : আয়াত শরীফ ১০৯)
মুসলমানদেরকে জাহান্নামী করার জন্য কাফির-মুশরিকরা উল্লেখযোগ্য হাতিয়ার হিসেবে ছবি ও বেপর্দা এ বিষয় দু’টিক বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
শাম বা সিরিয়া সফর:
পবিত্র হারূন শহর হতে বাগদাদ শরীফে পৌঁছার পর সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সেখানে কয়েকদিন অবস্থান করেন। অতঃপর শাম বা সিরিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন।
তিনি নিজেই বলেন, “আমি শাম দেশের নিকটবর্তী একটি শহরে পৌঁছলাম। হযরত আহাদ মাহমুদুল ওয়াহিদ গজনবী রহমতুল্লাহি আলাইহি নামের একজন বুযূর্গ ব্যক্তি একটি পাহাড়ের গুহায় অবস্থান করছিলেন। সেই গুহার অনতিদূরে দুটি বাঘ বসা ছিল। আমাকে দেখামাত্র তিনি হাতের ইশারায় আমাকে উনার নিকটে যেতে বললে বাকি অংশ পড়ুন...
قدم (ক্বদম) শব্দটি আরবী। এটি আরবী এবং ফার্সী উভয় ভাষায় ব্যবহার হয়, যার অর্থ ‘পা’। আরبوسى ‘বূছী’ শব্দটি ফার্সী, যার অর্থ ‘বুছা দেয়া বা চুম্বন করা’। সুতরাং قدم بوسى (ক্বদমবূছী) অর্থ ‘পায়ে বুছা দেয়া বা পদচুম্বন করা’। আরدست (দস্ত( শব্দটি ফার্সী, যার অর্থ ‘হাত’। সুতরাং بوسى دست (দস্তবূছী) অর্থ ‘হাতে বুছা দেয়া’। এক্ষেত্রে দুটি বিষয় রয়েছেন- ১. সরাসরি হাতে বুছা দেয়া, ২. হাত দ্বারা পা স্পর্শ করে হাতে বুছা দেয়া। সুবহানাল্লাহ!
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুগণ উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
কারো কবরে কিন্তু কেউ যাবে না এটা মনে রাখবেন। যার যার কবরে তাকে যেতে হবে।
হযরত উছমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি যখন কোন কবর দেখতেন কাঁদতে কাঁদতে উনার দাড়ী মুবারক ভিজে যেতো। উনাকে জিজ্ঞাসা করা হতো, হে হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম! আপনি হাশর-নশর সবই শুনেন তখনতো আপনি কাঁদেন না? তাহলে কবরের কথা শুনলে, কবর দেখলে কেন আপনি কাঁদেন?
তিনি বললেন যে, দেখ বাবা! কবর হচ্ছে প্রথম মনযিল। কবর হচ্ছে প্রথম মনযিল, এখানে যে পাকড়াও হবে, সব জায়গায় সে পাকড়াও হবে। আর এখানে যে নাজাত পাবে, সে সব জায়গায় নাজাত পাবে।
কাজেই এক হচ্ছে কবর প্রথম মনযিল। দ্বিতীয় হ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُه‘ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا اُولٰئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ اَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْاٰخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ.
অর্থ: ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম আর কে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত মসজিদসমূহে উনার যিকির করতে, উনার নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং সেগুলোকে উজাড় বা বিরাণ করতে চেষ্টা করে। তাদের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় অর্থাৎ খালিছ তওবা-ইস্তিগফার করা ব্যতীত মসজিদসমূহে প্রবেশ করা জায়িয নেই। তাদের জন্য রয়েছে ইহকালে লাঞ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...












