যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি দিবস পালন সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِأَيَّامِ اللهِ إِنَّ فِيْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: (সম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার!) আপনি উম্মতদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিন বা দিবসসমূহ স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উক্ত দিনসমূহ স্মরণ বা পালন করার মধ্যে ছবরকারী ও শোকরকারী সকল বান্দা-বান্দীদের জন্য নিদর্শনাবলী রয়েছে। (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
উল্লেখ্য ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম, ইয়াওমু আশূরা, ইয়াওমুল জুমুয়াহ, বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু তার বিপরীত দিকে একজন আবেদ সে ইবাদত করতেছে। আমার ইচ্ছে হচ্ছে- আমি আবেদকে ওয়াসওয়াসা দিই। কিন্তু ঐ আলিম, যিনি ফক্বীহ, আল্লাওয়ালা, উনি শুয়ে রয়েছেন। উনার রোবের কারণে আমি প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছি যে, উনি আমাকে আবার ধরে ফেলেন কি-না? সেজন্য আমি ওয়াসওয়াসা দিতে ভয় পাচ্ছি সেই লোককে।
فَقِيهٌ وَاحِدٌ أَشَدُّ عَلَى الشَّيْطَانِ مِنْ أَلْفِ عَابِدٍ.
একজন ফক্বীহ শয়তানের কাছে এক হাজার আবেদ থেকে ভয়ংকর। যে শয়তান সবসময় আবেদকে ওয়াসওয়াসা দিয়ে থাকে। কিন্তু একজন ফক্বীহ বা আল্লাওয়ালা উনাকে সে ওয়াসওয়াসা দিতে অনেক ফিকির করে থাকে, চিন্তা করে থাকে। কারণ সে ধরা পড়ে যাও বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا آبَاءَكُمْ وَإِخْوَانَكُمْ أَوْلِيَاءَ إِنِ اسْتَحَبُّوا الْكُفْرَ عَلَى الْإِيمَانِ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ ﴿٢٣﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! আপনারা আপনাদের পিতা ও ভাইদেরকে বন্ধু-অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করবেন না, যদি তারা ঈমান আনার উপর কুফরীকে মুহব্বত করে বা প্রাধান্য দেয়। আর আপনাদের মধ্য থেকে যারা তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, তারাই জালিম সাব্যস্ত হবে। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّمَا حَرَّمَ عَلَيْكُمُ الْمَيْتَةَ وَالدَّمَ وَلَحْمَ الْخِنزِيرِ وَمَا أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ ۖ فَمَنِ اضْطُرَّ غَيْرَ بَاغٍ وَلَا عَادٍ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হারাম করেছেন, মৃত প্রাণী, (মাছ ব্যাতীত) রক্ত, শুকরের গোস্ত এবং সেসব প্রাণী মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যাতীত অন্য কারো নামে যবেহ করা হয়। অবশ্য যে ব্যক্তি নিরুপায় হয়ে পড়ে (মা’যূর হয়ে যায়) এবং নাফরমানী ও সীমালঙ্ঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন গুনাহ নেই। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অসীম দয়ালু। ” সুবহান বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ বিরোধী কথিত আহলে হাদীছ মতাদর্শের কিছু নমুনা উপস্থাপন করা হলো-
(মতবাদ-১)
গায়রে মুকাল্লিদদের নিকট কাফেরদের জবাই করা পশু হালাল। আর তা খাওয়া জায়েজ। {গায়রে মুকাল্লিদ আলেম নওয়াব সিদ্দিক হাসান খান রচিত দলীলুত তালেব-৪১৩, গায়রে মুকাল্লিদ আলেম নূরুল হাসান খান রচিত উরফুর জাদী-২৪৭}
নিজেদের আহলে হাদীছ দাবি করে পবিত্র কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফের রেফারেন্স না দিয়ে এখানে তারা আল্লামা শাওকানীর অন্ধ তাকলীদ করেছে। এ কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফের দলিল ছাড়া এ তাকলীদ কি [কথিত আহলে হাদীছদের বক্তব্য অনুসারে] শিরক নয়?
(মত বাকি অংশ পড়ুন...
কারামত মুবারক:
সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, একজন ওলীআল্লাহ উনার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনার এতটুকু তায়াল্লুক-নিছবত থাকতে হবে যেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কথা শুনেন। উনার কথা রাখেন। উনি যা চান তিনি উনাকে তাই দেন। যদি সে তা না পারে তাহলে উনাকে ওলীআল্লাহ বলা যাবে না। কারণ সে শায়েখ বা মুর্শিদ নয়। সে প্রতারক, ধোঁকাবাজ। (হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ পূর্ণাঙ্গ জীবনী-২৬৯)
* সেই সময়ের কথা। যখন সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল সা বাকি অংশ পড়ুন...
এখন ফিকিরের বিষয়, চিন্তার বিষয় যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি আলিম যাঁরা, উনাদেরকে কত বড় ফযীলত দিয়েছেন, কত বুযুর্গী-সম্মান দিয়েছেন। সেজন্য হযরত মুয়াবিআ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হাদীছ শরীফে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন-
مَنْ يُرِدِ اللهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ وَإِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ وَاللهُ يُعْطِي
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন যে দেখ-
مَنْ يُرِدِ اللهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّهْهُ فِي الدِّينِ
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার ভালাই চেয়ে থাকেন, মহা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আ’লামীন তিনি আল্লাহওয়ালাগণ উনাদেরকে অশেষ মর্যাদা ও সম্মান দান করেছেন। তন্মধ্যে “কারামত” একটি বিশেষ মর্যাদা ও সম্মান। আল্লাহওয়ালা উনাদের “কারামত” পবিত্র কুরআন শরীফ উনার দ্বারা প্রমাণিত। আর তাই আক্বাঈদের কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে-
كرامة الاولياء حق.
অর্থাৎ “আল্লাহওয়ালা উনাদের কারামত সত্য। ”
অতএব, সমষ্টিগতভাবে আল্লাহওয়ালা উনাদের কারামত অস্বীকার করা কুফরীর নামান্তর। কাজেই কেউ যদি ওলীআল্লাহগণ উনাদের কারামতকে সমষ্টিগতভাবে অস্বীকার করে, তাহলে সে কাফির হবে।
মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হযরত আবূ ইসহাক ইব্রাহী বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
عَنْ حَضْرَتْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ اِنْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهٗ إِلاَّ مِنْ ثَلاَثَةٍ إِلاَّ مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهٖ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهٗ.
অর্থ: হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মানুষ যখন ইন্তিকাল করে, তখন তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায় তিনটি ব্য বাকি অংশ পড়ুন...












