হযরত ইয়াফ ইবনে হিমার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ক্বিয়ামতের দিন কিছু শ্রেণীর লোক জান্নাতে প্রবেশ করবেন। এবং কিছু শ্রেণীর লোক জাহান্নামে প্রবেশ করবে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
তিন শ্রেণীর লোক সম্মানিত জান্নাত উনার মধ্যে প্রবেশ করবেন।
(১) ন্যায় পরায়ন শাসক ও বিচারক যিনি অকাতরে সকলকে দান করেন এবং যাকে সৎ কাজ করার তাওফীক দেয়া হয়েছে।
(২) এমন দয়া বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, বেহেশতের দরজায় লেখা রয়েছে-
اَلدَّيُّوثُ لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ
অর্থ: দাইয়ূছ অর্থাৎ যে পুরুষ কিংবা মহিলা নিজে পর্দা করে না এবং তার অধিনস্তদেরকে পর্দা করায় না সে বেহেশতে প্রবেশ করবে না। (মুসনাদে আহমদ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মূলতঃ রিযিক মহান আল্লাহ পাক তিনি দান করেন, বরকতও মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়ে থাকেন। যেমন বলা হয়ে থাকে, বরকতের ব্যাপারে, হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার উদাহরণ।
যখন মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে সমস্ত জিম্মাদারী দিলেন, উনি খুব খুশী হয়ে শোকরানা জানানোর উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহ পাক উনাকে বলেছিলেন, আয় মহান আল্লাহ পাক! আমি শোকরানাস্বরূপ সমস্ত মখলুকাতকে এক বৎসর খাওয়াতে চাই।
মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, না আপনি সেটা পারবেন না।
তাহলে মহান আল্লাহ পাক! ছয় মাস।
“তাও পারবেন না।
এক মাস।
মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, না, তাও পারবেন না।
১৫ দিন।
মহা বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার প্রতি আদব:
হযরত খাজা উছমান হারূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার এরূপ আদব দেখে আশ্চার্যান্বিত হলেন। হযরত উছমান হারূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আবেগে কেঁদে ফেললেন। সালাম মুবারক পেশ করার নির্দেশ মুবারক দিলেন। নির্দেশ মুবারক পেয়ে তিনি বললেন, আস সলাতু আস সালামু আলাইকুম ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সাথে সাথে পবিত্র রওযা শরীফ থেকে জাওয়াব আসলো-
وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ يَا قُطُبَ الْـمَشَائِخُ.
অর্থ: “হে মাশায়িখগণের কুতুব তথা পথ প্রদর্শনকারী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। ” স বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : إِنَّ الَّذِينَ يَصْنَعُونَ هٰذِهِ الصُّوَرَ يُعَذَّبُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُقَالُ لَهُمْ أَحْيُوْا مَا خَلَقْتُمْ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যারা প্রাণীর ছবি তৈরী করবে, ক্বিয়ামতের দিন তাদের কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে এবং তাদেরকে বলা হবে, যে ছবিগুলো তোমরা তৈরী করেছ, সেগুলোর মধ্যে প্রাণ দাও। ” (বুখারী শর বাকি অংশ পড়ুন...
উনি চার দীনার দিয়ে খাদ্য নিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে গিয়ে পেশ করলেন। পেশ করে উনি খুব খুশী হলেন, উনার দিল এতমিনান হয়ে গেল।
উনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আজকে একটা ঘটনা ঘটে গেছে। একটা খুব সুন্দর ঘটনা ঘটেছে। কি ঘটনা ঘটেছে?
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো সবই জানেন। যেটা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে-
أُعْطِيْتُ جَوَامِعَ الْكَلِم
“মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيرٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَرُدُّونَكُمْ مِنْ بَعْدِ إِيمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِنْ عِنْدِ أَنْفُسِهِمْ
অর্থ: আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারাদের অনেকেই হিংসামূলক মনোভাবের কারণে আকাঙ্খা করে যে, ঈমান আনার পর আবার তোমরা কাফির হও। (সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ১০৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ بُرَيْدَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَلِىٍّ عَلَيْهِ السَّلَامُ يَا عَلِىُّ عَلَيْهِ السَّلَامُ لاَ تُتْبِعِ النَّظْرَةَ النَّظْرَةَ فَإِنَّ لَكَ الأُولَى وَلَيْسَتْ لَكَ الآخِرَةُ
অর্থ: হযরত বুরাইদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম! দ বাকি অংশ পড়ুন...
إِنَّ اللهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ
“মহান আল্লাহ পাক তিনি মজবুত রিযিক দেনেওয়ালা।
এই প্রসঙ্গে বলা হয়ে থাকে।
হযরত ইমামুল আউওয়াল কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার একটা ঘটনা উল্লেখ করা হয় যে- একদিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ইমামুল আউওয়াল কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার ঘরে গেলেন- হযরত আন নূরুর রবিয়াহ যাহরা আলাইহাস সালাম এবং হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম ও হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনাদেরকে দেখার জন্য।
যখন গেলেন, তখন হযরত ইমামুল আউওয়াল কারামাল্ বাকি অংশ পড়ুন...












